মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

হিফজ-যাত্রা (একজন সাধারণ মানুষ যেভাবে ৬ মাসে হাফিজ হবেন)

প্রকাশনী : ইলহাম ILHAM

অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
পৃষ্ঠা: ১৬০

ম্যানচেস্টারে বেড়ে ওঠা এক কিশোর। কোনো মাদরাসায় পড়েননি৷ কোনো হিফ্‌জ-কোর্সেও ঢোকেননি৷ কিন্তু প্রায় সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় হাফিজ হয়েছেন। বইটিতে থাকছে তার সেই দুর্গম মরু পারি দেবার অনবদ্য গল্প।

যারা কখনো মাদরাসা বা হিফ্‌জ-কোর্সে অংশ নেননি, কিন্তু হাফিজ হবার স্বপ্ন লালন করেন তারা বইটি থেকে জানতে পারবেন নিজ উদ্যোগে হাফিজ হবার পথ ও পদ্ধতি।

কিংবা স্রেফ একজন হাফিজের আত্মস্মৃতি হিসেবেও পড়া যাবে বইটি।

Clear
পরিমাণ

 

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

4 রিভিউ এবং রেটিং - হিফজ-যাত্রা (একজন সাধারণ মানুষ যেভাবে ৬ মাসে হাফিজ হবেন)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    বইটা নিছক কৌতূহল থেকে কিনা৷ আমি জেনারেল লাইনে পড়াশোনা করা মানুষ। হিফজ কিভাবে এ নিয়ে কৌতূহল থেকেই হিফজ বিষয়ক কয়েকটা বই কিনা আমার৷ আলহামদুলিল্লাহ এ বইটা সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক৷ ম্যানচেস্টারের একজন তরুণ কিভাবে হাফিজ হলেন তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বইয়ে৷ তিনি বিচ্ছিন্নভাবে প্রায় ১০ বছর সময় নিয়েছেন । এ বইটা জেনারেল লাইনের সবার জন্য একটা অনুপ্রেরণ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5

    :

    ✽ বই- হিফয যাত্রা
    ✽ লেখক- কারি মুবাশশির আনওয়ার
    ✽ অনুবাদক- মাসুদ শরীফ
    ––––––––––

    ∎ বিষয়বস্তু প্রারম্ভিকাঃ-

    একজন হাফিজ এর হাফিয হওয়ার পথযাত্রা কেমন হয়ে থাকে?কেমন করে তিনি বিভিন্ন বাধা বিপত্তি ও মনের সাথে লড়াই করে প্রকৃত পক্ষে একজন হাফিজ হয়ে উঠলেন?
    তার গল্পভাষ্য আত্মস্মৃতি নিয়েই বইটি লেখা যেখানে আপনি পেয়ে যাবেন একজন হাফিজ হওয়ার গাইডলাইনও।
    ,

    ∎ বইয়ের অভ্যন্তরর এক ঝলকঃ-

    – আপনি নিজে একজন হাফিয হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবেন,
    – কিভাবে কম সময়ে নিয়ম মেনে কোনো মাদ্রাসায় যাওয়া ছাড়াই হাফিয হওয়া যায় তার গাইডলাইন পাবেন এখানেই,
    – কখনো কখনো মন, ইচ্ছা ও বাস্তবতা আপনার সপ্নের সাথে কুলিয়ে না-ও উঠতে পারে,তখন কিভাবে সবকিছু সামলাবেন আপনি? তার একটা পরিকল্পনাও পেয়ে যাবেন বইটির মাধ্যমে, ঈন শা আল্লাহ!
    ,

    ∎ যারা পড়বেনঃ-

    – আপনি যদি মনে মনে হাফিয হওয়ার সপ্ন দেখেন তাহলে বইটি আপনার জন্য,
    – আপনি হাফিয হতে চান তবে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করা আপনার জন্যে এখন সম্ভব নয়,তাহলে বইটি আপনার জন্যে
    – আপনার কখনোই হিফয করার চিন্তা মাথায় আসেনি,বরং হাফিজদের দেখলে অবাক হন যে কিভাবে তারা এত্ত মোটা বইটা মুখস্থ করে? তাহলেও এটি আপনার জন্যে। কারণ বইটি পড়া শেষে আপনার মনেও আল্লাহর ইচ্ছায় একটা নতুন উদ্যম ও ইচ্ছার বীজ বপন হতে দেখতে পাবেন আশা করা যায়।

    ∎ বেস্ট পার্টঃ-

    বইটি পড়ার সময় আপনার অনেক ক্ষেত্রেই মনে হবে যেন লেখকের সাথে আপনি কখনো ম্যানচেস্টার অথবা মিশরের অলিতে-গলিতে ঘুরে বেরাচ্ছেন,তার অভিজ্ঞতা গুলোর সম্মুখীন আপনিও হচ্ছেন।ব্যাপারটা মজার না???এটাই এর বেস্ট পার্ট
    ,

