মেন্যু
husain ibnu ali

হুসাইন ইবনু আলি (রা.)

পৃষ্ঠা : 160, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1rst edition

অনুবাদক : আতাউল কারীম মাকসুদ
সম্পাদক : সালমান মোহাম্মদ

হুসাইন রা.। ভালোবাসার তাজমহল। শ্রদ্ধার রাজপুত্র। নাম শুনলেই অন্তরে ভালোবাসার জোয়ার ওঠে। সাইয়িদুল ইনসি ওয়াল জান নবি মুহাম্মাদ সা.-এর দৌহিত্র। জান্নাতি মহিলাগণের সরদার মা ফাতিমা রা.-এর কলিজার টুকরো সন্তান।

মদিনায় জন্ম। মদিনায় বেড়ে ওঠা। রাসুল সা.-এর আদর-সোহাগে শৈশব কাটানো জান্নাতি যুবকদের সরদার। কারবালায় মৃত্যু।

কারবালা! কারবালা শুনলেই বেদনাহত হৃদয় আরও বেদনাবিধুর হয়ে পড়ে। মর্মান্তিক দৃশ্য ভেসে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। কারবালার আলোচনা শুনলে অশ্রু আপনাতেই গড়িয়ে পড়ে।
সোনার মদিনা থেকে কারবালার দূরত্ব প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। পরিবার-পরিজন নিয়ে উটের পিঠে সওয়ার হয়ে তিনি এ দীর্ঘ কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছিলেন। মরুভূমির বালুসাগর পাড়ি দিয়ে কেন গিয়েছিলেন কারবালায়? মদিনায় কি তাঁর কোনো কিছুর অভাব ছিল? নানাজানের রওজায়ে আকদাস ছেড়ে কারবালায় কেন গিয়েছিলেন? গিয়েছিলেন জালিম শাসকের কবল থেকে উম্মাহকে উদ্ধারের জন্য, নানাজানের প্রিয় দীনের হিফাজতের জন্য, খিলাফত রক্ষার জন্য। দুনিয়াবি পরিণাম-পরিণতির পরোয়া না করে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শ উপেক্ষা করে তিনি প্রিয় মদিনা থেকে সুদূর কুফার উদ্দেশে রওনা হন।

তারপরের কাহিনি কী ছিল, কেমন ছিল জানতে হলে পড়ুন হালজামানার বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদ ও ফকিহ ড. শায়খ আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি লিখিত এ গ্রন্থ।

পরিমাণ

130  200 (35% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

7 রিভিউ এবং রেটিং - হুসাইন ইবনু আলি (রা.)

4.9
Based on 7 reviews
5 star
85%
4 star
14%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা
    হুসাইন বিন আলি (রা) রাসূল(ﷺ) এর আদরের দৌহিত্র,কলিজার টুকরা,ফাতিমা (রা) এবং আমিরুল মুমিনিন আলী (রা) এর সুযোগ্য পুত্র।যার নাম শুনলে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক বিচক্ষণ বীরযোদ্ধা ও কর্ম সচেতন যুবকের।যুগে যুগে হুসাইন (রা) এর জীবনী রচনা করে গিয়েছেন অনেক আলেম,ঐতিহাসিক ,ফকিহ।এমনকি অনেক শিয়া আলেম ও ঐতিহাসিক হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু এর জীবনী রচনা করে গিয়েছে তারা এই মহান ব্যক্তি জীবনে রচনায় অনেক মিথ্যা বানোয়াট কাহিনী সংযোজন করেছেন।ডক্টর সাল্লাবি সকল বই থেকে নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত তত্ত্বসমূহ নিজের বইয়ে উল্লেখ করেছেন।

