মেন্যু


গুনাহ থেকে ফিরে আসুন (গুনাহের আলামত, তার ক্ষতি এবং মুক্তির পথ)

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
পৃষ্ঠা : 160, কভার : পেপার ব্যাক

তাখরিজ- মাওলানা তাহের নাক্কাশ পাকিস্তানি
অনুবাদ- মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। তার তাওহিদের স্বীকারোক্তির জন্য। কিন্তু আমরা আল্লাহ তাআলার ইবাদত ভুলে গুনাহ করে বসি। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে তার আনুগত্য করি। আল্লাহর অবাধ্যতা করি। আল্লাহর অবাধ্যতা করলে, গুনাহ করলে অন্তরের মাঝে কালো দাগ পড়ে যায়। কালো দাগ পড়তে পড়তে অন্তর এমন হয়ে যায় যে ভাল কাজের খেয়াল অন্তরে আসেই না। আসলেও খারাপের ভীড়ে একটি ভালকাজ করার হিম্মতও হয় না অন্তরে।
সমাজে পাপাচার এতোটাই বেড়ে গিয়েছে যে, গুনাহ নিয়ে বললেও খুব চিন্তা ভাবনা করে বলতে হয়। গুনাহের ব্যাপারে উম্মতের আলেমগণ সতর্ক করেছেন যুগে যুগে। লিখেছেন অনেক পুস্তক ও পুস্তিকা। বয়ান ও বক্তৃতায় উম্মতকে সতর্ক করেছেন গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে। তেমনি একজন মহান ব্যক্তি হলেন আল্লামা ইবনুল কাইয়িম আল জাওযিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ। উম্মতের ব্যাপারে বড়ই চিন্তিত ছিলেন। তাই তো তার কিতাবের মধ্যে উম্মতদরদির নিশান মিলে। রহিমাহুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা হল
الجواب الكافي لمن سأل عن الدواء الشافي “আল জাওয়াবুল কাফী লিমান সাআলা আনিদ দাওয়ায়িশ শাফী” অথবা الداء والدواء
“আদ দাউ ওয়াদ দাওয়াউ”। রহিমাহুল্লাহ কিতাবটির মাঝে উম্মতের আভ্যন্তরীন রোগ তথা অন্তরের রোগ ও তার প্রতিকার বর্ণনা করে দিয়েছেন। ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লাহ তার যুগে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন কিতাবখানা সেই সময়কার অবস্থার প্রেক্ষাপটে। কিন্তু সেটি আজকের দিনেও যেন নির্দেশ করছে। কেমন যেন তিনি বর্তমানের জন্যই বলছেন। কথাগুলো যেন আমাদের সময়ে আমাদেরকে খেতাব করে বলা হচ্ছে।
আলোচিত কিতাব ‘আদদাউ ওয়াদদাওয়া’ বা আলজাওয়াবুল কাফী এর মাঝে গুনাহের আলামত বা প্রভাব সমূহ নিয়ে আলোকপাত করেছেন। এবং গুনাহের কারণে কী কী ক্ষতি হয় তাও উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি গুনাহ থেকে উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছেন।

পরিমাণ

143  260 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

32 রিভিউ এবং রেটিং - গুনাহ থেকে ফিরে আসুন (গুনাহের আলামত, তার ক্ষতি এবং মুক্তির পথ)

5.0
Based on 32 reviews
5 star
96%
4 star
3%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    💎মানুষের জীবনের সব স্বপ্ন সাধারণত দুনিয়াতে পূরণ হয় না। কারণ মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। এই দুনিয়াটাও ক্ষণস্থায়ী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ায় কখনোই জীবনের সকল স্বপ্ন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। সেই স্বপ্ন পূরণ একমাত্র জান্নাতে হতে পারে ইং শা আল্লাহ।

    💎কারণ জীবন নামের ঘড়িটার সুতা একসময় টান দেওয়া হবে। সেদিন আমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে মহান রবের সামনে। কিন্তু সেদিন আমরা কি নিয়ে ফিরে যাব?

