মেন্যু
hamas philistin mukti andoloner vetor bahir

হামাস: ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির

পৃষ্ঠা : 368, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 2nd Published, 2020
আইএসবিএন : 9789848254462, ভাষা : বাংলা
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শহীদ শেখ আহমাদ ইয়াসিন। তিনি ইজরাইলী সেনাদের মিসাইল হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। হামাসের প্রথম গঠনতন্ত্র রচনা করেন আব্দুল আজীজ রানতিসি। তিনিও ইজরাইলী সেনাদের হাতে শহীদ হন। আরেকজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য... আরো পড়ুন
পরিমাণ

330 

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - হামাস: ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির

5.0
Based on 1 review
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    Shoaib Islam:

    হামাস। নামেই যার পরিচয়। হামাস প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৮৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর। হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আহমাদ ইয়াসিন। হামাসকে প্রথমে জায়োনোবিদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলা হয়, পরে এর পরিধি আরও ব্যাপক হয়। বর্তমানে হামাস ফিলিস্তিনে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। হামাসের পূর্ণরুপ আরবিতে ‘হারাকাতুল মুকাওয়ামাতিল ইসলামিয়াহ’। আর ইংরেজীতে ‘দি ইসলামিক রেসিসট্যান্স মুভমেন্ট’।
    হামাসের চোখ দিয়ে সারা পৃথিবীর মুসলমানরা আল-কুদস মুক্তির স্বপ্ন দেখে। জাতির বেইমান বড়ো একটা অংশ(এখানে বেইমান বলতে ফাতাহ আন্দোলনের নেতাদের বোঝানো হয়েছে) যখন জায়োনোবাদীদের সঙ্গে গোপন সমঝোতা ও আপসকামিতায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই ঈমানি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দুরন্ত সাহসে গর্জে উঠে আমৃত্যু লড়াকু হামাস যোদ্ধারা। মজলুম জননেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের হাত ধরে জন্ম নেওয়া হামাস এখন রক্তাক্ত জনপদ ফিলিস্তিনের মুক্তির লড়াইয়ে আশা-ভরসার একমাত্র প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলের মত ঘৃণ্য অপশক্তির মোকাবিলায় হামাস যে দুঃসাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।
    হামাস বইটিতে পাঠকদের সুবিধার্তে ১৪ টি আলাদা অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। বইয়ের সকল তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য লেখক নির্দিষ্ট পরিমাণে রেফারেন্স ও লিংক অ্যাড করে দিয়েছে। বইটির ভেতরে দু একটি বানান ভুল পেয়েছি আশা করি পরবর্তী সংশোধনে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে। বইটি কেন পড়বেন? যাদের ফিলিস্তিন সম্পর্কে আগ্রহ আছে, হামাস সম্পর্কে আগ্রহ আছে, জায়োনোবাদী আগ্রাসন সম্পর্কে জানার ইচ্ছা আছে তাদের জন্য হাইলি রেকমেন্ডেডেড একটা বই। আর বইটা খুবই ইনফরমেটিভ ভেতরে অনেক সাল,তারিখ আছে। তাই অবশ্যই ধৈর্য নিয়ে পড়তে হবে। এই বইয়ের দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান অনেক ঘটনা পড়ে পাঠকবৃন্দ কখনও অশ্রুসিক্ত হবেন,কখনো রিক্ত হবেন,কখনো-বা শিহরণ জাগবে রক্তকণিকায়।
    কীভাবে ফিলিস্তিন নামের স্বাধীন একটি রাষ্ট্রের মধ্যে জোড় করে এক অবৈধ চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল নামের ইহুদী রাষ্ট্র স্থাপন করা হয়েছে তা এখানে দেখানো হয়েছে।
    একটি পরিসংখ্যানে ব্যাপারটি আরও পরিষ্কার করা যাক-
    ১৮৭৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডের মোট জনসংখ্যা ছিল ৪৬২৪৬৫। আরব মুসলিম ও খ্রীষ্টান: ৯৬.৮%, ইহুদী:৩.২%।
    ১৯২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা- ৭৫৭১৮২ জন।
    আরব মুসলিম ও খ্রীষ্টান: ৮৭.৬%।
    ইহুদী: ১১%।
    ১৯৩৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা-১০৩৫১৫৪ জন।
    আরব মুসলিম ও খ্রিস্টান: ৮১.৬%
    ইহুদী: ১৬.৯%।
    কিন্তু ১৯৪৮ সালের আরব ইজরাইল যুদ্ধে আরবদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিন প্রায় পুরোটায় ইজরাইলি দখলদার বাহিনী দখল করে নেয়।
    অবৈধভাবে ইহুদী স্থাপনা তৈরি করতে থাকে। লাখ লাখ ফিলিস্তিনি নিজেদের জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত হয়। আজকে মুসলিম উম্মাহ একত্রিত থাকলে ফিলিস্তিনিদের এই দূর্দশা হতো না। ইসরাইল কীভাবে সরকারি মদদে সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দেয় তা এই বই পড়লে জানা যাবে।
    ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কিলিং মিশন সম্পর্কে বিস্তর ধারণা পাওয়া যাবে। মোসাদ কিভাবে ইয়াসির আরাফাতকে রাসায়নিক প্রয়োগে হত্যা করেছে তা এই বইয়ে পাওয়া যাবে। শেখ ইয়াসিনকে কিভাবে হত্যা করা হয় তাও জানা যাবে।
    এই বইয়ের রিভিউ এভাবে লিখলে আরেকটা বই লেখা হয়ে যাবে। তাই আর লিখলাম না। যাদের জানার ইচ্ছা আছে এই সম্পর্কে তারা যতদ্রুত বইটি সংগ্রহ করে পড়া শুরু করুন। আশা করি নিরাশ হবেন না।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No