    বইটির বিশেষত্ব:
    হুসাইন(রা) এর জীবনী নিয়ে গ্রন্থের অভাব নেই কিন্তু ড. সাল্লাবির বইটি অন্যসকল বই থেকে এই বইটি অনন্য বেশ কিছু কারণে।সর্বপ্রধান কারণ হলো শায়খ হুসাইন(রা) এর জীবনের ঘটনাসমূহ হতে এই উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান শিক্ষা বের করেছেন। একই সাথে ইসলাম এর বিভিন্ন সময়ে উসমান(রা) যে খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তা চমৎকারভাবে আলোচনা করা হয়েছে।এই গ্রন্থে শুধু হুসাইন(রা) এর ধারাবাহিক আলোচনা করেই লেখক ক্ষান্ত হননি বরং তাঁর জীবনের মূল্যবান অনেক ঘটনা বইয়ে সংযোজন করেছেন ।

    বইটিতে আলোচ্য বিষয়সমূহ :
    ১।হাসান রাঃ এর মৃত্যু সময় হুসাইন রাঃ এর ধৈর্যধারণ বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে । লেখক কারবালার ঘটনায় হুসাইন (রা) এর কুফাগমন থেকে শুরু করে শাহাদাত পর্যন্ত সমস্ত কিছুর বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।
    ২।এমনকি হজরত হুসাইন (রা) এর মাথা কোথায় দাফন করা হয়েছে এ ব্যাপারে তিনি ছয়টি মতবাদ পেশ করেছেন ও এর ব্যাখ্যা করেছেন।
    তিনি ঘটনার পর ঘটনা আলোচনা করেই ক্ষান্ত হননি বরং তিনি ঘটনাসমূহের শিক্ষা বের করেছেন যা প্রতিটি মুসলিমের জানা খুবই জরুরি ।
    ৩।লেখক শরিয়তের নিক্তিতে হযরত হুসাইন (রা) এর কুফাগমন ও এক্ষেত্রে সাহাবি ও তাবেয়িদের অবস্থান বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন ।
    তাছাড়া হুসাইন (রা) এর হত্যাকারীদের শেষ পরিনতি কি করুন হয়েছিলো তাও তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ।
    ৪।আমাদের সমাজে হুসাইন রা এর হত্যার পিছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয় দ্বিতীয় উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদকে পাশাপাশি ইয়াজিদকে নিয়ে বেশকিছু গালমন্দ করা হয় এমনকি অনেকে তাকে কাফের বলে আখ্যায়িত করা হয়। শাইখ সাল্লাবি বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে ইয়াজিদকে নিয়ে মানুষের করা তিন প্রকারের ধারণা অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন একই সাথে ইয়াজিদকে নিয়ে উলামায়ে কেরামের নানা মন্তব্য আলোচনার পর ইয়াজিদের ব্যাপারে মুসলিম উম্মার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন । নিঃসন্দেহে এটি লেখকের দক্ষতার পরিচয় বহন করে।
    ৫। হুসাইন রাঃ কে নিয়ে শিয়ারা বিভিন্ন ভ্রান্ত এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে তিনি তা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে খন্ডন করেছেন যা তার প্রশংসার দাবি রাখে।
    ৬।মুসলিম বিন আকিল শাহাদাত ও তাতে হুসাইন রাঃ এর প্রতিক্রিয়া সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
    ৭। আশুরার দিন শিয়ারা হুসাইন রাঃ এর শাহাদাত কে কেন্দ্র করে বেশ কিছু বিদআত চালু করেছে লেখক তা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে খন্ডন করেছেন
    এবং মুসলিমদের আশুরার দিনে করণীয় আলোচনা করেছেন।
    ৮।শাইখ সাল্লাবি বিপদের সময় ইসলামের শিক্ষা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    ৯।শিয়ারা ইমামদের কবর পবিত্র মনে করে এ প্রসঙ্গে শাইখ কবর পবিত্র মনে করা সম্পর্কে ইসলামের অবস্থান এবং হুসাইন রাঃ এর কবর জিয়ারত সংক্রান্ত আলোচনা করেছেন।
    ১০।শিয়া মতামতের খন্ডন সংক্রান্ত আলোচনায় শাইখ কারবালাতে পবিত্র মনে করা কবর জিয়ারতের ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশনা আলোচনা করেছেন।
    ১১। অবশেষে হুসাইন রাঃ এর দোয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সমাপ্ত করেছেন

