মেন্যু
husain ibnu ali

হুসাইন ইবনু আলি (রা.)

পৃষ্ঠা : 160, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1rst edition
অনুবাদক : আতাউল কারীম মাকসুদ সম্পাদক : সালমান মোহাম্মদ হুসাইন রা.। ভালোবাসার তাজমহল। শ্রদ্ধার রাজপুত্র। নাম শুনলেই অন্তরে ভালোবাসার জোয়ার ওঠে। সাইয়িদুল ইনসি ওয়াল জান নবি মুহাম্মাদ সা.-এর দৌহিত্র। জান্নাতি মহিলাগণের সরদার... আরো পড়ুন
পরিমাণ

140  200 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী প্রসাধনী

7 রিভিউ এবং রেটিং - হুসাইন ইবনু আলি (রা.)

4.9
Based on 7 reviews
5 star
85%
4 star
14%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
Showing 6 of 7 reviews (5 star). See all 7 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    ভ্রান্তিবিলাসে জড়িয়ে গিয়ে যখন জীবন ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ হয়, তখন ইতিহাস জানা বোনাস পয়েন্ট নয় কেবল- তখন ইতিহাস জানা জরুরি, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেও কেও বলে, কিছু জিনিস জানা নিজের জন্য সুখকর। আমি ভাবি, কিছু জিনিস না জানলে অন্যের বিভ্রান্তির সমুদ্রে নিজের ও যে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে৷ বিভ্রান্ত উম্মাহর সামনে কেবল তাদের বিভ্রান্ত বললেই কি তারা ক্ষ্যান্ত হবে? বহু বছরের লালিত সংস্কৃতি ভুল- এটা মানতেই তো একটা দফারফা হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে যদি পরিপূর্ণ দলিল পেশ না করা যায় কিংবা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা না করা যায়, তবে নিজেরই বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়।

    “আশুরা” এই নামটি বেশ পরিচিত আমাদের মাঝে। অথচ কত বিদ’আত জড়িয়ে আছে এই ঘটনা জুড়ে। কারো কাছে আশুরা যেন আনন্দের মহাউৎসব, কারো লোকদেখানো কান্নার আর্তনাদে আশুরা যেন শোকের ছায়া। আর হকপন্থীদের কাছে এক সম্মানিত দিন। আশুরার যুক্তিখন্ডন করার পূর্বে জানা প্রয়োজন একটু পিছনের ঘটনা। আর তার জন্য জানতে হবে ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায় আর জান্নাতের যুবকের সর্দারদের নিয়ে। বলছিলাম হুসাইন ইবনু আলি (রা.) এর কথা, ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বই ” হুসাইন ইবনু আলি রা.” এর কথা।