    💎দুনিয়া হলো পরজনমের পাথেয় অর্জনের একমাত্র স্থান। এখান থেকেই পরকালের পাথেয় জোগাতে হবে। কিন্তু এখন দেখা যায় দুনিয়ার যশ-খ্যাতি, সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব করতে গিয়ে গুনাহ হলেও তা যেন কোন ব্যাপারই নয়।

    💎কিন্তু গুনাহ থেকে সর্বদাই বেঁচে চলা উচিত। কারণ গুনাহের ইহকালীন ও পরকালীন অনেক ক্ষতি রয়েছে। দুনিয়াবী জীবনেও নানারকম বিপদ-আপদ, রোগ-শোক ইত্যাদির মধ্য দিয়ে গুনাহের শাস্তি আসে। পরকালীন জীবনে জাহান্নাম কবর এসবের শাস্তিও রয়েছে।

    💎কিন্তু তবুও অনেক মানুষ নির্বিকার।ন্যায় অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের হিসাব ভুলে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধূসর দুনিয়ার মোহের হাতছানিতে এড়িয়ে চলছে আখিরাতকে।

    💎সমাজে এখন গুনাহের পর গুনাহ হওয়া বেড়েই চলছে। যেমনটা সমুদ্রের ঢেউয়ের পর ঢেউ আসতেই থাকে। এখন আমরা এক ফিৎনাময় সমাজে বসবাস করি। যার প্রায় প্রতিটি পদে-পদে গুনাহের আশঙ্কা থাকে।

    💎সমাজের অনেক মানুষ আছে যারা গুনাহ থেকে বেঁচে চলতে চায়। কিন্তু তাদের সে অনুযায়ী ইলম নেই। গুনাহ কেন হয়? গুনাহের ক্ষতি কি? গুনাহ থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে? গুনাহ থেকে কিভাবে নিজেদেরকে সরিয়ে রাখা যায়? এ সম্পর্কে অনেক মানুষ ই ভালো জ্ঞান রাখে না। আর গুনাহ সম্পর্কে এসব জ্ঞান না থাকার কারণেও অনেক মানুষ গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ে।

    💎যারা গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তারা ফিরে আসলে ক্ষমা করার জন্য আল্লাহ্ তায়ালা আশার বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ্ তাআলা বলেন-

    হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সমীপে খাঁটি তওবা কর, এই আশায় যে তোমাদের প্রভু তোমাদের সকল পাপ ক্ষমা করে দেবেন আর তোমাদেরকে এমন উদ্যানসমূহে উপবিষ্ট করবেন যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত থাকবে…
    — সূরা আল-তাহরিম

    অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে, এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফুরি(অবাধ্য) অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
    — সূরা আন-নিসা

    💎রাসূল (সা.) বলেন,
    তোমাদের কেও মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া উট খুঁজে পেয়ে যতটা খুশি হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবাতে তাঁর চেয়েও বেশি খুশি হন।
    — সহীহ বুখারী

    💎ইমাম ইবনুল কায়্যিম জাওযিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ এর “আল জাওয়াবুল কাফী লিমান সাআলা আনিদ দায়িশ শাফি” এর অনুবাদ “গুনাহ থেকে ফিরে আসুন” এই বইটিতে গুনাহের কারণ, গুনাহের ক্ষতি, গুনাহ থেকে মুক্তির উপায় ইত্যাদি বিষয় সুন্দর, সহজ ও সাবলীল ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছে। যা থেকে পাঠক সহজেই তার গুনাহের কারণ খুঁজে পাবে, গুনাহের ক্ষতিগুলো জানতে পারবে এবং যদি গুনাহে লিপ্ত থাকে, সেখান থেকে বের হয়ে আসার পথ জানতে পারবে। যা তাকে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে এবং গুনাহ থেকে ফিরে আসতে অনেক সহায়তা করবে। ইং শা আল্লাহ।

    📚গুনাহ থেকে ফিরে আসুন
    (গুনাহের আলামত, তার ক্ষতি এবং মুক্তির পথ)
    লেখক: আল্লামা হাফিয ইবনুল কায়্যিম আল জাওযী
    প্রকাশক: আয়ান প্রকাশন

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    🍀সমাজ এখন ফিতনাময়। মানুষ যেন গুনাহের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। মহান আল্লাহ তা’আলার দেয়া বিধান লংঘন করে মানুষ যেন আবার সেই আইয়ামে জাহিলিয়াত কে ডেকে আনছে।

