মেন্যু
fahmus salaf : deen bojhar koshtipathor

ফাহমুস সালাফ : দীন বোঝার কষ্টিপাথর

পৃষ্ঠা : 160, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2022
ইসলামকে বিকৃত করে পশ্চিমা সভ্যতা ও মতাদর্শগুলোর সাথে সামঞ্জস্যশীল করার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো সালাফে সালেহিনের মুতাওয়ারিস ফাহম। এজন্য পশ্চিমের প্রাচ্যবাদী বিভিন্ন সংস্থাও সালাফে সালেহিনের ফাহমের তিরস্কার করেছে। দীনের... আরো পড়ুন
পরিমাণ

168  230 (27% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

10 রিভিউ এবং রেটিং - ফাহমুস সালাফ : দীন বোঝার কষ্টিপাথর

4.9
Based on 10 reviews
5 star
90%
4 star
10%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    abdullaafnan25:

    বইটিকে ছয়টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

    ১. ফাহমুস সালাফ পরিচিতি।

    এই অধ্যায়ে ফাহমুস সালাফ কী, কাকে বলে, এর প্রয়োগ কাদের ওপর হবে ইত্যাদি বিষয়াবলি বিস্তারিত ও তথ্যবহুল আলোচিত হয়েছে।

    ২. ফাহমুস সালাফের প্রতি গুরুত্বারোপের কারণ।

    ৩. সালাফদের বুঝকে লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে যুগে যুগে আলেমদের যত্নশীলতা।

    ৪. ফাহমুস সালাফ আঁকড়ে ধরার শুভ পরিণাম।

    ৫. সালাফদের ফাহম ও মানহাজ থেকে বিচ্যুতির কারণ।

    ৬. সংশয় নিরসন।

    প্রতিটি অধ্যায়ের শিরোনাম থেকেই বুঝে আসে লেখাটির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা। লেখক খুবই সুন্দর ও গোছালোভাবে আলোচনা করেছেন। কঠিন একটি একাডেমিক বিষয়কে সহজে উপস্থাপন করেছেন।

    বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় একটি আরেকটির সম্পূরক। আলোচনার ধারাবাহিকতাও চমৎকার। আর সর্বশেষ ‘সংশয় নিরসন’ অধ্যায়টি বইটিকে দিয়েছে পূর্ণতা৷

    মানুষের সহজাত প্রবণতা হলো, বিজয়ী শক্তির অনুগামী হওয়া। ‘সুবিধাবাদ জিন্দাবাদ’ টাইপ। প্রায় শতবছর যাবত পৃথিবীর কোথাও সম্পূর্ণভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না থাকার কারণে ও পশ্চিমাদের দীর্ঘদিনের উপনিবেশের ফলে মুসলিমরা আজ মানসিকভাবে পরাজিত। ফলে অনেক নামধারী মডারেট মুসলিম ইসলামকে ব্যাখ্যা করতে চায় পশ্চিমের মতো করে।

    ফাহমুস সালাফ ওদের এই অপচেষ্টার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায়। এজন্য ফাহমুস সালাফকেও ওরা ‘পোপতন্ত্র’, পশ্চাদগামী ইত্যাদি বলে তিরস্কার ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তাই এমন একটি মূলনীতিধর্মী বইয়ের প্রয়োজন ছিল অতীব জরুরি।

    মনে রাখতে হবে, ইসলামে যেমন পোপতন্ত্র নেই, তদুপরি গবেষণার নামে যাচ্ছেতাই স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগও নেই। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ, কোনো সংস্কারের প্রয়োজন তার নেই।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    Rakib Shayekh:

    ফাহমুস সালাফ, ইফতেখার সিফাত (হাফিযাহুল্লাহ)

    ‘ফাহমুস সালাফ’ বইটি এমন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে, যার প্রয়োজনীয়তা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করছে; কিন্তু আমরা অনুধাবন করতে পারছি না! উপলব্ধি করতে পারছি না যে, সমস্যাটা কোথায়? লেখক সমস্যাটি চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ণাঙ্গ একটি গ্রন্থরচনার মাধ্যমে যথাযথ সমাধান দিয়েছেন৷ আশা করা যায়, লেখকের এ অগ্রগামী পদক্ষেপ অপাত্রে ঢালতে থাকা আমাদের অনেক সময়, শ্রম ও মেধাকে বাঁচিয়ে দিবে৷ ইনশাআল্লাহ৷

    রচনার ধরন একাডেমিক৷ সিলেবাস-ভুক্ত হবার মতো সুবিন্যস্ত৷ পাঠ-অনুশীলনীর মতো বইশেষে সংশয়-নিরসন আছে৷ বইয়ের বক্তব্য সুস্পষ্ট— সালফে সালেহিনের পথই আমাদের পথ৷ সে পথেই আমাদের মুক্তি৷ ভিন্ন পথ হল ভ্রষ্টতা৷ আর এ বুঝের অভাবেই আজকে আমাদের মধ্যে মতাদর্শিক এত জটিলতা! পশ্চিমা সভ্যতা-সংস্কৃতি গ্রহণের প্রতি এত প্রবণতা!

