মেন্যু
hridoyer kotha bolite bekul

হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল

প্রকাশনী : নবপ্রকাশ
পৃষ্ঠা : 96, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2018
আইএসবিএন : 9789849347149
অধিকাংশ কথা নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং আপন চিন্তার প্রতিফল। আবশ্যিকভাবে এ অভিজ্ঞতা ও চিন্তা উদয় হয়েছে আমাদের সময়ের তরুণদের নিয়ে। যাদের আমি, দেখেছি, যাদের ব্যাপারে শুনেছি অথবা যাদের দেখিনি বা... আরো পড়ুন
পরিমাণ

80  100 (20% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল

4.5
Based on 2 reviews
5 star
50%
4 star
50%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    Azmin Akther Eva:

    #ওয়াফিলাইফ_প
    তুমি এমনই মহামূল্যবান। এই মহাবিশ্বে এত গুরুত্বপূর্ণ তোমার উপস্থিতি। তুমি না সৃষ্টি হলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হতো না।

    যা আছে বইটিতে:-
    অধিকাংশ কথা লেখকেৱ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং আপন চিন্তার প্রতিফলন। আবশ্যিকভাবে এ অভিজ্ঞতা ও চিন্তা উদয় হয় আমাদের সময়েৱ তরুণদের নিয়ে। যাদের লেখক দেখেছে, যাদের ব্যাপারে শুনেছেন এবং যাদের দেখেননি বা যাদের কিছুই শুনেননি , এমন সব তরুন তরুনীর মনোজাগতিক অনেক কষ্ট নিজের করে বয়ান করেছেন লেখক এই বইটিতে।

    পাঠ অনুভূতিঃ-
    আসলেই কিছু কষ্ট দৃষ্টির সীমায় থাকে, চোখ মেলে তাকালে দেখা যায়। কিছু বেদনা ভীষণ গোপন, কাউকে দেখানো যায় না, কেউ হয়তো দেখেও না। কিন্তু তবু তো সেটা বেদনা; সেটা আহত করে, বিক্ষত করে আমাদের অন্তর্গত সত্ত্বা।

    ভালোলাগাঃ-
    খারাপ লাগার মতো কিছুই পাইনি বইটিতে। এর আগেরও লেখকের বেশ কয়েকটি বই পড়েছি আমি৷ সব ই ভালো লেগেছে। তবে সংগ্রহে আছে এই একটি বই৷ যা আমার হৃদয়কো জয় করে নিয়েছি। প্রতিটি কথা যেন আমাকে ই বলা হচ্ছে৷ প্রচ্ছেদ টাও বেশ আকর্ষণীয়।

    শেষ কথা:-
    একবার নত হও নিজের বিশালতার জন্য। তোমাকে অন্যন্য করে সৃষ্টি করার জন্য একবার কৃতজ্ঞ হও আল্লাহর প্রতি । দেখবে পৃথিবীর সকল সৃষ্টি তোমার জন্য হেসে উঠবে ।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    shafiqulislam29456:

    ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’। অধিকাংশ কথা লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও চিন্তার প্রতিফল। এ সময়ের কিশোর-তরুণরা বড়ই অস্থির। তাদের মনোজাগতিক অনেক কষ্ট লেখক নিজের মত করে বর্ণনা করেছেন বক্ষ্যমাণ এ গ্রন্থে।

    →বইয়ের আলোচ্যবিষয়
    ______________________________
    বইটিতে আছে মোট চারটি অধ্যায়।
    ১.আত্মপরিচয় ২.জীবনের নতুন পরিচয় ৩.পরিবার: আত্মপরিচয়ের উৎস ৪.লেখকের পরিচয়

    ~~আমি কে? মানুষ। ‘আশরাফুল মাখলুকাত’। কিন্তু কেন আমি শ্রেষ্ঠ? শারীরিক শক্তি কিংবা স্রষ্টার প্রতি আনুগত্য উভয়টিতে আমি দুর্বল। শারিরীক শক্তিতে এগিয়ে জিন জাতি। ইবাদতে এগিয়ে ফেরেশতা। তবুও মানবজাতি কেন শ্রেষ্ঠ? কীসে তার শ্রেষ্ঠত্ব? আমার কি রয়েছে কোনও অলৌকিক ক্ষমতা?

    সকালের মিষ্টি রোদ, পাখিদের কল্লোল, রাতের জোৎস্না, পাহাড়ের বুক চিরে ঝর্ণার অপূর্ব জলতরঙ্গ– আহা! কী সুন্দর জীবন! অথচ এ জীবন রেখে আমরা বেছে নেই কৃত্রিম জীবন। হারিয়ে ফেলি নিজেকে। ভুলে যাই আমার পরিচয়। ভুলে যাওয়া পরিচয় মনে করিয়ে দেওয়ার তাড়নায় লেখক প্রথম অধ্যায়ে রচনা করেছেন ‘আত্মপরিচয়’-নামক অধ্যায়।

    ~~আচ্ছা, মানুষ দুঃখ পায় কেন? কেন কান্নায় ভেঙে পড়ে? হৃদয় দুমড়ে মুচড়ে যায়? এমনকি বেছে নেয় আত্মহননের মত জঘন্য বিষয়? এ দুঃখকে কি জয় করা যায় না? এ দুঃখকে লাঘব করার নেই কি কোনো উপায়? নিশ্চয়ই আছে। কী সেই উপায়? কী সেই যাদুমন্ত্র? দুঃখের উৎস ও দুঃখকে পরাজিত করার সুবিন্যস্ত কৌশল নিয়ে রচিত হয়েছে ‘জীবনের নতুন পরিচয়’ নামক অধ্যায়।