    উল্লেখিত এই বইটি মোট দুইটি অধ্যায়ে বিভক্ত৷ প্রথম অধ্যায় জুড়ে ছিল মূলত হুসাইন রা. এর বংশ, শৈশব এবং ফজিলত সম্পর্কিত কিছু হাদিস সংক্রান্ত। এছাড়া তার নামকরণ থেকে শুরু করে খতনা পর্যন্ত কিছু আনুষ্ঠানিকতার চিত্র বেশ সহজ-সাবলীল ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক৷ অত্যন্ত চমৎকারভাবে তার পরিচয় পর্বটা পাঠকের সামনে উন্মোচন করেছেন লেখক। দ্বিতীয় অধ্যায়টি মোট তিনটি পরিচ্ছদ জুড়ে বিভক্ত হয়েছে। কারবালার সেই হৃদয়বিদারণ ঘটনা পাঠকের চোখ অশ্রুসিক্ত করে। একরাশ জানার কৌতুহল পাঠককে ঘটনার শেষ অব্দি নিয়ে যায়। আর সেখানেই পাঠকের চোখ হয়ে যায় ঝাপসা। এভাবে হারিয়ে ফেললাম আমরা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় নাতিকে? উম্মাহর কল্যাণের কথা ভাবতে গিয়ে যিনি নিজের মৃত্যুর কথা পরোয়া করেননি, যিনি চাননি উম্মাহর বিভক্তি, যিনি দ্বীন সংরক্ষণের জন্য বস্তা বস্তা বহু চিঠিকেও প্রত্যাখ্যান করে পা বাঁড়িয়েছিলেন কুফার পথে৷ বিনিময়ে কুফা দিয়েছিলেন নির্মম এক মৃত্যু। নির্লজ্জ সেই হত্যাকারী মানুষ গুলোর মুখে ছিলনা এতটুকু অনুতাপ। উম্মাহ হারালো হুসাইন (রা.) কে। মুসলিমদের মাঝে বারংবার স্মরণ হয় তবুও সেই কান্নাজড়িত কারবালার স্মৃতি আর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর ভালবাসার হুসাইন (রা.)- কে। আর এরই রেশ ধরে উম্মাহর দল বিভক্ত হয় কয়েকভাগে। বহু বিদ’আতি আর নাজায়েজি কাজ চলে এই ঘটনা জুড়ে৷ আফসোস! কিভাবে এত মিথ্যাচারে ব্যস্ত তারা! আর এই বই সেই বিষয়গুলোর বিস্তারিত আলোচনা করে সত্যকে উদঘাটন করতে উম্মাহর জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। শুধুমাত্র শিয়া বা অন্যান্যদের ভ্রান্ত মতবাদ খন্ডনই নয় কেবল – এছাড়াও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা রয়েছে এই বইয়ে।

    বলা হয়, উম্মাতের ৭৩ দলের মাঝে এক দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। একটি পথ থেকে একটু একটু করে সরে গিয়ে আমরা বেশ অনেকটা দূরে ভুলের সাগরে ডুবে যাচ্ছি। অথচ এই ভুল মানতে নারাজ আমরা। ফলস্বরূপ, কিয়ামতের দিন নিশ্চয়ই শূন্য হস্তে দাঁড়িয়ে আল্লাহর সামনে অনুতাপ ছাড়া কিছুই হবেনা। অথচ সেদিন কি অনুতাপ করে আদৌ কিছু লাভ হবে? কিছু জিনিসে বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ি নিশ্চয়ই উম্মাহর বিপথগামীতার কারণ। ইতিহাসকেও নিজের জোর বা যুক্তিতর্কের দোহাই দিয়ে উপস্থাপন করা কোনো উম্মাহর বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা। আমরা নির্ভরযোগ্য আলেমগণ, সালাফদের অনুসরণ করে সেসব বুঝব।

    আজকাল প্রায়ই আশুরার এইসব ভ্রান্ত আর ইচ্ছামতন আনুষ্ঠানিকতা মনকে ব্যথিত করে। আমরা কোন পথে হাঁটছি! ভুলকে আঁকড়ে ধরে আল্লাহর অপ্রিয় হওয়ার স্পর্ধা আর গ্রহণযোগ্য নয়। সঠিককে জানতে হবে। আর তা কেবল জানাই নয় বরং এই ভ্রান্তির প্রসারের বিপক্ষে সত্যের প্রসার আরও বেশি হওয়া জরুরি। আর তাই উম্মাহর সামনে বারবার সত্যের প্রকাশ করতে হবে, জানাতে হবে। মিথ্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমি মনে করি, ১৫৬ পৃষ্ঠার বই নিশ্চয়ই ইতিহাসের সম্পূর্ণটা তুলে ধরতে অপারগ। তবে একজন সাধারণ ব্যক্তির জানার শুরুটা এই বইটা দিয়ে হতেই পারে। কারণ সহজভাবে বলতে গেলে, বইটি গুরুত্বপূর্ণ আর একইসাথে সহজ বোধগম্য।

