মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান

অনুবাদ: আবু মুসআব ওসমান
পৃষ্ঠাঃ ৮৮
বাঁধাইঃ হার্ড ব্যাক

চলে গেছে জীবনের কতগুলো রমযান!
পুষ্পিত বসন্তের সুবাসিত ফল্গুধারা নিয়ে!
রহমত-মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে!
দরজায় কড়া নাড়ছে আরেকটি ‘মাহে রমযান‘!
অসামান্য অর্জন ও অত্যুচ্চ প্রাপ্তির অপার সম্ভাবনা নিয়ে!

কিন্তু ….।
কীভাবে যেন কেটে যায় দিনগুলো!
হেলায়-ফেলায়- অবহেলায়-উদাসীনতায়!
মাস শেষে আফসোস! বার দু’য়েক দীর্ঘশ্বাস!
রমযান এল, রমযান গেল, এগার মাসের মতই!

অথচ ….।
এই রমযানই হয়তো জীবনের শেষ রমযান!
শেষ সুযোগ ক্ষমা লাভের! শেষ সুযোগ প্রাপ্তি ও অর্জনের!
গতবার কতজন ছিলেন! সাহরীতে-ইফতারীতে! জীবনের পরতে-পরতে!
আজ তারা নির্জন কবরে! রমযান শেষেই হয়তো আমার পালা, ডাক আসার!

তাহলে ….।
কীভাবে কাটাবেন আপনার জীবনের শেষ রমযান?!
কীভাবে কাজে লাগাবেন প্রতিটি ক্ষণ, সেকেন্ডের প্রতিটি ভগ্নাংশ?!
কীভাবে ভাবতে শিখবেন- ‘এটাই আমার জীবনের সর্বশেষ রমযান’?!
তা জানতেই প্রিয় পাঠক আপনার জন্য ‘এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান’!

পরিমাণ

71.00  130.00 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

4 রিভিউ এবং রেটিং - এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    বুদ্ধিমান হলো ওই ব্যক্তি যে স্বয়ং নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মৃত্যুর পরের অনন্ত জীবনের জন্য আমল করে।

    বইটি কাদের জন্যঃ-
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
    যদি জানতে চান, কিভাবে কাটাবেন আপনার জীবনের শেষ রমজান। কিভাবে কাজে লাগাবেন প্রতিটিক্ষন সেকেন্ড, প্রতিটি ভগ্নাংশ। কিভাবে ভাবতে শিখবেন এটাই আপনার জীবনের সর্বশেষ রমজান।
    এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি জানতে চান তবে বইটি পড়েন।

    সকলের মনে রাখা উচিত কথা গুলোঃ-
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
    এই রমজান হয়তো জীবনের শেষ রমজান!
    শেষ সুযোগ ক্ষমা লাভের! শেষ সুযোগ প্রাপ্তি ও অর্জনের। গতবার কতজন ছিলেন সাহরীতে-ইফতারীতে! জীবনের পরতে-পরতে। আজ তারা নির্জন কবরে। রমজান শেষই হয়তো আমার পালা, ডাক আসার।

    বইটি তে যা আছেঃ-
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
    যা আছে তা কয়েকটি বাক্যে বোঝানো সম্ভব না।
    আর তা বলার ভাষা গুলোও আমার জানা নাই।
    তাই সূচি পত্রের বিষয় গুলো তুলে ধরলাম।

    মৃত্যু বুঝি অনেক দূরে! আজাল তো কত কাছে!
    জীবনের শেষ রমজানঃ নববী শিক্ষার দাবি
    জীবনের শেষ রমজানে আমার নামাজ
    জীবনের শেষ রমজানে আমার রোজা ও সিয়াম সাধনা
    জীবনের শেষ রমজানে আমার রাত্রি জাগরণ
    জীবনের শেষ রমজানে আমার কুরআন তেলাওয়াত
    জীবনের শেষ রমজানে আমার দান সদকা
    জীবনের শেষ রমজানে আমার আত্মীয়তা সম্পর্কের দাবি রক্ষা
    জীবনের শেষ রমজানে আমার ইতেকাফ
    জীবনের শেষ রমজানে আমারতো বা ও ক্ষমা প্রার্থনা
    জীবনের শেষ রমজানে আমার উম্মত দরদ জাতি চিন্তা
    আমার পুরো জীবনই যেন হয় জীবনের শেষ রমজান
    শেষ কথা এবাদত করব নিষ্ঠার সঙ্গে