    ∎ কিছু সমালোচনা–

    বইয়ের অনেক জায়গায় অনেক বানান ভুল পেয়েছি যা পাঠক হিসেবে পড়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হতে হয়েছে। আশা করছি এত সুন্দর একটি বই এর পরবর্তী সংস্করণে অভিজ্ঞ প্রুফ রিডারের মাধ্যমে সংশোধন করা হবে।
    ,

    ∎ পাঠ্যানুভূতিঃ-

    বই এর প্রচ্ছদ টা মাশা আল্লাহ! ইলহাম প্রকাশনীর বই গুলো আমার কাছে মনে হয় একটা আলাদা স্ট্যান্ডার্ড,কন্সেপ্ট ও সাইজ মেইনটেইন করে বানানো হয়,যা এই বইয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যা বইটাকে পাঠকমহলে আরও সমাদৃত করেছে।
    ,
    আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যখন আমি নিজেই ঘরে বসে হিফয করার একটা দিক নির্দেশনা চাচ্ছিলাম, আল্লাহর অশেষ রহমতে ঠিক সেই মুহূর্তেই এমন একটি বই প্রকাশ হওয়ার সুসংবাদ পেলাম, আলহামদুলিল্লাহ!
    ———————————-
    https://www.wafilife.com/shop/books/hifj-jattra/

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5

    :

    বইটির নামই বইটির বিষয় বস্তুকে ফুটিয়ে তুলেছে(যারা
    হাফিজ হবার স্বপ্ন লালন করেন কিন্তু জেনারেল লাইনের অথবা মাদরাসা লাইনের এবং এই বিষয়ে দিক নির্দেশনা খুজছিলেন,তারা বইটির টাইটেল দেখেই চোখ বড় গোলআলুর মত করে ফেলবেন,I’m sure)
    বইটিতে মূলত ম্যানচেস্টারে বেড়ে ওঠা এক কিশোরের প্রায় সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় (মাদরাসা বা হিফজ কোর্সে ভর্তি না হয়ে)হাফিজ হওয়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের ছলে পাঠক জানতে পারবে নিজ উদ্যোগে হাফিজ হবার পথ ও পদ্ধতি।কুরআন তিলাওয়াত , চর্চা , গবেষণা , কুরআনের অর্থ চিন্তা করা , অনুধাবন করা , শিক্ষা , শেখানো ইত্যাদি সবই সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ যিকর ।তো যারা এসব জেনে কুরআনকে জীবনের চলার পাথেয়, আখিরাতে উচ্চ মর্যাদা হাসিলের জন্য নিজ উদ্যোগে হিফয করার প্রয়াস চালাচ্ছেন, বইটি তাদেরই জন্য। Yes, you are welcome.