    বইটি যে কারনে পড়বেন :
    জীবনীগ্রন্থটি হুসাইন (রা) এর জীবনী নিয়ে পাঠকের তৃষ্ণা মেটাবে বলে আমি মনে করি। কারণ শাইখ যেভাবে সাজিয়ে-গুছিয়ে বিস্তারিতভাবে ঘটনাগুলো উপস্থাপন করেছেন তা খুবই কম বইয়ে পাওয়া যাবে।আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
    কালান্তর প্রকাশনীকে ধন্যবাদ বইটির এত সুন্দর বাইন্ডিং এর জন্য।আল্লাহ কালান্তর প্রকাশনীকে এত সুন্দর একটি বই উপহার দেওয়ার জন্য উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং এ প্রতিযোগীতার সাথে সংশ্লিষ্ট ওয়াফি লাইফকেও এগিয়ে যাওয়ার তৌফিক দান করুন ।আমিন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    ভ্রান্তিবিলাসে জড়িয়ে গিয়ে যখন জীবন ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ হয়, তখন ইতিহাস জানা বোনাস পয়েন্ট নয় কেবল- তখন ইতিহাস জানা জরুরি, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেও কেও বলে, কিছু জিনিস জানা নিজের জন্য সুখকর। আমি ভাবি, কিছু জিনিস না জানলে অন্যের বিভ্রান্তির সমুদ্রে নিজের ও যে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে৷ বিভ্রান্ত উম্মাহর সামনে কেবল তাদের বিভ্রান্ত বললেই কি তারা ক্ষ্যান্ত হবে? বহু বছরের লালিত সংস্কৃতি ভুল- এটা মানতেই তো একটা দফারফা হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে যদি পরিপূর্ণ দলিল পেশ না করা যায় কিংবা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা না করা যায়, তবে নিজেরই বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়।

    “আশুরা” এই নামটি বেশ পরিচিত আমাদের মাঝে। অথচ কত বিদ’আত জড়িয়ে আছে এই ঘটনা জুড়ে। কারো কাছে আশুরা যেন আনন্দের মহাউৎসব, কারো লোকদেখানো কান্নার আর্তনাদে আশুরা যেন শোকের ছায়া। আর হকপন্থীদের কাছে এক সম্মানিত দিন। আশুরার যুক্তিখন্ডন করার পূর্বে জানা প্রয়োজন একটু পিছনের ঘটনা। আর তার জন্য জানতে হবে ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায় আর জান্নাতের যুবকের সর্দারদের নিয়ে। বলছিলাম হুসাইন ইবনু আলি (রা.) এর কথা, ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বই ” হুসাইন ইবনু আলি রা.” এর কথা।

    উল্লেখিত এই বইটি মোট দুইটি অধ্যায়ে বিভক্ত৷ প্রথম অধ্যায় জুড়ে ছিল মূলত হুসাইন রা. এর বংশ, শৈশব এবং ফজিলত সম্পর্কিত কিছু হাদিস সংক্রান্ত। এছাড়া তার নামকরণ থেকে শুরু করে খতনা পর্যন্ত কিছু আনুষ্ঠানিকতার চিত্র বেশ সহজ-সাবলীল ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক৷ অত্যন্ত চমৎকারভাবে তার পরিচয় পর্বটা পাঠকের সামনে উন্মোচন করেছেন লেখক। দ্বিতীয় অধ্যায়টি মোট তিনটি পরিচ্ছদ জুড়ে বিভক্ত হয়েছে। কারবালার সেই হৃদয়বিদারণ ঘটনা পাঠকের চোখ অশ্রুসিক্ত করে। একরাশ জানার কৌতুহল পাঠককে ঘটনার শেষ অব্দি নিয়ে যায়। আর সেখানেই পাঠকের চোখ হয়ে যায় ঝাপসা। এভাবে হারিয়ে ফেললাম আমরা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় নাতিকে? উম্মাহর কল্যাণের কথা ভাবতে গিয়ে যিনি নিজের মৃত্যুর কথা পরোয়া করেননি, যিনি চাননি উম্মাহর বিভক্তি, যিনি দ্বীন সংরক্ষণের জন্য বস্তা বস্তা বহু চিঠিকেও প্রত্যাখ্যান করে পা বাঁড়িয়েছিলেন কুফার পথে৷ বিনিময়ে কুফা দিয়েছিলেন নির্মম এক মৃত্যু। নির্লজ্জ সেই হত্যাকারী মানুষ গুলোর মুখে ছিলনা এতটুকু অনুতাপ। উম্মাহ হারালো হুসাইন (রা.) কে। মুসলিমদের মাঝে বারংবার স্মরণ হয় তবুও সেই কান্নাজড়িত কারবালার স্মৃতি আর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর ভালবাসার হুসাইন (রা.)- কে। আর এরই রেশ ধরে উম্মাহর দল বিভক্ত হয় কয়েকভাগে। বহু বিদ’আতি আর নাজায়েজি কাজ চলে এই ঘটনা জুড়ে৷ আফসোস! কিভাবে এত মিথ্যাচারে ব্যস্ত তারা! আর এই বই সেই বিষয়গুলোর বিস্তারিত আলোচনা করে সত্যকে উদঘাটন করতে উম্মাহর জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। শুধুমাত্র শিয়া বা অন্যান্যদের ভ্রান্ত মতবাদ খন্ডনই নয় কেবল – এছাড়াও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা রয়েছে এই বইয়ে।