    প্রতিটি জিনিসই ভুলের উর্ধ্বে নয়। এই বইয়েও বানানে কিছু ভুল ছিল। আর একজন নতুন ইতিহাস পাঠক হিসেবে এতটুকুই চোখে পড়ছিল। পরবর্তী সময়ে বিষয়গুলোর সংশোধন করার জন্য অনুরোধ রইলো।

    বই: হুসাইন ইবনু আলি রা.
    লেখক: ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
    অনুবাদ: আতাউল কারীম মাকসুদ
    সম্পাদক: সালমান মোহাম্মদ
    পৃষ্ঠা: ১৫৬
    প্রচ্ছদ মূল্য: ২০০৳

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    হুসাইন রা. নামটা শুনলেই একজন মুমিনের হৃদয়ে জাগে তীব্র ভালোবাসা, একইসাথে হৃদয় হয়ে যায় বেদনাহত। এই সেই হুসাইন রা. যাকে ভালোবাসলে ভালোবাসা হয়ে যায় আমাদের নবী করিম সা. কে। এই সেই হুসাইন যিনি রাসুলুল্লাহ সা. এর কোল মাতিয়েছেন, আবার তিনি এই উম্মাহর প্রয়োজনে জালিম শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে শাহাদাত বরণ করেছেন।
    কালান্তর প্রকাশনের ‘হুসাইন ইবনে আলি রা. শাহাদাত ও কারবালার যুদ্ধ’ বাংলায় অনূদিত একটি মৌলিক জীবনীগ্রন্থ। ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি এর লেখা এই অনুবাদ করেছেন আতাউল করিম মাকসুদ।
    সারসংক্ষেপ :-
    জান্নাতি নারীদের সরদার ফাতেমা রা. এর কোল আলোকিত করেন জান্নাতি যুবকদের সরদার হুসাইন রা.। রাসুলুল্লাহ সা. এর এই আদরের নাতির এক বড় পরীক্ষা দিতে হয় যুবক বয়সে। ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়া যখন খিলাফাতের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তখন হুসাইন রা ইয়াজিদের হাতে যুক্তিসঙ্গত কারণে বাইয়াত দিতে অস্বীকৃতি জানান। এক পর্যায়ে উম্মাহর কল্যাণের উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হন কুফা নগরীর দিকে। কুফাবাসীর বিশ্বাসঘাতকতা, গভর্নর ইবনে যিয়াদ এর নৃশংসতার কারণে শাহাদাত বরণ করেন হুসাইন রা.।
    লেখক সম্পর্কে দুটি কথা:-
    জনপ্রিয় লেখক ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবির গ্রন্থগুলো তাত্ত্বিক বিশ্লেষণধর্মী। গতানুগতিক ধারার বাইরে এই বিশ্লেষণের কারনেই তিনি পাঠকদের কাছে সমাদৃত।
    কেন পড়বেন বইটি:-
    প্রথমত হুসাইন ইবনে আলি রা. একজন সাহাবি ও আহলুল বাইত। তাই তাঁর সম্পর্কে না জানার কোনো অজুহাত থাকতে পারে না আমাদের। এবং দ্বিতীয়ত কারবালার ঘটনা ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ঘটনার উম্মাহকে শিয়া-সুন্নি ভাগে ভাগ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন এই বিষয়ের উপর অনেক বই থাকতে আপনি কেন এই বইটিই পড়বেন?একটি কারণ হলো বইটির ভাষা সহজ ও আলঙ্কারিক। এবং ইতিহাসের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রচলিত ভুল তথ্যের বিপক্ষে প্রমাণ ও যুক্তি দেখিয়েছেন লেখক।
    কালান্তর প্রকাশনের প্রতি কিছু কথা:-
    ইতিহাস জানার কোনো বিকল্প নেই। যে জাতি নিজের ইতিহাস জানে না তারা মেরুদন্ডহীন। কারণ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়ার সুযোগ তাদের নেই। ইসলামিক ইতিহাস বিষয়ে সতন্ত্র অবদান রাখছেন আপনারা। এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ যেন থেমে না থাকে। আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া আখিরাতে আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন জাযাকাল্লাহ খাইরান।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    বই পরিচিতি

