মেন্যু
guraba

গুরাবা

অনুবাদক – সাইফুল্লাহ আল-মাহমুদ
সম্পাদক – আবদুল্লাহ আল মাসউদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা – ১০০

ইসলামের পরিভাষায় গুরাবা তাদেরকেই বলা হয়, যারা দ্বীনের রজ্জুকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার দরুন নিজের পরিবার-পরিজন, সমাজ-রাষ্ট্রসহ সবার কাছে অপাঙক্তেয় হয়ে যায়।

গুরাবা একটি আরবী বহুবচন শব্দ। এর একবচন হলো গরিব। গরিব শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে :—বিদেশি, প্রবাসী, আগন্তুক, মুসাফির, অপরিচিত ইত্যাদি। গুরাবার পারিভাষিক অর্থের মধ্যে এর শাব্দিক অর্থের সবগুলোই পুরোপুরি বা আংশিক পাওয়া যায়। কারণ, দ্বীনের জন্য যিনি সমাজের লোকদের থেকে বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হন, তিনি তাদের থেকে দূরে সরে যান বা তারাই তার থেকে দূরে সরে যায়। ফলে ওই দ্বীনদার ব্যক্তি তাদের কাছে বহিরাগত কোনো অপরিচিত আগন্তুকের মতোই হয়ে যান।

এই বইটি গুরাবা বিষয়ে রচিত সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র কোনো বই। চতুর্থ শতকের বিখ্যাত আলেম আবূ বকর আল-আজুররী রাহ. এটি রচনা করেছেন। এই বইতে গুরাবার পরিচয়, প্রকার ও বৈশিষ্ট্যাবলি বিশদভাবে পাঠকগণ জানতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

পরিমাণ

103  147 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

6 রিভিউ এবং রেটিং - গুরাবা

4.8
Based on 6 reviews
5 star
83%
4 star
16%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    বই – গুরাবা
    লেখক – আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-আজুররী রাহ. [মৃত্যু ৩৬০ হিজরী]
    অনুবাদ: সাইফুল্লাহ আল মাহমূদ Saifullah Al Mahmud
    সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল মাসউদ
    প্রকাশনা: মাকতাবাতুল আসলাফ
    মুদ্রিত মুল্য – ১৭৪

    বইটি সংগ্রহ করার গল্পঃ-
    গুরাবা বিষয়ক লেখা আমি ফেসবুকে অনেক জায়গাতে পড়েছি। অনেকের নিক নাম ‘গুরাবা’ দেখেছি। খুব অবাক লাগতো। কিছুদিন আগে এই বইয়ের কথা পড়লাম ফেসবুকে। তখন থেকেই বইটা পড়ার ইচ্ছা। আর আগে থেকে ই এই বিষয়ে জানারও ছিলো খুব ইচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ্,বইটি পড়া শেষ করেছি।

    বইটি তে যা আছেঃ-
    অসাধারণ একটি বই ছিল। একজন গুরবা এর জীবন আসলেই কেমন কাটে অনেক সুন্দর ভাবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বইটি তে। একজন গুরাবা তার দ্বীনের পথে অটল থাকার জন্য আস্তে আস্তে যে তার পরিবার,সমাজ, সব কিছু ই হারাতে হয় আবু বকর আল আজুররি রহ. অনেক সুন্দর ভাবে তাই তুলে ধরেছেন।