    আমার সর্ব শেষ প্রতিজ্ঞাঃ-
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
    আমার প্রতিটি ইবাদত হবে ইখলাস ও ইহতিসাব পণ
    আমার আমি এবাদত করব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার নিয়ে সোয়াবের আশায়
    আমার জীবনে অবশিষ্ট প্রতিটি মাস হবে জিন্দেগীর আখেরি রমজান
    কারণ আমি চক্ষুমান আমি বিবেকবান পরিচয় আমরা ‘মুসলমান’।

    হে আল্লাহ! আমার রব! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

    Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভালোলাগা_এপ্রিল_২০২০
    .
    আশেপাশের বহু পরিচিতজনদের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি ছিলো গত রামাদানে, কিন্তু এইবার হয়েগেছেন রবের অতিথি। আসন্ন রামাদান তাদের ভাগ্যে জুটেনি আর। দুনিয়াবি ছুতোনাতায় মৃত্যুকে আমরা যতই ভুলে থাকার চেষ্টা করিনা কেন, মৃত্যু আসবেই। অসময়ে,অবেলায়, কোনোরকম আগমনী বার্তা ছাড়াই। এটাই জীবনের বাস্তবতা। জীবনের যেটুকু সময় পাই,সেটুকু সময় পার্থিব চাহিদার থেকে অনন্ত জীবনের পুঁজি নিয়ে আমাদের সচেষ্ট থাকা উচিত।
    এই উপলব্ধিকে উপলক্ষ করে ড. রাগিব সারজানি লিখেছেন “এটাই হয়তো জীবনের শেষ রামাদান”

    [বই পর্যালোচনাঃ]
    মাত্র ৮৮ পেজের বই। কলেবরে অত্যন্ত ছোট, কিন্তু ভাবে বিশাল অর্থপূর্ণ। নাম থেকেই অনুমেয়, ‘মৃত্যু’ এবং ‘রামাদান’ বইয়ের যুগপৎ বিষয়বস্তু।
    বইটির শুরুতে মৃত্যুর বাস্তবতার তীব্রতা আরও প্রকট করা হয়েছে সালাফদের জীবন দ্বারা।মৃত্যুভয় তাদের কিভাবে দুনিয়াবিমুখ করে অধিক আমলে আগ্রহী করতো, তাঁরই কাহিনী কথন। এরপর আলোচিত হয়েছে নবীজির জীবনালোকে রামাদানের করণীয় আমলের নির্দেশিকা।
    .
    রামাদান হচ্ছে উম্মাহর জন্য রবের দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার। এই মাসেই খুলে যায় রহমতের দরজা, অগণিত বান্দার নাজাত মিলে জাহান্নামের বহ্নিশিখা থেকে। সালাত, যিকির,দুআ,তেলাওয়াত এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার অবারিত এক সুযোগ রামাদান। রামাদান আসলে কতটা মূল্যবান,এই বইটা তা আরেকবার শিখিয়ে দিবে। আমরা যদি জানতে পারতাম, এটাই আমাদের জীবনের শেষ রামাদান, তবে কেমন হতো আমাদের ইবাদতের একাগ্রতা? কেমন হতো আমাদের নামাজ? কেমন হতো অন্তরের তাদাব্বুর?
    এই অনুভূতিগুলোকে উপজীব্য করেই মূলত পুরো বইয়ের আলোচনা।
    .
    [ভালোলাগা-মন্দলাগাঃ]
    বইয়ের কলেবর যারপরনাই ছোট। প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার অভাব বোধ করেছি। কিন্তু ছোট্ট এই বইটার যতটুকুই আলোচনা,ততটুকুই গ্রহণযোগ্য। রামাদানের আগে নিজেকে প্রস্তুত করার অনন্যসাধারণ চিত্রায়ণ। বইটা পড়ার পর আপনি চাইবেন না যে, রামাদানের একটা মুহূর্ত ও নষ্ট হোক!
    রামাদান দোরে কড়া নাড়ছে। দামে কম, আকারেও ছোট। তাই, বইটি পড়া না হলে, এখনই সংগ্রহ করুন, প্রিয়জনদের পড়তে দিন।
    রামাদানের পরে বইটি পড়লে কিন্তু আফসোস’ই করবেন।

    Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    বছর ছয়েক আগের কথা। ভার্সিটির এক সহপাঠী আমার পাশের বাসায় টিউশনি করাতে আসত। তখন রমজান মাস। সে ছাত্র পড়াতে আসত ঠিক তারাবিহর সময়ে। একদিন তাকে বললাম, দোস্ত, সবাই যখন তারাবিহ পড়ে তুই তখন টিউশনিতে যাস। অন্তত রমজান মাসে ব্যস্ততা কমা। রমজান মাস তো আমলের মাস। তো আমার সেই বন্ধুটি বলেছিল যে পরের বছরে রমজান থেকে ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলবে। দুঃখের বিষয়, কয়েক মাস পরেই বন্ধুটি মারা যায়। গল্পটা আমার জীবন থেকে নেয়া। আমি নিশ্চিত আপনাদেরও অনেক প্রিয়জন যারা আগের বছরগুলোতে রমজান পেয়েছিলেন, এখন দুনিয়াতে নাই। এইতো ফেসবুকে ভাল লিখতেন এমন কিছু ভাই যেমন শাহাদাত ফয়সাল, জাভেদ কায়সার, বান্দা রেজা ভাই গত রমজান পেয়েছিলেন, কিন্তু এবার আল্লাহর মেহমান। এটাই জীবনের বাস্তবতা। আর এ বাস্তবতাকে সামনে রেখেই ড রাগিব সিরজানি খুব সুন্দর একটি বই লিখেছেন।
    বইটি কলেবরে ছোট, ৮৩ পেজের মত। কিন্তু বইটির আলোচনা খুবই চিত্তাকর্ষক। বইটি আপনাকে এমনভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতে শেখাবে যেমন প্রস্তুতি আপনি নিতেন যদি আপনি জানতেন এই রমজানই আপনার জীবনের শেষ রমজান। বইয়ের শুরুতে মৃত্যুর বাস্তবতা নিয়ে সালাফদের কাহিনী আলোচিত হয়েছে। মৃত্যুভয় সালাফদের কাবু করত না, বরং অধিক আমলে উৎসাহী করত। এরপর বইতে নবীজির আদর্শে রমজান পালনের বিভিন্ন আমলের ব্যাপারে আলোচনা এসেছে।
    আপনি যদি জানতেন এই রমজান আপনার শেষ রমজান তাহলে আপনার নামাজ কেমন হত? নামাজে খুশু কেমন থাকত? দুআ কেমন করতেন? জীবনের শেষ রমজানে আপনার রোযাগুলোর কোয়ালিটি কেমন হওয়া উচিত? আপনার তাহাজ্জুদ কেমন হওয়া উচিত? – এসব ব্যাপারে অসাধারণ কিছু দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে এ বইতে।
    বিশেষ করে ইহয়িয়া উলুমুদ্দিন বইয়ের রেফারেন্স দিয়ে রাতে অধিক ইবাদাত করার উপায় হিসেবে ৮টি টোটকা শেখানো হয়েছে। পাশাপাশি জীবনের শেষ রমজানে কোরআন তিলাওয়াত কেমন হওয়া উচিত সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বাদ যায়নি জীবনের শেষ রমজানের দান সাদাকা ও আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার সদুপদেশও।
    বইয়ের শেষ প্রান্তে লেখক সমগ্র জীবন কেন আমাদেরকে জীবনের শেষ রমজান মনে করে কাটানো উচিত তা ব্যাখ্যা করেছেন। সবশেষ প্রবন্ধে আমরা যাতে রমজানে উম্মতকে ভুলে না যাই এবং বিভিন্ন দেশের সুবিধাবঞ্চিত, নির্যাতিত মুসলিমদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেই সে ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
    বইটির অনুবাদ, সম্পাদনা, প্রচ্ছদ সবকিছুই উন্নত মানের ছিল। হার্ড কভার এ বইয়ের দামও সাধ্যের মধ্যে। বইটি পড়ে লেখকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
    Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_মার্চ_২০২০
    .
    বই– এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান
    ••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
    .
    রমযানের বাকি আর মাত্র ৩০ দিন+……
    শুনেই কেমন একটা প্রশান্তিময় অনুভূতি হচ্ছে, তাই না ? কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এই অনুভূতিটাকে আমরা কাজে লাগাই না ।
    যথার্থ প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় রমযানের প্রথম দিকের সময়গুলো অবহেলায় নষ্ট করে ফেলি । যথাযথ প্রস্তুতি না থাকায় আমাদের মাঝে না থাকে রমযানের গুরুত্ব-অনুভব, না থাকে কুরআন তিলাওয়াতের অনির্বচনীয় স্বাদ আর না থাকে কিয়ামুল লাইল ও তারাবীহ্ নামাযে বিনম্রতার অনুভূতি ।
    রমযানের মতো মহা মূল্যবান এক নিয়ামত পেয়েও যদি আখিরাতের প্রস্তুতি না নেই তাহলে আর কখন নিবো ? এজন্য যে বইগুলো আপনাকে সাহায্য করবে তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে, “এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান” ।
    বইটি প্রকাশিত হয়েছে– মাকতাবাতুল হাসান থেকে ।