    ড.খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (র.) তার এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেনঃ
    “একদিন আমার এক বাংলাদেশী বন্ধুকে এক মিশরীয় বন্ধুর সাথে পরিচয় করে দিয়ে বললাম : আমার বন্ধু হাফিজ অমুক । মিশরীয় বন্ধু বললেন : তাই ! হাফিজ !! একলক্ষ হাদীস মুখস্থ আছে ? আমি বললাম : না , না , তা নয় । হাফিযে কুরআন । কুরআন মুখস্থ আছে । মিশরীয় বন্ধু বললেন : মুসলিম উম্মাহর আগের দিনে প্রত্যেক আলিম , বরং সকল শিক্ষার্থীই কুরআন মুখস্থ করতেন । কুরআন মুখস্থকারীকে বিশেষভাবে কখনাে হাফিজ বলা হতাে না । সকলেই তাে কুরআন মুখস্থ করেছেন , কাজেই কে কাকে হাফিজ বলবেন । লক্ষাধিক হাদীস মুখস্থ করতে পারলে তাকে হাফিজ বলা হতাে । এখন আর কেউ হাদীস মুখস্থ করতে পারি না । অধিকাংশ শিক্ষিত মুসলিম বরং অধিকাংশ আলিম হাফিজ নন । এজন্য কুরআনের হাফিজকেই হাফিজ বলা হচ্ছে । হয়ত এমন দিন আসবে , যেদিন একপারা কুরআন মুখস্থ করলেই তাকে সসম্মানে হাফিজ বলা হবে !”
    কি ভয়ংকর কথা।
    ইতিহাস বলে,আব্দুল্লাহ ইবনু উমার ( রা ) আট বৎসর ধরে সূরা বাকারাহ শিক্ষা করেছেন । উমার ( রা ) বার বৎসর ধরে সূরা বাকারাহ শিক্ষা করেন । যেদিন তাঁর সূরা বাকার শিক্ষা সমাপ্ত হয় সেদিন তিনি আল্লাহর শুকরিয়া জানাতে একটি উট জবাই করে খাওয়ান ।
    আব্দুল্লাহ ইবনু উমার ( রা ) বলেন , “ আমাদের যুগের মানুষেরা কুরআন শিক্ষার পূর্বে ঈমান অর্জন করতেন । মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর কুরআনের কোনাে সূরা নাযিল হলে সে সময়ের মানুষ সঙ্গে সঙ্গে সেই সূরার আহকাম , হালাল , হারাম , কোথায় থামতে হবে , ইত্যাদি সবকিছু শিখে নিতেন । এরপর এমন মানুষদের দেখছি , যারা ঈমানের আগেই কুরআন শিখছে । কুরআনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে যাচ্ছে ,কিন্তু সে জানে না কুরআন তাকে কি নির্দেশ প্রদান করছে , কি থেকে নিষেধ করছে । এবং কোথায় তাকে থামতে হবে । এরা কুরআনকে শুধু দ্রুত পড়ে যায় যেমন করে বাজে খেজুর ছিটিয়ে দেওয়া হয় তেমনভাবে । ”
    বর্তমানে আমাদের দেশের অবস্থা এমন।আমাদের হাফেজদের কে যদি জিজ্ঞেস করা হয় যে,সে কি তিলাওয়াত করছে, তার কোনো অর্থ অন্তত পক্ষে সারমর্ম টা বলতে পারবে কিনা?উত্তর সিংহভাগ ক্ষেত্রে না বোধক হবে।হওয়া টাই স্বাভাবিক, কারন তাদেরকে শুধু তোতাপাখির মত মুখস্থ করানো হয়। দুই তিন বছর টানা কুরআন মাজীদ মুখস্থ করানোর পদ্ধতি ভারতীয় উপমহাদেশেই রয়েছে, অন্যান বিশেষ করে মিডেল ইস্টে জেনারেল পড়ালেখা পাশাপাশি মসজিদ ভিক্তিক কোরআন হিফজের ব্যবস্থা থাকে।
    প্রায় সব দ্বীনি ভাইই চান হিফজ করতে কিন্তু সাহস করতে পারেন না।বই থেকে তাদের জন্য কিছু টিপস্ঃ
    • প্রথমত ভালো একজন উস্তাদের কাছে সহিহ-শুদ্ধভাবে কুর’আন দেখে দেখে পড়া শিখা।
    • মুখস্ত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট অংশ টার্গেট করা।
    • মুখস্ত করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করা।
    • ব্যস্ত না হয়ে অল্প অল্প করে মুখস্থ করা।
    • অর্থ খেয়াল রেখে মুখস্ত করা।
    • তাহাজ্জুদের সালাতে মুখস্ত অংশ ইয়াদ করা।
    • …….সব টিপস বলে দিলে বই পড়ার মজা থাকবে না 🙂
    • স্মরণ শক্তি বাড়ানোর জন্য প্রচুর তওবাহ করা রব্বে কারীমের দরবারে, সারাদিন,তাহাজ্জুদে প্রচুর দুয়া করা, নফল ইবাদাত বাড়িয়ে দেওয়া।সবচেয়ে বড় কথা হতাশ ওধৈর্য্য হারা না হওয়া।
    নেক কাজে,অনুপ্রেরণা টনিকের মত কাজ করে,বইটিতে হিফয যাত্রায় সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার সাথে সাথে দেয়া হয়েছে মূল্যবান অভিজ্ঞতালদ্ধ কার্যকরী পরামর্শ। বইটির দাম বেশী নয়।সংগ্রহে রাখার মত।হিফয যাত্রা শুরু করে দিন,আর বইটিকে টেবিলের সামনেই রাখুন,গতি পাবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য কুরআন মাজীদকে সহজ করে দিন, আমিন।

    6 out of 7 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5

    :

    মহান আল্লাহ তাআলার আসমানী কিতাব আল-কুরআন। প্রতিটি মুমিনের লালিত স্বপ্ন কুরআন হিফ্জ করা।একজন জেনারেল শিক্ষিত ব্যাক্তির ইচ্ছা থাকা শর্তেও নানা কারণে স্বপ্নগুলো অধরা থেকে যায়। হিফয যাএা গ্রন্থটি ক্বারী মুব্বাসির আনওয়ার এর হিফজ যাএার নানান দিকগুলোর আলোচনা করা হয়েছে। কিভাবে তিনি তার যাএাকে সাফল্যমন্ডিত করেছিলেন একজন জেনারেল শিক্ষিত হয়ে। একজন জেনারেল শিক্ষিত হয়ে কিভাবে এই যাএা শুরু করা যায় তারও দিকনির্দেশনা দেয়াা হয়েছে।

    আল্লাহ ওয়াফি লাইফকে উওম বিনিময় দান করুক তাদের আন্তরিকতার জন্য ও যথাযথ ডেলিভারি দেওয়ার জন্য।

    6 out of 7 people found this helpful. Was this review helpful to you?