মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

দুআ কবুলের গল্পগুলো

প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী

অনুবাদ, সংগ্রহ ও সম্পাদনাঃ রাজিব হাসান

 

দু’আ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাহ। রাসূল ( ﷺ) ইরশাদ করেন,“দু’আ মূল ইবাদাহ”। [আবূ দাঊদ, তিরমিযী] দু’আ হলো মহান আল্লাহর নিকট কোনকিছু চাওয়া বা প্রার্থণা করা। যিনি আমাদের সুন্দরতম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন, পরীক্ষার নিমিত্তে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন, কৃত গুনাহ মাফের জন্য কিংবা যে কোন প্রকারের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন। যুগে যুগে মানবতার মুক্তির দূত নাবী রাসূলগণ যে কোন প্রয়োজনে স্বীয় রবের কাছে দু’আ করতেন। যে কোন মুহুর্তে, যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে কোনকিছু চাইতে দ্বিধাবোধ করতেন না।

সাহাবাগণ দু’আ করতেন, চাইতেন, আল্লাহর কাছে বেশী বেশী ফিক্বির জারি রাখতেন। যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে দু’আ, যেকোন বিপদ-আপদে দু’আ, যে কোন সমস্যায় দু’আ, সুখের সময়ও দু’আ। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনায় দু’আ। তাদের যাবতীয় ফরিয়াদ ছিল আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে, শুধুমাত্র তারই কাছে। রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা ‘আনহুম ওয়া আজমাঈন।

আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপট খানিকটা ভিন্ন। অল্প কিছু মানুষ ছাড়া উম্মতের বড় একটা অংশ দু’আর দেখানো পথ থেকে অনেক দূরে। উম্মতের এই বড় অংশটা আবার কয়েক ভাগে বিভক্ত। একভাগ দু’আ করেনা বা করতে চায় না, একভাগ স্বীয় রব্বকে ভুলে সৃষ্টিকূলের কাছে মাথা ঠুকে, আর আরেকভাগ দু’আ করতে চাইলেও আত্ন-বিশ্বাস আর তাওয়াক্কুলের অভাবে কিংবা পদ্ধতি না জানার কারণে নিজে দু’আ করা থেকে মাহরুম থাকে।

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন, “সবচাইতে হতভাগা হল সেই ব্যাক্তি যে দু’আ করে না”[সহিহ আল জামি’]

আমাদের কোনকিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা কোন সমস্যায় পড়লে সর্বপ্রথমে আমরা সৃর্ষ্টির কাছে ধরনা দেই। যখন একে একে সবগুলো দরজা বন্ধ হয়ে যায়, ঠিক তখন আল্লাহর দিকে ফিরে এসে ফিক্বির জারী করি। অনেক সময় দু’আর হালই ছেড়ে দেই, দু’আ করতেই চাই না, হতাশায় ভুগি।

সকল প্রয়োজনে সর্বাগ্রে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে সাহায্য চাওয়ার মানুষের বড্ড অভাব। সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে দুর্বল সৃষ্টিকূলের দিকে ধাবিত হওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশী। অথচ তিনিই আল্লাহ্‌ যিনি আমাদের দু’আ কবুল করার ওয়াদা দিয়েছেন। বেশী বেশী দু’আ করতে বলেছেন। প্রতিটি বিষয়ে হউক তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, হউক বৃহদাকার একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকেই সর্বদা ডাকতে হবে আমাদের, তার কাছেই চাইতে হবে সবকিছু। কোন কিছুর জন্য যে কোন পরিস্থিতিতে দু’আ করলে আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত খুশি হন।

শাইত্বন আমাদের প্রতিনিয়ত ধোঁকা দেয়। আমাদের বিশ্বাসের খুঁটিতে নাড়া দেয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কী আমার দু’আ কবুল করবেন? তিনি কী শুনবেন আমার মত এই নগন্য-জঘন্য এক সাধারণ মানুষের কথা? কত মানুষই তো দু’আ করে, তাদের দু’আ কী কবুল হয় ? তাদের তো কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন হয় না? এতদিন ধরে আল্লাহকে ডাকছি তবুও কোন ফল পাই না – নানা-রকমের শাইত্বনিক ওয়াস-ওয়াসা আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রতিনিয়ত। এটাই মুলতঃ শাইত্বনের ধোঁকা। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দয়া ও রহমত থেকে নিরাশ করার হাতছানি, কানাকানি, পেরেশানী ইত্যাদি শাইত্বনই করে থাকে। কেননা আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহকে স্মরণ করলে, আল্লাহর উপর ভরসা করলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি তো তারই। একদম সহজ সমীকরণ।

