মেন্যু
ek dighol dine nobiji

এক দিঘল দিনে নবিজি ﷺ

অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
সম্পাদনা এবং আরবী থেকে সংযোজন: মুফতি মাহমুদুল হক
পৃষ্ঠা: ১৮২
কভার: পেপারব্যাক

এই তো খেজুর গাছের শহর। প্রাণচঞ্চল হৃদয়গুলোর শহর। এখানেই তাঁর হৃদয়ের বসত। যখন এসেছিলেন দীপ্তিময় হয়ে উঠেছিল শহরের প্রতিটি কোণ। এই শহর, শহরের মানুষ আর প্রকৃতি তাকে জড়িয়ে নিয়েছিল নিবিড় করে। খানিক দূরে ব্যথার স্মৃতিমোড়া সেই উহুদ পাহাড়, কত ভালোবাসার টান এর সঙ্গে। শহরপুরীর প্রতিটা অলিগলির কাছে অতি আপন তাঁর পায়ের চিহ্ন। অনতিকাল পর এখানেই গড়ে উঠবে তাঁর মাসজিদ, সঙ্গে লাগোয়া ছোট্ট একটি কুটির। এই মাসজিদের আঙিনাতে তাকে ঘিরে জড়ো হবে সেই মহান একদল মানুষ, যারা তাঁর অনুসরণে উদগ্রীব। তিনি হবেন তাদের ছায়াসঙ্গী। তবে সবচেয়ে মধুর সম্পর্কটি হবে আল্লাহর সঙ্গে।
.
আমরা আজ নবিজি ﷺ-এর সাথে কাটাব সকাল থেকে সন্ধ্যা। দেখব তাঁর প্রতিটি নিমেষ। চোখ মেলে অবলোকন করব তাঁর মহৎ অথচ সাদাসিধে জীবন। তাঁর ব্যস্তময় দিনমানে ছড়িয়ে আছে স্বতঃস্ফূর্ততা। সবকিছুর মাঝে আছে ঐকতান। কত খোরাক ছড়িয়ে আছে সেথায় আমাদের জন্য।

পরিমাণ

169  260 (35% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!

- ৬৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি একটি আমল চেকলিস্ট ফ্রি!

- ৮৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি বই ফ্রি!

- ১,১৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি আতর ফ্রি!

- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী

24 রিভিউ এবং রেটিং - এক দিঘল দিনে নবিজি ﷺ

5.0
Based on 24 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    কোন মুসলিমকে যদি হঠাৎ প্রশ্ন করা হয়, আপনার প্রিয় ব্যক্তিত্ব কে? উত্তরদাতা হয়তো মুহুর্তের জন্য থমকে যেতে পারেন।তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উত্তর হবে ‘নবিজি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’।সেই মানুষটি, যাকে আমরা কখনো দেখিনি কিন্তু নি:শ্বাসের মতই মিশে আছেন আমাদের যাপিত প্রতিটি দিনের সাথে ।যাকে অনুসরণের মধ্যেই আমাদের চূড়ান্ত সফলতা।
    কেমন লাগবে যদি সেই প্রিয় মানুষটির সাথে পুরো একটি দিন পার করার সুযোগ হয়?
    না,কোন টাইম মেশিন বা যাদুমন্ত্রে নয়; আরব জাহানের প্রখ্যাত আলীম এবং দাঈ ড. আবদুল ওয়াহহাব আত-তুরাইরি আমাদের কে প্রিয় রাসূলের সাথে পূর্ণ একটি দিন মন:ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছেন তাঁর ‘আল ইয়াওমুন-নাবাবি’ বইয়ের পাতায় পাতায় ।যার সফল বাঙলায়ন ‘এক দিঘল দিনে নবিজি (সা.)’, প্রকাশ করেছে ওয়াফি পাবলিকেশন।

    ‘এক দিঘল দিনে নবিজি সা.’ কোন গতানুগতিক সিরাতগ্রন্থ নয়।এ বইটিতে স্থির ভাবে দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়েছে রাসূল সা.-এর দৈনন্দিন জীবনকে ঘিরে। একজন মুসলিম কীভাবে তার প্রাত্যাহিক জীবন নববি সুন্নাতের আলোকে সাজাতে পারেন, নবির মত প্রোডাকটিভ হতে পারেন,সকাল-সন্ধ্যা নবির সাথে কাটাতে পারেন- সেই শিক্ষা নিয়ে বইটি রচিত। রোজনামাচার মত করে নবিজির (সা.) অর্হনিশি-র প্রতিটি মুহুর্তকে নিখুঁতভাবে মলাটদ্ধ করা হয়েছে।নবিজির সারা দিনের প্রতিটি আমল, আযকার, আখলাক ক্রমান্বয়ে সাজানো হয়েছে গল্পের ভাষায়।