    হুসাইন ইবনু আলি রা.
    লেখকঃ ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
    অনুবাদকঃ আতাউল কারীম মাকসুদ
    প্রকাশনাঃ কালান্তর
    মূল্যঃ২০০
    প্রচ্ছদঃ আবুল ফাতাহ

    লেখক পরিচিতি

    ড. মুহাম্মাদ সাল্লাবি একজন লিবিয়ান ফকিহ ও ইতিহাস গবেষক। প্রাথমিক পড়াশুনা লিবিয়াতে সম্পন্ন করলেও উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সিরাত থেকে শুরু করে উসমানী খেলাফতসহ ইসলামের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন।

    ইতিহাস রচনায় তিনি শুধু ঘটনা বর্ণনা করে যাননি। প্রতিটি ঘটনার পেছনে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য দলিল উত্থাপন করেছেন। ইসলামের যে বিষয়গুলো নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুলে সেগুলো যুক্তি দিয়ে খন্ডন করেছেন পাশাপাশি দিয়েছেন নিজস্ব মতামত৷ কালান্তর প্রকাশনা থেকে লেখকের সবগুলো বই অনুবাদ করার কথা আছে৷

    কাহিনি সংক্ষেপ

    মুআবিয়া রা. এর ইনতিকালের পর নবি দৌহিত্র হুসাইন রা. ইয়াজিদের হাতে  বায়আত গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিলেন। অন্যদিকে ইরাক থেকে নেতৃস্থানীয় লোকদের পক্ষ থেকে দ্রুত ইরাকে যাওয়ার জন্য তাঁকে চিঠি দেয়া হচ্ছিলো।

    প্রতিনিয়ত চিঠি পাওয়ার কারণে অনেক সাহাবির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নিজের ইমানি দায়িত্বকে প্রাধান্য দিয়ে পরিবারসহ ইরাকের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু কারবালায় যখন তাকে আক্রমণ করা হয় তখন তাকে সাহায্য করার জন্য ইরাকের মানুষ এগিয়ে আসেনি। ফলে যুদ্ধের প্রস্তুতি ছাড়াই ইরাকে আসার পথে কারবালার ময়দানে আক্রমণের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে নিহত হন হুসাইন রা.। রচিত হয় মুসলিম ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় অধ্যায়।

    বইটিতে যা যা আছে

    বইটি ২টি অধ্যায় ও ৩ টি পরিচ্ছেদে সমাপ্ত হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে হুসাইন রা. এর বংশ, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের কিছু সদস্যদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    বইটির দ্বিতীয় অধ্যায়ই মূলত বইটি আলাদা রচনা কারণ। কারবালা ও হুসাইন রা. মৃত্যুই আলোচ্য বইয়ের মূল বিষয় বস্তু। কেননা এই কারবালা নিয়েই রচিত হয়েছে হাজার হাজার মিথ। শিয়ারা করে প্রচুর মিথ্যাচার। অনেক মুসলিমও এই ঘটনা নিয়ে দ্বিধায় থাকে।

    কিন্তু ড. সাল্লাবি হুসাইন রা. কারবালা পর্যন্ত গমন, এর পিছনের কাহিনি, পরবর্তী কাহিনি খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন, অনেক ভুয়া  যুক্তি খন্ডন করেছেন, করেছেন শিয়াদের মতবাদের দলিলসহ সমালোচনা।

    হুসাইন রা. কেন কারবালায় গিয়েছিলেন? কোন কোন সাহাবি তার যাওয়ার পক্ষে, কোনো সাহাবি বিপক্ষে ছিলেন? কীভাবে কারবালার যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিলো? কারা কারা হুসাইন রা. এর মৃত্যুর জন্য দায়ী? শিয়ারা কী কী মিথ্যাচার করে কারবালা নিয়ে??

