মেন্যু
এক (Ek)

এক (Ek)

ভাষা : বাংলা
অনেকের ধারণা একসময় সবকিছু শূন্য ছিল, কোনো কিছুরই অস্তিত্ব ছিল না। এটি ভুল ধারণা। শূন্য কখনোই ছিল না। সব সময়ই একজন ছিলেন। তিনি অনাদি ও অনন্ত এক। চিরন্তন ও শাশ্বত... আরো পড়ুন
Binding Clear
পরিমাণ
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - এক (Ek)

4.8
Based on 5 reviews
5 star
80%
4 star
20%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    মো ঃ সাজ্জাদ খান:

    অসাধারণ একটা বই।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    Md. Toriqul Islam:

    এক।
    যাঁর কোন আর অংশীদার নেই, আলাদা কোন অংশ নেই। তিনি পরম এক। তাঁর সাথে যুক্ত করে লাগানো মূর্খদের অংশীদারত্ব থেকে তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র। সকল কালীমা মুক্ত সেই মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানা তা’আলা এর পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে। প্রচলিত বিভিন্ন শিরক এর পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
    বইটি পড়ার যে ফিলিংস টা হয়েছে, সেটা অনেকটা এরকম – “আল্লাহ সুবহানা তা’আলা এর সাথে লাগানো কালীমা যেন ধুয়ে মুছে অন্তরকে এক মহান পবিত্র সত্ত্বার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।”
    সুবহানাল্লাহ।

    Personal Rating : 8.8/10.

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    marufenergy:

    তাওহীদ হচ্ছে ইসলামের মুল ভিত্তি। যদি বলি সমগ্র ইসলামের মুল ভিত্তি যদি এই তাওহীদ হয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই এর ব্যপকতা অনেক বেশি, তাহলে কিছু বলেন দেখি এই ‘তাওহীদ’ সম্পর্কে!

    বেশিরভাগই “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” আর এর বাংলা অনুবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ঘুরিয়ে পেচিয়ে এটাই বলার চেস্টা করে যাবে যে “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই” – এটাই তাওহীদ। নিসন্দেহে উত্তর সঠিক কিন্তু এতো হল এমন যে, আপনাকে একটা বই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, আর আপনি বইয়ের নাম বলেছেন, আর যখন প্রশ্নকর্তা আরো কিছু জানতে চাচ্ছে, তখন আপনি শুধু বইয়ের নামের বিভিন্ন সমার্থক শব্দই বলে চলেছেন!

    তাওহীদ হল এমন এক জ্ঞান, যার ভিতর যদি একটু মাত্র সন্দেহ থাকে তবে তাতেই ঈমান চলে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। যদি ঈমানের দেয়ালের ভিতর সামান্য ফাটল থাকে তবে শয়তানের জন্য অই সামান্য ফাটলই যথেষ্ট হবে দেয়ালকে ভেংগে চুরমার করে দিতে। আর আমাদের সমাজে এ ধরনের অসংখ্য ফাটল বিদ্যমান। তাই এই ভুল আকিদার সম্পর্কেও জানতে হবে যেন তা থেকে বাচা যায়। তাওহীদ সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা রাখা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরয। এবং এই ধারনা নিতে হবে সাবধানতার সাথে, নির্ভরযোগ্য দলিল ভিত্তিক।

    ‘এক’ বইটি এদিক থেকে একটি অসাধারণ বই।বইটি অনুবাদ করা হয়েছে ড. আবু আমীনাহ বিলাল ফিলিপস এর “The Fundamentals of Tawheed” বই থেকে। তাওহীদের প্রতিটি বিষয়ে দলল ভিত্তিক আলোচনা রয়েছে এই বইটিতে। আমি যদি পূর্ব থেকে লেখক সম্পর্কে খারাপ ধারনাও রাখি যে, হয়ত এই লেখক আমাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে, তবুও আমাকে বলতেই হবে, এতো এমন এক তথ্যসূত্র যাতে লেখক কেবল কুরআন ও হাদিস থেকে উধৃতি দিয়েছেন মাত্র। এই অকাট্য দলিলের বিপক্ষে অবস্থান নিলে আমি তার দলিল পাবো কোথায়?

    প্রত্যেক মুসলিমের এই বইটি পড়া আবশ্যক। কারণ তাওহীদ সম্পর্কে না জানলে আমরা সহজেই শির্কে জড়িয়া যাবো। এখানে লেখক কুরআন এবং হাদিস থেকে কেবল তথ্যের ধারাকে সুবিন্যস্ত করেছেন মাত্র। এখানেই এই বইয়ের সার্থকতা। নেগেটিভ ধারনা থেকেও যদি এই বইকে মূল্যায়ন করতে যাই, তাহলে যেন আমাকে বারবার কুরআন এবং হাদিসের বিপক্ষেই দাড় করিয়ে দেয়!