    ~~”এই অতি আবেগঘন বয়সটা, এই তরুণ সময়টা শুধু একটা জিনিসের ভয়াবহ কাঙাল থাকে- সেটা হলো ভালোবাসা। আপনি বাবা হয়ে মেয়েকে যদি ভালোবাসা দিতে ব্যর্থ হন, তবে সে অন্য কোথাও ভালোবাসা খুঁজবে। আপনি মা হয়ে যদি ছেলের বন্ধু নিকটতম-বন্ধু না হতে পারেন, তবে সে অন্য মেয়েকে নিজের নিকটবন্ধু বানাবে। আপনি ভাই হয়ে যদি…” [আলোচ্য বই থেকে উদ্ধৃত]

    পরিবার মানুষের প্রথম শিক্ষালয়। পরিবার থেকে সন্তান প্রথম সবক পায় ভালো-মন্দ বিভাজনের।। সুখে কিংবা দুঃখে পরিবারের কাছে আশ্রয় নেয় সর্বদা। সন্তানের মন-মানসিকতা সবচে’ বেশি জানার কথা পরিবারের। সন্তানের মনে যেন কোনোপ্রকার চাপ সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখাও পরিবারের দায়িত্ব। কিন্তু সন্তানের মন-মানসিকতা কি বুঝতে পারছে পরিবারের লোকেরা? না কি অজান্তেই চাপ সৃষ্টি করছে তার মাথায়? খেয়াল রাখছে তো নিয়মিত? ‘মিস গাইড’ করছে না তো? মা-বাবার স্নেহ না পেয়ে, নিকটবন্ধু না হতে পারার কারণে, নিয়মিত খোঁজ খবর না রাখার দরুন তাকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে না তো পরিবারের লোকেরা?

    এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ‘পরিবার: আত্মপরিচয়ের উৎস’ নামক অধ্যায়ে।

    ~~লেখালেখি। অনেকেরই শখ। অনেকেই লেখক হতে চায়। লেখক হওয়ার উপায় কী? আছে কি এর নির্দিষ্ট কেনো মন্ত্র? নাকি এটা জম্মগত প্রতিভা? এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে ‘লেখকের পরিচয়’-নামক অধ্যায়ে।

    →পাঠ-প্রতিক্রিয়া
    __________________________
    সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর- এর লেখা সবসময়ই ভালো লাগে। কীভাবে যেন বইয়ের শেষ পাতা পর্যন্ত টেনে নেয়! এ বইটাও ব্যতিক্রম নয়। শুরু করে শেষ না করা পর্যন্ত অদ্ভুত অনুভূতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। যত এগিয়েছি, নিভু নিভু আত্মবিশ্বাস তত প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। হারিয়ে ফেলা ‘আমাকে’ আমি নতুনভাবে জাগ্রত করার তাড়না অনুভব করেছি। আর পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় ছড়িয়ে থাকা উক্তিগুলো আগামীর পথচলাকে আরও সুগম ও মসৃণ করবে ইনশাআল্লাহ।

    √বইয়ের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক
    ____________________________________
    বইটি সাবলীল ভাষায় রচিত। পড়ার সময় তেমন বেগ পেতে হয়নি। বাক্যের মাধুর্যতা, শব্দের ব্যবহার এবং দৃষ্টান্তের যথাযথ প্রয়োগ বই-কে আরও প্রাণবন্ত করেছে। বানান ভুল তেমনভাবে চোখে পড়েনি। বিষয়বস্তুর সঙ্গে প্রচ্ছদের সামঞ্জস্যতা লক্ষণীয়। বাইন্ডিং, পেইজ, অঙ্গসজ্জা ভাল লেগেছে। ছোট বই যেহেতু পেপারব্যাক হওয়াই স্বাভাবিক। পড়ে আরাম পাওয়া যায়। তবে এ বইয়ে মলাটটা তুলনামূলক সাধারণ মানের মনে হয়েছে। এক্ষেত্রে আরেকটু উন্নত মানের মলাট দেওয়া যেত।

    ♦বইটি কাদের জন্য
    _______________________
    ১. যারা প্রায়ই ডিপ্রেশনে ভোগেন।
    ২. যারা নিভু নিভু আত্মবিশ্বাসকে প্রজ্জ্বলিত করতে চান।
    ৩. কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী যারা স্বপ্ন-কে বিস্তৃত করতে চায়, আত্মপরিচয় জানতে চায়, নিজের লুকিয়ে থাকা অলৌকিক (?) ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে চায়।
    ৪. ঐ সমস্ত অভিভাবকদের যারা চান না অজ্ঞতাবশত সন্তানের ওপর বোঝা চাপিয়ে দিতে। যারা সন্তানের ব্যাপারে হতে চান আরও সচেতন ও কৌশলী।
    ৫. যারা লেখালেখির জগতে নতুন। হরহামেশা নানাবিধ প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খায়।

    →শেষ কথা
    ________________
    ছোট্ট একটি বই। পড়ুন। পরিচিত কিশোর-কিশোরীদের হাদিয়া দিন। দেখবেন, তাদের কচি হৃদয়ে স্বপ্ন দানা বাঁধবে। প্রেম-বিরহ, আত্মগ্লানি, মিস-গাইডিংয়ে তারা হারিয়ে যাবে না।

    ♥”আল্লাহ তাআলা আমদের সহায়ক হোন।”♥

    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No