    এইসব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ড. সাল্লাবি রচিত এই বইটিতে। অনেকে ধারণা করেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত নাকি ইয়াজিদের পক্ষ অবলম্বন করেন কারবালার ঘটনায়। আশা করি আপনারাও জবাব পেয়ে যাবেন৷

    ব্যক্তিগত মতামত

    ব্যক্তিগত মতামত হলো আমার তৃষ্ণা মিটেছে৷ আমি খুবই খুশি বইয়ের প্রতিটি বিষয়ে। যুক্তিগুলোও সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। শিয়ারা দীর্ঘ সময় ধরে অনেক অসত্য, ভিত্তিহীন কাহিনি তুলে ধরেছে। অনেকে না জানার কারণে বিভ্রান্ত হয়েছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক আলেম তাদের মন্তব্য গ্রহণ করেছেন। অনেকে নিজ থেকে বানিয়ে, বাড়িয়ে বলেছেন।

    জেনারেল লাইনের শিক্ষিতদের জন্য বইটি অনুবাদ হওয়া জরুরি ছিলো। কেননা এমনিতেই এই লাইনের শিক্ষার্থীদের জানার সুযোগ খুবই কম তার উপর এত এত ভিত্তিহীন গল্প কাহিনিতে অনেকে বুঝে উঠতে পারে না কোনটি বিশ্বাস করবেন।

    অনেকে হুসাইন রা. হত্যার জন্য শুধু ইয়াজিদকে দোষারোপ দিয়ে থাকেন৷ অনেকে মনে করেন মূল পরিকল্পনা তিনিই করেছেন। কিন্তু লেখক বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন ইয়াজিদ কোনো পরিকল্পনা করে হুসাইন রা. কে হত্যা করেননি। তবে ইয়াজিদ যেহেতু ব্যবস্থা নেননি তাই তাকে লেখক দোষারোপ করেছেন। বিষয়গুলো খুব সুন্দর করে বিশ্লেষণ করায় বুঝতে সহজ হয়েছে।

    বইয়ের অনুবাদ ১০ এ ১০ পাওয়ার মত। বাইন্ডিং ভালো ছিলো৷ কাগজও ভালো মানের৷ সব মিলিয়ে পাঠক হিসেবে আমি সন্তুষ্ট। 