    🍀প্রায় প্রতিটি পদে-পদে গুনাহের আশঙ্কা। এমন যেন হয়ে গেছে যে, সামনে তাকিয়ে গুনাহ দেখে পিছনে ফিরলে সেখানেও গুনাহের আশঙ্কা। উপরে তাকিয়ে গুনাহ দেখে নিচে তাকালে সেখানেও যেন একই রকম অবস্থা।

    🍀মহান আল্লাহ তা’আলা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। কিন্তু দুনিয়াবী ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কত মানুষ যে আজ পথ হারা!! পাশ্চাত্যের অনুকরণ-অনুসরণ ও বিভিন্ন বিজাতীয় সংস্কৃতি এখন এমন ভাবে মানুষের মনে জেঁকে বসেছে যে সেইসব রীতিনীতি পালন করতে গিয়ে গুনাহ হয়ে গেলেও তাতে যেন কিছুই যায় আসে না।

    🍀কিন্তু প্রায় সব ধরনের গুনাহতেই ইহকালীন ও পরকালীন ক্ষতি রয়েছে। গুনাহের দ্বারা দুনিয়ার ক্ষতি ও বরবাদী নেমে আসে। রিজিকে বরকত কমে যায়। প্রশান্তি উড়ে যায়। অস্বস্তি ও অস্থিরতা আসে। আর মৃত্যুর পর আরো বড় শাস্তি  তো কবর ও দোজখের শাস্তি তো রয়েছেই।

    🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀

    🍀কিন্তু এত সব গুনাহ করার পরেও যদি বান্দা তার ভুল বুঝতে পেরে তওবা করে, তাহলে মহান আল্লাহ অনেক অনেক বেশি খুশি হন।

    🍀তওবার আক্ষরিক অর্থ মহান আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। ইসলামী শরীয়তে এর অর্থ অতীত পাপকাজ থেকে ফিরে আসা এবং ভবিষষ্যতে তা না করার দৃঢ় সংকল্প করা।

    🍀হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে:
    প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপ করে, পাপীদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম যারা তওবা করে।—— সুনানে তিরমিযী

    🍀হাদিসে আরো উল্লেখ করা হয়েছে: সেই সত্ত্বার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, মানুষ যদি পাপ না করতো তবে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে উঠিয়ে নিয়ে এমন এক সম্প্রদায়ের অবতারণা করতেন, যারা পাপ করত এবং পরে (নিজের ভুল বুঝতে পেরে) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতো এবং আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিতেন।—— সহীহ মুসলিম

    🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀

    🍀মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার এর অনুবাদে ইমাম ইবনুল কায়্যিম জাওযিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ এর “আল জাওয়াবুল কাফী লিমান সাআলা আনিদ দায়িশ শাফি” অর্থাৎ “গুনাহ থেকে ফিরে আসুন” বই টি
    থেকে আমরা শুধু গুনাহের কারণ, ক্ষতি এসব ই জানতে পারব না বরং গুনাহ থেকে উত্তরণের পথও জানতে পারবো। যা আমাদেরকে গুনাহ থেকে ফিরে আসতে বিশেষভাবে সহায়তা করবে। ফিতনাময় এ সমাজেও গুনাহ থেকে বেঁচে চলার জন্য উত্তম পরামর্শ আমরা এই বইটিতে পাবো।

    🍀পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুসরণে জীবনের প্রায় প্রতিটি পদে গুনাহের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে করতে যারা আজ গুনাহের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে তাদের জন্য এই বইটি যেন হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সেই সাগর থেকে তুলে আনার জন্য। গুনাহের সমুদ্রের অতলে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের কে খুঁজে বের করে ফিলিয়ে আনতে এই বইটি একটি ডুবুরির ভূমিকা পালন করবে। শুধু একটু ফিরে আসার চেষ্টার প্রয়োজন। সে চেষ্টা হতে পারে এই বইটি পড়া ও বোঝা। এবং বইটি থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা নিজের জীবনে কাজে লাগানো।

    🍀বইটিতে গুনাহের কারণ গুনাহের ক্ষতি এবং তার প্রতিকার অনেক সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে। যা থেকে সহজেই পাঠক তাদের গুনাহগুলো কে চিহ্নিত করতে পারবে এবং ইহকালীন ও পরকালীন ক্ষতি হওয়া থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে। এবং হয়ে যাওয়া গুনাহ থেকে ফিরে আসতে পারবে ইংশাআল্লাহ।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No