    গুরাবাদের চেনার উপায়ঃ-
    তুমি যদি নির্জন স্থানে গুরাবার সাক্ষাত লাভ করো তাহলে দেখবে সে বসে বসে চোখের জল ফেলছে, সাথে তপ্ত দীর্ঘ নিঃশ্বাসও ছাড়ছে, তার চেহারায় বিষন্নতার ছাঁপ ফুটে উঠছে। যদি তুমি তাকে দেখে চিনতে না পারো, তাহলে মনে করে বসবে, লোকটি বোধহয় তার কোনো প্রিয়জনকে হারিয়ে ফেলছে, তাই নীরবে এভাবে চোখের জ্বল ফেলছে। কিন্তু তুমি যা ভাবলে বিষয়টা এর পুরোই উল্টো। এই লোকটি তার কোনো প্রিয়জনকে হারিয়ে এভাবে কাঁদছে না। সে তার দ্বীনের ব্যপারে ভয় করে এভাবে চোখের জল ফেলছে। যদি তাঁর দ্বীন ঠিক থাকে তাহলে দুনিয়ার সব সম্পদ চলে গেলেও সে কোনো আক্ষেপ করবে না। কারণ সে তার দ্বীনকেই মূল পুঁজি বানিয়েছে, যার ব্যাপারে সে শংকিত।’ কথাগুলো বলছিলেন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান রাহিমাহুল্লাহু৷
    হাসান রহিমাহুল্লাহু বলেছেন— ‘একজন মুমিনের মূল পুঁজিই হলো তার দ্বীন। সে যেখানেই যায়, এই মূলপুঁজিকে সাথে করে নিয়ে যায়। সে একে কারও কাছে গচ্ছিত রাখে না। আবার বাড়িতেও রেখে আসে না।’

    গুরাবাদের পরিচয়ঃ-
    ইসলামের পরিভাষায় গুরাবা তাদেরকেই বলা হয়, যারা দ্বীনের রজ্জুকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরার দরুন নিজের পরিবার-পরিজন, সমাজ-রাষ্ট্রসহ সবার কাছে অপাঙক্তেয় হয়ে যায়।গুরাবা একটি আরবী বহুবচন শব্দ। এর একবচন হলো গরিব। গরিব শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে :—বিদেশি, প্রবাসী, আগন্তুক, মুসাফির, অপরিচিত ইত্যাদি। গুরাবার পারিভাষিক অর্থের মধ্যে এর শাব্দিক অর্থের সবগুলোই পুরোপুরি বা আংশিক পাওয়া যায়।

    ভালো লাগাঃ-
    বই থেকে নেওয়া কিছু লাইন….
    “গুরাবাদের জন্য সু-সংবাদ”
    “গুরাবা হলো ঐ সমস্ত লোক, মানুষেরা গোমরাহ হলে যারা তাদের সংশোধন করবে। ”
    “গুরাবা এমন একদল মানুষ, যারা খারাপ লোকদের বৃহৎ সংখ্যাসাপেক্ষে খু্ব অল্প সংখ্যকই হবে। তাদের অনুসারীদের তুলনায় বিরোধিতাকারী অধিক হবে।”
    “গুরাবা হলো তারা, যারা নিজেদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে কোথাও চলে গেছে! ”
    “নিশ্চয় আল্লাহ্ তায়ালার কাছে গুরাবারা সবচে প্রিয়”

    বইটি কেন কিনবেন বা সংগ্রহ করে পড়বেনঃ-
    কারণ, দ্বীনের জন্য যিনি সমাজের লোকদের থেকে বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হন, তিনি তাদের থেকে দূরে সরে যান বা তারাই তার থেকে দূরে সরে যায়। ফলে ওই দ্বীনদার ব্যক্তি তাদের কাছে বহিরাগত কোনো অপরিচিত আগন্তুকের মতোই হয়ে যান।এই বইটি গুরাবা বিষয়ে রচিত সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র কোনো বই। চতুর্থ শতকের বিখ্যাত আলেম আবূ বকর আল-আজুররী রাহ. এটি রচনা করেছেন। এই বইতে গুরাবার পরিচয়, প্রকার ও বৈশিষ্ট্যবলি বিশদভাবে পাঠকগণ জানতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

    শেষ কথাঃ-
    মাকতাবাতুল আসলাফ প্রকাশিত সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ অনুদিত এবং প্রিয় ভাই আবদুল্লাহ আল মাসউদ সম্পাদিত গুরাবা বইটি পড়ে এই বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারেছি। আল্লাহ্‌ এই বইয়ের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং আমাদেরকে গুরাবাদের অন্তর্ভুক্ত হবার তৌফিক দিন।আমীন।

    6 out of 7 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No