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    হুসাইন ইবনু আলী রাঃ এইটি নিয়ে কিছু কথা…
    বইয়ের লেখক অসাধারণ ভাবে ড. আলি সাল্লাবি পুরু ইতিহাস তুলে ধরেছেন,এবং অনুবাদক আতাউল কারীম মাকসুদ সুন্দর ভাবে অনুবাদ করেছেন।কালান্তর প্রকাশনী এই ব্যবস্থা করেছে তাদের ধন্যবাদ জানাই।কারণ তাদের কারণে অজানা বহু ইতিহাস জানতে পেরেছি। হুসাইন রাঃ এর জীবনী নিয়ে আমি অনেক কিছু জানতাম না। এবং পাশাপাশি অনেক বিভ্রান্তি ছিলো আল্লাহতালা অশেষ রহমতে জানতে পেরেছি,আর জানার ব্যবস্থা আল্লাহতালা করেছেন ড.আলী সাল্লাবি, আতাউল কারীম মাকসুদ,এবং কালান্তর প্রকাশনী এর মাধ্যমে,আল্লাহতালার কাছে শুকরিয়া জানাই সুক্ষ ইতিহাস জানার জন্য।অনুবাদ যিনি করেছেন আতাউল কারীম মাকসুদ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে আলাদা আলাদা ভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, আর যদি বলি প্রছদ তাতো বলারই দরকার নেই কারণ সবাই জানে কালান্তর প্রকাশনীর বইয়ের প্রচ্ছদের কথা, এরপরও না বলে থাকতে পারছি না অন্যরকম একটি প্রচ্ছদ। আর মুল্য, তাতো সর্বোচ্চ ছাড় যে তারা দেয় তা তারা রাজকীয় অফার দিয়ে পুরো পাঠক মহলকে জানিয়েই দিয়েছে।আর ড. আলী সালাবি উনাকে আল্লাহতালা জাযা-খায়ের দান করুক। উনি ইতিহাস আমাদের জানিয়েছে, এবং আতাউল কারীম মাকসুদ উনি এবং উনার মতো যারা ইতিহাস অনুবাদ করে আমাদের জন্য জানার সুযোগ করে দিয়েছে,এবং সর্বশেষ কালান্তর প্রকাশনী ও আবুল কালাম আজাদ ভাইকে আল্লাহতালা জাযা-খায়ের দান করুক, তাদের মাধ্যমে বইগুলো প্রকাশিত হয় পাঠক মহলে ছড়ে আমাদের পর্যন্ত আসে। আল্লাহতালা সবাইকে হেদায়েত দান করুন, এবং সঠিক ইতিহাস জানার তৌফিক দান করুন।আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    আসসালামু আলাইকুম ওয়াফি লাইফ এর মাধ্যমে হুসাইন (রাঃ) বই পেয়ে খুবই উপকৃত হয়েছি | আসলে আমাদের দেশে হুসাইন (রাঃ) জীবনী সম্পর্কে অনেক বানোয়াট মিথ্যা কাহিনী ছড়িয়ে আছে সমাজে | হুসাইন (রাঃ) এর হত্যার ব্যাপারে শিমর কে দোষারোপ করা হয়| কিন্তু শিমর ইবনু জিলজাওশিন হুসাইন কে হত্যা করেনি তিনি ছিলেন যুদ্ধ শুরু থেকে হত্যা পর্যন্ত মূল ইন্ধনদাতা ও ষড়যন্রকারী| তৎকালীন সময়ের কুফার গভর্ণর ইবনে যিয়াদ ও সেনাপতি উমর বিন সাদ সরাসরি জড়িত ছিলেন আসলে প্রকৃত হত্যাকারী সিনান ইবনু আনাস আন নাখায়ি তির নিক্ষেপ করে| আর উমর ইবনু বাত্তার আত তাগলিবি ও জায়েদ ইবনু রাকাদাহ তাকে হত্যা করে | ইয়াজিদ কে দোষারোপ করা কিন্তু ইয়াজিদের ব্যাপারে উলামায়েকেরাম গণ কিছু বলতে নিষেধ করেছেন তারা তাকে খারাপ ও বলেনি ভাল ও বলে নি তার ব্যাপারে আল্লাহ ভাল জানেন| ইয়াজিদ হুসাইন (রাঃ) পরিবারের সাথে বিন্দু মাত্র খারাপ ব্যবহার করেনি | কিন্তু ইতিহাসে ইরানে হুসাইন (রাঃ) সম্পর্কে বহু জাল হাদীস প্রচলিত আছে. কুখ্যাত মিথ্যাবাদী লেখক আবু মিখনাফ ও আমাদের দেশে মীর মোশারফ হোসেন এর বিষাদ সিন্ধু এর মত মিথ্যা বানোয়াট কাহিনী এদেশের মানুষে হ্রদয়ের গভীরে যে ইতিহাস বিকৃতি বানোয়াট অপসংস্কৃতি স্থান করে নিয়েছে তা আলহামদুলিল্লাহ ড মুহম্মদ সাল্লাবি রচিত বইয়ের মাধ্যমে মিথ্যা কাহিনী থেকে বের হওয়া সম্ভব তাই আমি সারাবিশ্বে বিশেষ করে উপমহাদেশ তথা আমার দেশের সকল মানুষ কে আহবান করব বইটি পড়ে সত্য জানুন ও এর ওপর আমল করুন | এর জন্য ওয়াফি লাইফ এর প্রতি বিশেষ উপকৃত| আল্লাহ আমাদের সত্য কাহিনী জানার তাওফিক দান করুন আমিন
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top