    নবিজি-র (সা.) জীবন ছিল স্বচ্ছ কাঁচের ঘরের মত।তাঁর ব্যক্তি জীবনে কোন আড়াল ছিলনা।তাঁর জাগরণ, তাঁর নিদ্রা; প্রতিটি সময়-ই কেউ না কেউ তাঁকে দেখেছে। তিনি ছিলেন সবার মনযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে।তাঁর যাপিত জীবনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মুহুর্ত গুলোকেও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা অনুক্ষণ সতর্ক দৃষ্টিতে অন্তরে গেঁথে নিয়েছেন।তাঁর ইবাদতের মুহুর্ত গুলো কেমন ছিল?কীভাবে হাটতেন,খেতেন,কথা বলতেন?মুহুর্তের মুচকি হাসি বা মলিন মুখটাও কারো না কারো নজরে পড়েছে। সেই সমস্ত মুহুর্ত গুলোই শায়খ আত-তুরাইরির দক্ষ কলমের আঁচড়ে বাঙময় হয়ে উঠেছে ‘এক দিঘল দিনে নবিজি-র (সা.) প্রতি পাতায়। বইয়ের প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্যসূত্র। পাঠকের জন্য নবি জীবনের বিশুদ্ধ বর্ননায় লেখকের আন্তরিক প্রচেষ্টা বোঝার জন্য এটুকুই যথেষ্ট।

    বইটি যারা পড়েছেন সবার অনুভূতি একটা জায়গাতে মিলে যায়।পড়ার সময়টুকুতে মনে হতে থাকে আমি যেন প্রিয় রাসূলের (সা.) ছায়াসঙ্গী! নবিজি-র (সা.)ছায়া হয়ে ঘুরছি তাঁর প্রিয় শহরের অলিতে-গলিতে। কখনো বসে আছি খেঁজুর পাতায় ছাওয়া তাঁর প্রিয় মসজিদের এককোণে। দেখছি নবিজিকে ঘিরে উম্মাহর নক্ষত্রদের আনাগোনা। কখনো তাঁর পর্ণকুটিরে উঁকি দিয়ে সুখী গৃহকোণ দেখে নয়ন জুড়াচ্ছি। কখনো অনুভব করছি নবিজি-র (সা.) স্নেহ সিক্ত শিশু হাসান-হোসাইনের উচ্ছস্বিত কচি মুখ। কখনো চোখ আর্দ্র হচ্ছে উম্মে আয়মানের ধমকির জবাবে স্নেহসিক্ত রাসূলকে (সা.) মুচকি হাসতে দেখে। এটাই রাসূলের জীবনীর ম্যাজিক! যতবার পড়া হয়, নতুন করে অনুভব করতে থাকি সৃষ্টি জগতের রহমতকে।

    আমাদের নবিজি-র (সা.) জীবন ছিল কর্ম মুখর। প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। একটুখানি সময়ও অকাজে ব্যয় করতেন না। প্রশান্তি আর বরকতে পূর্ণ ছিল তাঁর সরল-সিধা জীবন।
    আমাদের জীবনে সেই বরকত আর প্রশান্তির স্পর্শ পেতে নবিজিকে অনুসরণের বিকল্প নেই।
    নববি সুন্নাতের আলোকে নিজেদের দৈনন্দিন কর্মসূচীকে সাজাতে হলে অবশ্যই হাতে নিতে হবে ‘এক দিঘল দিনে নবিজি (সা.) ‘।

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    এ যেন নবীজীর সাথে কাটানো একটি দিন গেলো, আলহামদুলিল্লাহ্‌ অসাধারণ মুন্সিয়ানার প্রমাণ দিয়েছেন লেখক। বইটা লেখাই হয়েছে এমনভাবে যেনো প্রতেকটা মুহুর্ত প্রতিটা ক্ষণ নিজের চোখেই দেখছি। যারা নবী সাঃ এর সম্পর্কে জানতে চান এই বইটি পড়তে পারেন। সত্যিই হতাশ হবেন না ইনশাআল্লাহ্‌
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    Boi tir nam jemon thik bhetoreo tai. Khub e shundor guchalo vabe Nobijir (sm) puro ekti din niye bekkha kora. Ekdom shuru theke shesh. Mon khushi hoye jawar moto ekti boi.😇
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    লেখক পরিচিতি:
    পুরো নাম ডক্টর আবুল ওয়াহাব বিন নাসির আত তুরাইরি। ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাঊদ আল-ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক। উসূলুদ-দীন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী, ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাঊড আল-ইসলামিয়া থেকে পোস্টগ্রাজুয়েট করেছেন। ‘এক দিঘল দিনে নবিজি’ সম্ভবত বাংলায় এটাই তার প্রথম অনূদিত গ্রন্থ।
    .
    এক দিঘল দিনে নবিজি ﷺ
    নবিজি ﷺ-কে জানার শেষ নেই। নবিজির ইন্তিকালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিনিয়ত বহু সীরাত গ্রন্থ লেখা হয়েছে। সীরাত গ্রন্থে নবিজির জীবনকাল আলোচনা করা হয়। প্রতিটি ঘটনা পরম্পরায় সাজানো হয় নববি জিন্দেগি। কিন্তু এক দিঘল দিনে নবিজি এই দিক থেকে ব্যতিক্রমধর্মী একটি বই। এতে স্থান পেয়েছে নবিজির প্রতিটি মুহূর্ত। সূর্য উঠা থেকে শুরু করে নিশিতে—প্রতিটি মুহূর্ত নবিজির কীভাবে কাটত, ব্যক্তিগত আমল-আখলাক সহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে গল্পের আঙ্গিকে।
    .
    এটা কি কোনো সীরাত গ্রন্থ?
    আমাদের আর সাহাবিদের মাঝে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে, সাহাবীগণ নবিজির জন্ম মৃত্যুর তারিখ জেনেই ক্ষান্ত থাকতেন না, তারা নবিজির প্রতিটি নিমেষ জানার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। কীভাবে সেখান থেকে পরকালের পাথেয় গ্রহণ করা যায়, সেই চেষ্টায় থাকতেন। নবিজির সুন্নাহকে তারা ভালোবেসে বরন করে নিতেন, ফলে সুন্নাহ মানে তাদের কাছে ‘ছাড়া যায় নয়’, বরং সুন্নাহ তারা পালন করতেন, কারণ, ‘এটা নবিজি করেছেন।’