    ❒ বইটি সম্পর্কে—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    “এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান”–বইটি রমযানের আগে নিজেকে প্রস্তুত করার এক অসাধারণ ম্যানুয়াল । এটা আপনাকে রমযানের জন্য উজ্জীবিত করবে । রমযান যে আসলে কতটা মূল্যবান, সেই অনুভূতি আপনার মধ্যে তৈরি করে দিবে । বইটি পড়ার পর আপনি চাইবেন না যে, রমযান মাসের একটা মুহূর্তও আর নষ্ট হোক । মনে হবে এটাই জীবনের শেষ রমযান,শেষ সালাত,শেষ কিয়ামুল লাইল,শেষ তিলাওয়াত,শেষ ইতেকাফ,শেষ তওবাহ্ ।

    ❒ বইটি কেন গুরুত্বপূর্ন—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    কয়েকটি কারনেই বইটি গুরুত্ব বহন করে । প্রধান কারন হচ্ছে, বইটিতে রমযানের জন্য মানসিক প্রস্তুতি গ্রহনের উপায় উপকরনগুলোকে সহজ এবং দরদপূর্ণ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে । দ্বিতীয়ত, বইটির লেখকের জন্য । বইটির লেখক হচ্ছেন– ড. রাগিব সারজানি । তিনি একজন ‘আলিম ও বিদগ্ধ ইতিহাসবিদ’ । যে একবার তাঁর লেখা পড়েছে, মােহাচ্ছন্ন হয়েছে বারবার । তাঁর লেখাগুলো পড়া যেন মনের গহীনে জানালা খুলে নীল আকাশ দেখার মতাে । তাঁর লেখা পড়ে মুগ্ধ হয়নি, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম । এ বইয়েও তার ব্যতিক্রম হয়নি । 
    না পড়লে, বইটির গুরুত্ব লিখে বোঝানো অসম্ভব । অসাধারণ কিছু কথামালায় পূর্ন এই বইটি । প্রতিটি অধ্যায় শেষে লেখক আপনাকে দিয়ে কিছু ওয়াদা করিয়ে নেবেন । যেটা আমার কাছে ব্যতিক্রম এবং চমৎকার একটা বিষয় বলে মনে হয়েছে ।

