মেন্যু
hotash hoben na

হতাশ হবেন না (দুই কালার)

প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
অনুবাদ: মুফতী মুহাম্মাদ মামুনুর রশীদ পৃষ্ঠা ৬০৮ বিশ্বজুড়ে অশান্তি! শান্তি নেই কোথাও! চারিদিকে হানাহানি , হিংসা-বিদ্বেষ,অন্যায়-জুলুম! অভাব-অনটন। হাহাকার সর্বত্র! অশান্তির দাবানল। জ্বলছে দাউদাউ, প্রতিনিয়ত, প্রতিক্ষণ। মানুষের মনে একরাশ হতাশা। ব্যর্থতার গ্লানি। যেন উন্মাদপ্রায়... আরো পড়ুন

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - হতাশ হবেন না (দুই কালার)

5.0
Based on 2 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    আয়েশা সিদ্দিকা:

    📖প্রারম্ভিকতা –
    আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। কিন্তু বান্দা ডুবে গেছে দুনিয়ার মোহে। দুনিয়ায় চাকচিক্যে ভুলে গেছে আখিরাত। যুব সমাজ ডুবে রয়েছে পশ্চিমা সংস্কৃতির সাগরে আর তাই জীবনে নেমে আসছে নানা হতাশা। কেউ প্রাচুর্যের হতাশায় কেউ কেউ আবার হারাম সম্পর্কে জড়িত থাকার ফলে নিমজ্জিত হয়েছে হতাশায়। হতাশা এমন একটা জিনিস যা একজন মানুষ কে জীবন্ত লাশে পরিনত করে৷
    ” হতাশ হবেন না ” এমনই একটি বই যা প্রতিটি মানুষের পড়া উচিত যারা হতাশা ভোগেন এবং যারা এর থেকে দূরে আছেন প্রত্যেকের।বইটি পড়ে একজন মানুষ নতুন ভাবে চিনতে পারবে আল্লাহ কে।

    📘বই পর্যালোচনা
    দুনিয়ার হাসি-আনন্দ ক্ষণস্থায়ী। এখানে বালা মুসিবতেরও শেষ নেই। ” হতাশ হবেন না ” এমন একটি বই যেখানে জীবনের সকল বালা মুসিবত ও আখিরাত নিয়ে যথার্থ উপস্থাপন রয়েছে। বইটিতে যা যা রয়েছে সংক্ষেপে কয়েকটি উপস্থাপন –

    – আল্লাহ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা।
    ভবিষ্যৎ নিয়ে তাড়াহুড়ো না করা। তকদিরে বিশ্বাস রাখা৷

    – মানুষের যৌক্তিক অযৌক্তিক নিন্দা সমালোচনার মুখোমুখি হতেই হবে তার জন্য হতাশ হওয়া যাবে না ধৈর্য ধারণ ও সহনশীল প্রদর্শন হতে হবে।

    -কিভাবে অল্পেতুষ্টি বিষন্নতা ও হতাশা দূর করে, বিপর্যয়ে বিচলিত না হওয়া।

    – হতাশ হবেন না হতাশা জীবনে দুর্দশা বয়ে আনে, হতাশা আত্মহত্যার কারণ হতে পারে আর আত্মহত্যা চিরস্থায়ী জাহান্নামে বসবাসের কারণ হতে পারে তাই হতাশা থেকে বিরত থাকা।
    ৩৬৫ টি শিরোনামে রচিত এই বইটি’ই হতে পারে একজন হতাশাগ্রস্ত মানুষের জীবনে শান্তির সোপান বয়ে আনতে।

    📗বইটি কেন পড়া উচিত –
    শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ গ্রন্থের প্রতিটি পাতায় পাতায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে পবিত্র কুরআনের আয়াত, রাসুলের হাদিস, শিক্ষাপ্রদ ঘটনাবলি, উপকারী উপমা ও শিক্ষণীয় কল্পকাহিনী।

    — এ গ্রন্থ আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেবে মহান রাব্বুক আলামীনের অসীম দয়া, অনুগ্রহ ও ক্ষমার কথা৷ আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেবে সর্বশক্তিমানের উপর ভরসা করা ও তার প্রতি সু-ধারণা পোষণ করার কথা।

    –এ গ্রন্থ থেকে আপনি পেয়ে যাবেন জীবনের দুঃখ-দুর্দশা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা-পেরেশানী, নৈরাশ-হতাশা ও পরাজয়-ব্যর্থতা থেকে মুক্তির পাথেয়৷
    বইটি মুসলিম-অমুসলিম সকলের জন্য প্রযোজ্য।

    📔প্রিয় উক্তি –
    ★ এক টুকরো রুটি, এক ঢোঁক পানি, একটি চাদর, কয়েকটি দিন ও রাত — এই তো জীবন৷ তারপরই কবর। কবর ধনী-গরীব সকলের জন্যই সমান।

    ★ অল্প অল্প অসুস্থতারও প্রয়োজন আছে৷ তা হলে আপিনি সুস্থতার মূল্য বুঝতে পারবেন; অহংকারের মূলোৎপাটন হবে; গাফলতের ঘুম থেকে জাগ্রত হবেন।

    ★ উত্তম চরিত্র চেহারার লাবন্যতা, চোখের কৃষ্ণতা ও কপোলের সজীবতা থেকেও সুন্দর। কারণ, বাহ্যিক সৌন্দর্যের তুলনায় ভিতরগত সৌন্দর্য বহুগুণ শ্রেয়।

    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    আব্বাস আল ওবাইদ:

    মানুষের জীবন আজ হতাশার অন্ধকারে আচ্ছন্ন | প্রেমে ব্যর্থ হয়ে হতাশা ! দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ হয়ে হতাশা , চাকরির জন্য হন্ন হয়ে ছুটতে ছুটতে হতাশা , এডমিশন টেস্টে ব্যর্থ হয়ে কোথায় চান্স না পাওয়ার হতাশা | ভবিষ্যত ও অতীতকে ঘিরে হতাশা | এরকম অজস্র হতাশার গল্প প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের জীবনেই রয়েছে | এ বই তাদের ই জন্য যারা এ রকম হতাশায় ভুগছেন | এ বইটি বলে ” আনন্দ করাে ও সুখী হও , আশাবাদী হও এবং সুখে থাকো | ” প্রকৃত পক্ষে এ বই এ কথাও বলে ” যেভাবে জীবন যাপন করা উচিত সেভাবে জীবন যাপন করাে ” , অর্থাৎ , সুখে ও ফলপ্রসূ ভাবে। প্রত্যেক মানুষেরই অন্তরে একটা শূন্যস্থান থাকে , যা মহান রবের প্রতি ভালবাসা ছাড়া পৃথিবীর আর কোনাে কিছু দ্বারা পূর্ণ হয়না | আর এ ভালবাসার অনুপস্থিতিই যেন অন্তরকে হতাশার আবরণে আচ্ছন্ন করে রাখে | এ কিতাবে লেখক হতাশা গুলােকে কাটানাের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন ও ফলপ্রসূ পন্থা উল্লেখ করেছেন যা একজন হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে উপকৃত করবে , তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে ইন শা আল্লাহ |

    {*বইয়ের বিষয়বস্তু ••••‌‌‌‌‌‌‍}
    _______________________
    একটু ভেবে দেখুনএবং কৃতজ্ঞ হােন, অতীত চিরদিনের মতাে চলে গেছে, ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তা পরিহার করুন, তীব্র নিন্দা ও অপ্রীতিকর সমালােচনা যেভাবে নিবেন, কারাে ধন্যবাদ পাবার আশা করবেন না, অনুকরণ পটু , নকলকারী , ভানকারী , ছলনাকারী ও কপট হবেন । দুঃখের সাথেই রয়েছে সুখ টক লেবুকে মিষ্টি শরবত বানান সুখের মূলনীতি – যেসব আয়াত নিয়ে ভাবতে হবে মন যখন আনমনা মধু আহরণ করে কিন্তু যৌচাক ভেঙ্গ না আপনার প্রভু সম্বেন্ধ সুধারনা পােষণ করুন । আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস থাকা পর্যন্ত হতাশ হবেন না, তুচ্ছ জিনিসের জন্য দুঃখ করবেন না ,।
    আরো এরকম ৩৪৭ টি বলেন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা রয়েছে।

    {*আমার মতে বইটির ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক••••}
    _______

    #ইতিবাচকঃ আমার ক্লাসমেট আমার সমান পড়ে ১ম হচ্ছে।আমার কলিগ আমার সাথে কাজ করছে।কীন্ত!তার প্রমোশন হচ্ছে আমার হচ্ছে না।মোটকথাঃজীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে হতাশা আর হতাশা। লেখক এখানে সুন্দর করে সেই হতাশার ঘোর কাটিয়ে উঠার ঔষধ বাতলে দিয়েছেন অনুপ্রেরণামুলক গল্প এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিয়ে।
    আরেকটা জিনিস ভালো লেগেছে, সেটা হলো,এই বইয়ের নতুন ছাপানো,যা হুদহুদ প্রকাশন থেকে করা হয়েছে, কালারিং টা। দেখতে এবং পড়তে খুবই ভালো লাগে।
    #নেতিবাচকঃ কুরআনই শুধু ভুলের উর্ধ্বে। এর বাইরে আর কোনো গ্রন্থই ভুলের উর্ধ্বে নয়।কীন্তু!সামান্য এই জ্ঞানের পরিধি দিয়ে এই বইয়ে কোনো নেতিবাচক দিক অবলোকন করতে পারি নি।

    {*বইটি কেন ? ••••}
    _____________________
    এ গ্রন্থের উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবনের সুখ – শান্তি , হাসি – আনন্দ ও আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা । সুখময় ও আলােকোজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠা এ গ্রন্থ আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিবে মহান আল্লাহর অসীম দয়া , অনুগ্রহ ও ক্ষমার কথা । আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিবে সর্বশক্তিমানের উপর ভরসা করা ও তাঁর প্রতি সু – ধারণা পােষণ করার কথা । স্মরণ করিয়ে দিবে তাকদীরের ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা ও শুধু আজকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার কথা এবং ভবিষ্যতের অহেতুক ও কল্পিত আশঙ্কা থেকে বিরত থাকার কথা । আরও স্মরণ করিয়ে দিবে মহান আল্লাহর অজস্র – অগণিত নেয়ামতের কথা । এ গ্রন্থ জীবনের দুঃখ – দুর্দশা , উদ্বেগ – উৎকণ্ঠা , দুশ্চিন্তা – পেরেশানী , নৈরাশ্য – হতাশা ও পরাজয় – ব্যর্থতা থেকে মুক্তির আপ্রাণ প্রচেষ্টা ।

    {*মন্তব্য ••••}
    ___________
    বইটি পড়ে হতাশাগ্রস্থ ব্যক্তি পাবে আশার আলো, ভেঙ্গে পড়া ব্যক্তি পাবে জেগে ওঠার শক্তি, অন্ধকারে তলীয়ে যাওয়া ব্যক্তি পাবে আলোর দিশারী।

    8 out of 8 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No