    নবিজির দিবারাত্রিগুলো হাদীসের পাতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সীরাতগ্রন্থ পড়ে ঘটনা জানা যায়, কিন্তু নবিজি কখন কী করতেন তা জানা যায় না। আবার যিকির আযকারের কিতাব পড়ে মাসনূন দুয়া-যিকির শেখা যায়, কখন কী পড়তে হয় জানা যায়, কিন্তু আদবকেতা শেখা যায় না। ‘এক দিঘল দিনে নবিজি’ উভয় অপূর্ণতাই দূর করেছে। এতে প্রিয় নবির প্রতিটি মুহূর্তে এমন এক মালায় বাঁধা হয়েছে, যে মালা গলায় জড়ানো মানে নবিজিকে সামনে থেকে দেখতে পাওয়া! যেন প্রতিটি মুহূর্ত তাঁর সাথে কাটানোর এক মহা সুযোগ মিলে গেছে! উপরন্তু ভাষার প্রাঞ্জলতা একে ভিন্ন স্তরে পৌঁছে দিয়েছে। এতটা সুমিষ্ট ভাষায় নবিজিকে নিয়ে ইতিপূর্বে কোনো বই পড়িনি। নবিজির সুন্নাহকে ভালোবেসে বরন করে নিতে বইটি অত্যন্ত চমৎকার। এছাড়া সুন্নতের শিক্ষার ধাঁচে দৈনন্দিন রুটিন সাঁজাতেও বেশ উপকারী পাথেয়।
    .
    যা কিছু ভালো লাগেনি:
    আসলে ভালো না লাগার মতো বিষয় এই বইতে নেই বললেই চলে। আমার বিশ্বাস, যে কোনো পাঠক বইটি একবার পড়লে মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। তবে প্রকাশকের দৃষ্টি আকর্ষণ করব, বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ হার্ড কভারে প্রকাশ করার। তাহলে বইটি হবে ‘সোনায় সোহাগা’।
    .
    শেষ কথা:
    ভালোবাসার আরেক নাম নবিজি ﷺ। ঈমানের দাবী নবিজিকে ভালোবাসা। আর অন্যান্য ভালোবাসার ন্যায় এই ভালোবাসারও কিছু আবদার আছে, প্রয়োজন আছে পরিচর্যার। নবিজির প্রতি আমাদের ভালোবাসা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন আমরা নবিজিকে জানবো যেভাবে সাহাবিগণ জেনেছেন, তাঁর আদর্শ মানবো যেভাবে সাহাবিগণ মেনে গেছেন। ‘এক দিঘল দিনে নবিজি’ পাঠককে সেই প্রেমিকদের কাতারে আমন্ত্রণ জানিয়েই রচিত।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    ইমাম তিরমিজী (রহঃ) তার সহীহ আত – তিরমিজীর ভূমিকায় লিখেছেন – যার ঘরে এই কিতাবটি থাকবে, সে যেন মনে করে নেয় তার ঘরে জীবন্ত মুহাম্মাদ (সঃ) আছেন।

    ‘এক দিঘল দিনে নবিজি’ বইটির ব্যপারে আমার অভিব্যক্তি ঠিক তেমনই। এই বইটি পড়ছিলাম আর বারবার মনে হচ্ছিলো আমার প্রিয় রাসূলকে (সঃ) যেন আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি মদিনার অলিগলিতে হাঁটছেন তা যেন আমারই চোখের সম্মুখে।

    মসজিদে নববীতে ফজরের সালাতের পর সাহাবীদের সাথে তাঁর খোশ আলাপচারিতায় আমিও যেন ছিলাম পাশে।

    হৃদয় তৃপ্ত হয় যে লিখায় তাকেই তো বই বলে। ধন্যবাদ Wafi Life কে, এমন একটি বই আমার হাতে পৌঁছে দেয়ার জন্যে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআ’লা অতি উত্তম প্রতিদান দিবেন আবদুল ওয়াহহাব ইবনে নাসির আত-তুরাইবীকে।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top