    বলা হয়, উম্মাতের ৭৩ দলের মাঝে এক দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। একটি পথ থেকে একটু একটু করে সরে গিয়ে আমরা বেশ অনেকটা দূরে ভুলের সাগরে ডুবে যাচ্ছি। অথচ এই ভুল মানতে নারাজ আমরা। ফলস্বরূপ, কিয়ামতের দিন নিশ্চয়ই শূন্য হস্তে দাঁড়িয়ে আল্লাহর সামনে অনুতাপ ছাড়া কিছুই হবেনা। অথচ সেদিন কি অনুতাপ করে আদৌ কিছু লাভ হবে? কিছু জিনিসে বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ি নিশ্চয়ই উম্মাহর বিপথগামীতার কারণ। ইতিহাসকেও নিজের জোর বা যুক্তিতর্কের দোহাই দিয়ে উপস্থাপন করা কোনো উম্মাহর বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা। আমরা নির্ভরযোগ্য আলেমগণ, সালাফদের অনুসরণ করে সেসব বুঝব।

    আজকাল প্রায়ই আশুরার এইসব ভ্রান্ত আর ইচ্ছামতন আনুষ্ঠানিকতা মনকে ব্যথিত করে। আমরা কোন পথে হাঁটছি! ভুলকে আঁকড়ে ধরে আল্লাহর অপ্রিয় হওয়ার স্পর্ধা আর গ্রহণযোগ্য নয়। সঠিককে জানতে হবে। আর তা কেবল জানাই নয় বরং এই ভ্রান্তির প্রসারের বিপক্ষে সত্যের প্রসার আরও বেশি হওয়া জরুরি। আর তাই উম্মাহর সামনে বারবার সত্যের প্রকাশ করতে হবে, জানাতে হবে। মিথ্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমি মনে করি, ১৫৬ পৃষ্ঠার বই নিশ্চয়ই ইতিহাসের সম্পূর্ণটা তুলে ধরতে অপারগ। তবে একজন সাধারণ ব্যক্তির জানার শুরুটা এই বইটা দিয়ে হতেই পারে। কারণ সহজভাবে বলতে গেলে, বইটি গুরুত্বপূর্ণ আর একইসাথে সহজ বোধগম্য।

    প্রতিটি জিনিসই ভুলের উর্ধ্বে নয়। এই বইয়েও বানানে কিছু ভুল ছিল। আর একজন নতুন ইতিহাস পাঠক হিসেবে এতটুকুই চোখে পড়ছিল। পরবর্তী সময়ে বিষয়গুলোর সংশোধন করার জন্য অনুরোধ রইলো।

    বই: হুসাইন ইবনু আলি রা.
    লেখক: ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
    অনুবাদ: আতাউল কারীম মাকসুদ
    সম্পাদক: সালমান মোহাম্মদ
    পৃষ্ঠা: ১৫৬
    প্রচ্ছদ মূল্য: ২০০৳

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top