    স্মর্তব্য, একসময় আমরা নাস্তিক-সেক্যুলারদের প্রশ্ন নিয়ে খুব মাথা ঘামাতাম, দাঁতভাঙা জবাব খুঁজে হয়রান হয়ে যেতাম৷ তারপর আমরা সমস্যার মূল চিহ্নিত করলাম এবং তা উৎপাটন করতে লাগলাম৷ সময় দিয়ে হলেও আমরা চিনতে পারলাম যে, নাস্তিকরা মূলত পশ্চিমাদাস, কিংবা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী! আল্লাহ আমাদের হেফাজত করেন৷ চিন্তা, সময় ও শ্রমে বরকত দিন এবং কবুল করেন৷ আমিন৷

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    মুহাম্মাদ উসামা রউফ:

    রিভিউ লিখতে পারি না আমি, তবে এই বইখানা পড়ে যা বুঝলাম, ভাঙা কলমে কিঞ্চিৎ তুলে ধরার চেষ্টা…
    চারিদিকে কেবল ফিতনার ছয়লাব। একের পর এক উদ্ভাসিত হচ্ছে ফিতনা, দেখা দিচ্ছে ঘোর কালো আঁধার। কিন্তু আমরা পারছি না এর মুকাবিলা করতে, না পারছি ফিতনা দমিয়ে রাখতে। কিন্তু এই ফিতনাগুলো নতুন নয়, আজ থেকে বহুকাল পূর্বের ফিতনাগুলোরই এক নতুন রূপ। এক নতুন নাম, নতুন পরিচয়।
    যুগে যুগে অমুসলিম সেকুলারদের পক্ষ থেকে যেভাবে ইসলাম আক্রমণের শিকার হয়েছে, ঠিক স্বজাতি নামধারী মুসলিমদের থেকেও একই রকম আক্রমণের শিকার হয়েছে।
    বলছিলাম করনুর রাবে অর্থাৎ চতুর্থ হিজরীর কথা…
    মোটামুটি তৃতীয় হিজরীর মধ্যে বাতিল ফিরকাগুলোর উদ্ভাবন শুরু হয়ে গিয়েছিল। আলি রা. এর যামানায় খারিজি ফিতনা।
    ৮০ হিজরিতেই মাবাদ জুহানির হাত ধরে কাদিরিয়া ফিতনা। ১৫০ হিজরীতে গায়লানের ইরজার ফিতনা। ১৩১ হিজরীতে ওসেলের হাতে মু’তাযিলা ফিতনা৷ এছাড়াও শিয়া, রাফেজি, কাদরিয়া,জাবরিয়া, কাররামিয়া ইত্যাদী বহুমুখি ফিতনার ছিল রমরমা পদচারণা। (এইসমস্ত ফিতনাগুলোর পরিচয় লেখক বইয়ের টিকায় সংক্ষেপে দিয়ে দিয়েছেন)
    সালাফগণ এই সমস্ত ফিতনার মুকাবিলা করেছেন বেশ শক্ত হাতে। সেই সাথে বাতলে গিয়েছেন আমাদের জন্য মসৃণ পথ।
    বইটি আমাদের শেখাবে…
    সালাফের পরিচয়, কারা সালাফ, কারা অনুসৃত, কেবল নাম ধারণেই কি সালাফ হওয়া যায় ! নাকি সালাফের ফাহম মানে সেকেলে চিন্তা দর্শন!
    বইটি আরো শেখাবে কিভাবে সালফে সালেহীনের সালফে সালেহীনের মুতাওয়ারিস ফাহাম অর্জন করতে হয়। কিভাবে আক্ষরিক অর্থে সালাফদের চিনতে হয়৷ কিভাবে নব্য ফিতনাগুলোর মুকাবিয়া করতে হয়। কিভাবে সালাফদের চোখে দ্বীনকে বুঝতে হয় !!
    সব শেষে বলব, বইটি পড়া উচিত৷ প্রতিটা মুসলিমের পড়া উচিত। আলেমদের পড়া উচিত। তালিবে ইলমদের পড়া উচিত। জনসাধারণের পড়া উচিত। পড়া চাই, যে কোনো মূল্যে সবার পড়া চাই।
    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    ইবরাহীম খলিল শিপন:

    সুন্দর একটি বই। যারা সঠিকভাবে সঠিক পন্থায় দীন বুঝতে চান, জানতে চান কাদের থেকে দীনের ইলম শিখতে হয় এবং বেঁচে থাকতে চান দীনের নামে অপব্যাখ্যা থেকে, তাদের জন্য বইটি অবশ্যই মাস্টরিড।
    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Hossain Ahmad:

    খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বই। দীন বোঝার ক্ষেত্রে ফাহমুস সালাফই (পূর্বসূরি হকপন্থি আলেমদের বুঝ) কেন জরুরি, বইটি পড়লে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন। আর কারও যদি জানা না থাকে—সালাফ বলা হয় কাদেরকে, তারও উত্তর পাবেন বইটিতে। বইয়ের শুরুর দিকে সালাফ পরিচিতি এবং সালাফের সময়কাল নিয়ে সুন্দর আলোচনা আছে। এ ছাড়া চৌদ্দটি সংশয় নিরসন আছে বইটিতে, যা আমার কাছে এই বইয়ের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু মনে হয়েছে। ধরুন, দীনি একটি বিষয়ে সালাফদের ব্যাখ্যা আছে আবার এ ব্যাপারে বিজ্ঞানেরও একটি ব্যাখ্যা আছে; এখন আপনি দ্বিধাদ্বন্দে আছেন কাদের মত গ্রহণ করবেন। এই অবস্থায় আপনার যদি এই বইয়ের ‘বিজ্ঞান ও ফাহমুস সালাফ’ অধ্যায়টা পড়া থাকে, তাহলে আর এমন সংশয়ে পড়তে হবে না। সহজেই বুঝতে পারবেন কখন কাদের মত গ্রহণ করতে হবে।
    3 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No