    ❒ বইটি যাদের জন্য—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    প্রথমত, যারা রমযানকে অন্য ১১টা মাসের মতোই সাধারন মনে করে, হেলায়-ফেলায় কাটিয়ে দেয় প্রতিটা মূহুর্ত-এই বইটা সবার আগে তাদের জন্য ।
    দ্বিতীয়ত, রমযানের পূর্বেই যারা মাহে রমযানের হাকীকী ও প্রকৃত স্বাদ-অনুভব করতে চান, রমযানের প্রতিটি মুহূর্তকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে চান, রমযানকে প্রাপ্তি ও অর্জনের মাধ্যম বানাতে চান এই বইটা তাদের জন্য ।
    তৃতীয়ত, “মনে দুরু দুরু আশঙ্কা―না জানি মৃত্যুর ডাক এসে যায়! কপালে না জোটে রমযানের সান্নিধ্য” ! —এই ধরনের আবেগ-অনুভূতি যারা অর্জন করতে চান, তাদের জন্যও এই বইটি ।

    ❒ অনুরোধ—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    অনুরোধটা হচ্ছে রিভিউ পাঠকদের প্রতি । যদি বইটা আপনার সংগ্রহে না থাকে, তবে ৩/৪ দিনের মধ্যেই সংগ্রহ করে ফেলুন । বইয়ের দামও সাধ্যের মধ্যে । ডিসকাউন্টে হয়তো ৭০-৭৫ টাকার মধ্যে পাবেন । বইটা আপনাকে শেখাবে কিভাবে রমযানের জন্য অধীর আগ্রহে থাকতে হয়, কিভাবে বরকতময় দিন-রাত্রিগুলোর প্রতীক্ষায় থাকতে হয়, এই অপেক্ষায় থাকাটাকেও কিভাবে ইবাদতের অন্তর্ভূক্ত করে ফেলা যায় । বইটা এখনই পড়ার উপযুক্ত সময় । এরপর রমযানের প্রথম দিকে আরেকবার পড়ে নিবেন । এতে করে আপনার একটা মানসিক প্রস্তুতি হয়ে যাবে সঙ্গে আমলের প্রতি স্পৃহাও বাড়বে । গতবছর এই বইটা পড়ে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি । পাশাপাশি আরেকটা বই সংগ্রহে রাখতে পারেন– সীরাত পাবলিকেশনের, “ধূলিমলিন উপহার রমাদান” বইটি ।

    ❒ পাঠ্যানুভূতি—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বইটা পড়া শেষে “এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান” এই কথাটাই আপনার অনুভূতিতে বারবার জন্ম নেবে ।

    ❒ শেষ কথা—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    সাহাবীরা রমযান শুরুর ২ মাস আগে থেকে, কেউ কেউ ৬ মাস আগে থেকে প্রস্তুতি নিতেন । আমরা অন্তত এক মাস, না হলে সপ্তাহ দু-এক আগে থেকে হলেও তো নিজেদেরকে রমযানের জন্য প্রস্তুত করতে পারি, তাই না ? তাই মানসিক প্রস্তুতি গ্রহনের জন্য এই বইটা অবশ্যই সংগ্রহ করে ফেলুন । ইন শা আল্লাহ্ উপকৃত হবেন ।
    যারা রমযান মাস পেয়েও নিজেকে মাফ করাতে পারবে না,আল্লাহ্ যেন আমাদেরকে সেইসব হতভাগাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়া থেকে হিফাযত করেন । আমিন ।
    ==============================
    বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা–৮৮ ।
    প্রচ্ছদ মূল্য–১৩০ টাকা ।
    Was this review helpful to you?