মেন্যু


হিউম্যান বিয়িং শতাব্দীর বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব

প্রকাশনী : নাশাত

সম্পাদক : মুহাম্মাদ আফসারুদ্দীন
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৬০
বাঁধাই : হার্ডবোড
কাগজ : ৮০ গ্রাম পেপারটেক অফহোয়াইট

পুরো পাশ্চাত্য সভ্যতা যেই দার্শনিক সত্তার উপর দাঁড়িয়ে আছে তাকে বলা হয় হিউম্যান বিয়িং। পশ্চিমা সামাজিক বিজ্ঞান এই নির্দিষ্ট সত্তাকে নিয়েই কাজ করে। সামাজিক বিজ্ঞানের মতো ব্যক্তির এই নির্দিষ্ট ধারণা এবং সংজ্ঞাও এনলাইটেনমেন্টের ফসল। হিউম্যান বিয়িং নিছক কোন মানুষ না। সে এক নির্দিষ্ট চিন্তার, বিশেষ ধরনের মানুষ। হিউম্যান বিয়িং এমন কেউ, যে ব্যক্তিস্বাধীনতাকে স্বতঃসিদ্ধ সত্য হিসেবে মেনে নেয়। যে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অমুখাপেক্ষী মনে করে। বিভিন্ন জীবনব্যবস্থা ও দর্শনকে সে মূল্যায়ন করে কেবল একটি মাপকাঠি দিয়ে। সেটা হলো মানবিক চাহিদা। মানবিক চাহিদা ও কামনা-বাসনার সীমাহীন পূর্ণতাই এই হিউম্যান বিয়িং-এর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য।

হিউম্যান বিয়িং হলো পাশ্চাত্যের ক্রীতদাস। সে পাশ্চাত্যের দাসত্বকেই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য বানিয়ে নিয়েছে। সে নিজেকে সব জায়গায় একজন পশ্চিমা দাস হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করে। চেতনে কিংবা অবচেতনে সে পুঁজিবাদের গোলামি করে। বিস্তারিত জানতে বইটি পড়ুন।

পরিমাণ

158  220 (28% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
প্রসাধনী
- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

7 রিভিউ এবং রেটিং - হিউম্যান বিয়িং শতাব্দীর বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব

5.0
Based on 7 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    বুক রিভিউ

    “হিউম্যান বিয়িং ”
    মানবসভ্যতা এক ভয়ংকর ফিতনাময় সময় পার করছে। মানুষের চতুর্দিকে এখন অসংখ্য ফিতনার মায়াজাল। শয়তান যেন তার অনুসারীদের নিয়ে পূর্ণ শক্তিতে আবির্ভূত হয়েছে সর্বময়।ফিতনার ধরন গুলোও আমরা আজ আলাদা করতে পারছি না।

    ইসমাহ বিন কায়েস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাচ্যের ফেতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো পাশ্চাত্যের ফেতনা কেমন হবে? তিনি বললেন তা তো হবে আরো ভয়ংকর।[1]
    বুখারী (রহ.) এর শিক্ষক নুআইম বিন হাম্মাদ (রহ.) রচিত কিতাবুল ফিতান বইয়ে শেষ জামানার ফিতনাকে অন্ধ ফিতনা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

    কেনো পড়বো এই বই-
    উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর একটি বক্তব্য আলোচনা করতে গিয়ে ইবনুল কাইয়িম (রহ.) মানুষদের চার ভাগ করেন।
    ১.যারা ঈমান ও কুফর উভয়ই ভালোভাবে চেনে এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত। পৃথিবীতে এরাই সবচেয়ে জ্ঞানী।
    ২.যারা ঈমান চেনে; কিন্তু কুফর সম্পর্কে অবগত নয়;তবে ঈমানের বাইরে সবকিছু প্রত্যাখান করে।এরাও কুফর থেকে নিরাপদ।
    ৩.যারা কুফর বিস্তারিতভাবে জানে; কিন্তু ঈমান জানে ভাসা-ভাসা। তারা পরিপূর্ণ নিরাপদ নয়।
    ৪.যারা ঈমান ও কুফর কোনো পথই ভালোভাবে চেনে না।এরাই সবচেয়ে ভয়ংকর অবস্থানে আছে।[২]
    তাই ঈমান ও কুফর চেনা খুবই জরুরি। এই বইটি আপনাকে ঈমান ও কুফর চেনাতে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ। পাশ্চাত্যের ফিতনা সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে জানতে পারবেন।ইনশাআল্লাহ।পাশাপাশি খিলাফাহ পরবর্তী পরাজিত মানসিকতা থেকে আক্রমণাত্মক বিজয়ী মানসিকতা গঠনে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ।

    পরিশেষে ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই, যিনি বইটির অগ্রভাগে বইটি পড়ার অভিব্যক্তি জানিয়েছেন।তিনি বইটি প্রত্যেক মুসলিম ভাইকে বইটি পড়ার পাশাপাশি সবার হাতে বইটি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।আমরা যারা গডলেস সোসাইটিতে জেনারেল লাইনে পড়েছি তাদের জন্য বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উসতায ইফতেখার সিফাত (হাফি.) কে আল্লাহ উত্তম জাযা দান করুন।

    [1]মু’জামে তাবারানি, হাদিস নং ৫০১.
    [2]আল ফাওয়ায়েদ লি ইমাম ইবনুল কাইয়ুম (রহ.)- ১৩৫-১৩৮।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    হিউম্যান বিয়িং বইটি প্রতিটি মুসলিমের অবশ্য পাঠ্য ৷ ইমান এবং কুফরের চলমান সংঘাত কে সহজে বুঝতে এই বইয়ের ঝুড়ি মেলাভার ৷ ইফতেখার সিফাত ভাই ইসলামের সাথে অন্যকোন মতের মিশ্রণ করেন নি ৷ ইসলাম সহজ এবং সরল ৷ তিনি ইসলাম কে সেভাবেই ব্যাখা করেছেন ৷ অপর দিকে কুফর জটিল এবং সহজে বোধগম্য নয় ৷ যদিও মাঝে মাঝে সহজে বুঝে আসে, তবে এর ভেতরের অবস্থান হয় অত্যন্ত নোংরা ৷
    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top