    বইটির প্রথম ও দ্বিতীয় অধ্যায়ে তাওহীদ ও শির্কের প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তৃতীয় অধ্যায়ে এসেছে প্রথম মানুষ আদমের (আঃ) সাথে আল্লাহ তা’য়ালার কথার বিষয়টি। পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে এসেছে জাদুটোনা, শুভ-অশুভ লক্ষণ, ভাগ্য গননা, জিনদের জগৎ, গনকের কাছে যাওয়া বা তার কথা বিশ্বাস করা, জ্যোতিষশাস্ত্র, জাদুবিদ্যা, পির -আউলিয়াদের প্রতি আমাদের কি আকিদা থাকা উচিত, বারযাখ এবং কবর নিয়ে কি বিশ্বাস রাখা উচিত সেই বিষয় গুলি।

    বইটিতে অল্প কথায় তবে ভীষণ অর্থবহ এই ব্যাপার গুলো দালিলিক প্রমাণ সহ উপস্থাপিত হয়েছে, যা এক কথায় অসাধারণ। যদি প্রশ্ন করি, আল্লাহ কোথায়? আপনার উত্তরের দলিল কি? উনি সব জায়গায় বিরাজমান নাকি আসমানে- এই বিশ্বাসের উৎস কি? আল্লাহকে কি কেউ দেখেছে? নাকি দেখেনি? আমাদের নবিকে কি স্বপ্নে দেখা যায়? যদি যায় আপনি কিভাবে বুঝবেন উনি নবি নাকি শয়তান? এই সব কথার ভিত্তি কি?
    এভাবে প্রতিটি বিশ্বাস বা আকিদার শিকড়কে অনুসন্ধান করা হয়েছে বইটিতে। কুরআন-হাদিসের দলিল দিয়ে বাতিলের শিকড়কে উপড়ে ফেলে স্থাপন করা হয়েছে সহিহ আকিদা।

    বইটির ভাষা যথেষ্ট সহজ ও প্রান্জল। পড়লে চিন্তার উদ্রেক হয়, তাওহীদ সম্পর্কে আরো জানার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। আল্লাহ তায়ালা এই বইয়ের সাথে সম্পর্কিত সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন, আমিন।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 4 out of 5

    Marium Rakib:

    “এক” বইটি অনুবাদ করা হয়েছে ড. আবু আমীনাহ বিলাল ফিলিপস এর “The Fundamentals of Tawheed” বই থেকে।

    ইসলামের ভিত্তিই হলো তাওহীদ। “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” – এই বাক্যটিই ঈমান এবং কুফরের মধ্যে সীমারেখা নির্ধারণ করে দেয়।

    তাওহীদের বিষয়টি নিয়ে মুসলিমদের মধ্য খুবই স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। কারণ, নবীজি (সঃ) এর যুগ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত, বিশুদ্ধ ইসলাম থেকে যারা বিপথগামী হয়েছে, তাদের বিপথগামীতার শুরু হয়েছিল তাওহীদ থেকেই। তাওহীদ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে আমরা শির্কে জড়িয়ে যাবো। সে জন্য শির্ক কি জিনিস এবং কোন কোন কাজ শির্কের মধ্যে পড়ে সেগুলো আমাদের জানতে হবে।

    বইটির প্রথম অধ্যায়ে তাওহীদের প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে শির্কের প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তৃতীয় অধ্যায়ে এসেছে আদমের (আঃ) সাথে আল্লাহ তা’য়ালার অঙ্গীকারের বিষয়টি। চতুর্থ অধ্যায়ের মূল বিষয় জাদুটোনা, শুভ-অশুভ লক্ষণ, এসবের ব্যাপারে ইসলামের বক্তব্য।

    পন্চম অধ্যায়টি ভাগ্য গননা সংক্রান্ত। জিনদের জগৎ, ভাগ্য গননার ব্যাপারে ইসলামের বিধান, গনকের কাছে যাওয়া বা তার কথা বিশ্বাস করা সংক্রান্ত বিষ্য়গুলো এসেছে এ অধ্যায়ে।

    জ্যোতিষশাস্ত্র, জাদুবিদ্যা, পির -আউলিয়া পূজা, কবরপূজা- ঈমানের সাথে সাংঘর্ষিক এসব বিষয়গুলো এসেছে পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে।

    বইটি প্রত্যেক মুসলিমের পড়া জরুরি বলে আমি মনে করি।

    বইটির ভাষা যথেষ্ট প্রান্জল। কভার, বাইন্ডিং, পেইজ সেট আপ খুবই উন্নতমানের।

    সিয়ান পাবলিকেশনের সাথে জড়িত সবাইকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন।

    5 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Mahbuba Islam Disha:

    প্রত্যেক মুসলিমের তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদ) সম্পর্কে জানা আবশ্যক। কারণ তাওহীদ সম্পর্কে না জানলে আমরা সহজেই শির্কে জড়িয়া যাবো।শির্ক কাকে বলে, শির্ক এর প্রকারভেদ গুলো কি কি। শির্ক থেকে বেচেঁ থাকার একমাত্র উপায় হলো তাওহীদ সম্পর্কে জানা।
    আল্লাহ তায়ালা বলেছেন” নিশ্চয়ই শির্ক চরম জুলুম”। শির্কের চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের যে কোন গুনাহ আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছে করলে ক্ষমা করে থাকেন। কিন্তু শির্ক ক্ষমা করেন না।
    তাই শির্ক এর ব্যপারটি জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    বইটিতে তাওহীদের প্রকারভেদ, শির্কের প্রাকারভেদ,অশুভ লক্ষণ, ভাগ্য গণনা, জ্যোতিষশাস্ত্র, জাদু বিদ্যা, পীর পূজা ও কবর পূজা সহ আরো বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    লেখক অত্যন্ত সার্থকভাবে অল্প কথায় তবে ভীষণ অর্থবহ এই ব্যাপার গুলো বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।
    এতটা সাবলীল ভাষায় লেখা যা সহজেই সকলের বোধগম্য।
    সিয়ান পাবলিকেশনও যথেষ্ট সুন্দর করে সবার সামনে সেটা উপস্থাপন করেছেন। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

    একবার পড়ে শেষ করে রেখে দিলাম এটা সেই ধরণেরর বই না। বইটা পড়ে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে কোথায় কোথায় শির্ক এর মূল। খুঁজে বের করে তা উপড়ে ফেলতে হবে আর দিকনির্দেশনা দেবে এই বই ।ইনশাআল্লাহ।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No