আমাদের আশেপাশের সাধারণ, অতি সাধারণ মানুষেরা জানে না কিভাবে দু’আ করতে হয়। কিভাবে ডাকলে আল্লাহ্‌ শুনেন, দু’আ কবুল করেন। অন্যদিকে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে ডেকে সাড়া পেয়েছে, জীবনের মোড় ঘুরে গেছে, চরম হতাশা ও বিপদের মুহুর্তে এক আল্লাহ্‌র উপর তাওয়াক্কুল করে ফল পেয়েছে – এরকম মানুষের গল্প ভুড়িভুড়ি। সাধারণ মানুষের দু’আ কবুলের বিভিন্ন ঘটনার সম্ভার নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন বই “দু’আ কবুলের গল্পগুলো”

 

পরিমাণ

196.00  280.00 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

11 রিভিউ এবং রেটিং - দুআ কবুলের গল্পগুলো

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ▶ ‘‘হে আল্লাহ,আমিতো কখনো আপনাকে ডেকে ব্যর্থ হই নি’’
    –(সূরা মারইয়াম:৪)
    এই দুয়াটি হযরত যাকারিয়া (আ) আল্লাহর কাছে করেছিলেন।আল্লাহ তার মনবাঞ্চনা পূর্ণ করেছিলেন। আমাদের অনেকেরই ধারণা,শুধু নবী–রাসুল,আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের দুয়া কবুল হয়।কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেন,
    ▶ ‘‘তোমরা আমাকে ডাক,আমি সাড়া দেব’’
    –(সূরা মু’মিনুন:৬০)
    আবার আমরা কখনো কখনো দুয়া করতে গিয়ে অস্থির হয়ে পড়ি।ভাবি আল্লাহ আমার দুয়া কেন কবুল করছেন না?আমার দুয়া কি তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়?আরো কত কি……।কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেন,
    ▶ “আর বান্দারা যখন তোমার নিকট জিজ্ঞেস করে আমার ব্যাপারে, বস্তুত:আমি রয়েছি সন্নিকটে।যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে ”
    –(সূরা বাকারা:১৮৬)
    আর রাসুল (স.) বলেন,
    ▶ ” তোমাদের কারো দুয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হয়,যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়ো করে, বলে যে,আমি দুয়া করেছি,কিন্তু আমার দুয়া কবুল হয় নি? ”
    – (সহিহ বুখারী ও মুসলিম)
    আমরা কখনো কখনো যা দুয়া করি তা তৎক্ষনাৎ পাই না। কারণ,আল্লাহ আলিমুল গায়েব। বান্দার প্রকৃত কল্যাণ কিসে তা তিনি জানেন। তাই তিনি বান্দার ততটুকুই কবুল করেন,যতটুকুতে তার কল্যাণ আছে।
    আল্লাহ বলেন,
    ▶ “হয়তো তোমরা যা অপছন্দ কর,তা-ই ‌তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর তোমরা যা পছন্দ কর,সেটা হতে পারে অকল্যাণকর।বস্তুত: আল্লাহ জানেন। তোমরা তা জান না ”
    –(সূরা বাকারা :২১৬)
    তাই আমাদের উচিত বেশি বেশি দুয়া করা।কেননা আল্লাহর কাছে যত বেশি চাইব,আল্লাহ তত বেশি খুশি হবেন। বিপদে-আপদে কিংবা বিশেষ কিছু চেয়ে দুয়া এবং সেই দুয়া কবুলের অসাধারণ কিছু বাস্তব গল্প নিয়ে রচিত বই ‘‘দুয়া কবুলের গল্পগুলো ’’।
    ▶বইটির বিশেষত্ব : বইটিতে বিদ্যমান গল্পগুলো আপনাকে বেশি বেশি দুয়া করতে অনুপ্রেরণা জাগাবে।এবং যে কোন বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাওয়ার সংকোচ দূর করার পাশাপাশি ভালো রিমাইন্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বইটি।আমরা সব সময় নিজের,আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধবের প্রকৃত কল্যাণের জন্য দুয়া করব ইনশাল্লাহ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০

    ব‌ই:দুআ কবুলের গল্পগুলো
    ________________________

    লেখক : রাজিব হাসান
    প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী
    বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
    মূল্য:২৮০ টাকা – ৩০% ছাড়= ১৯৬ টাকা

    আল্লাহ তায়ালা মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। একমাত্র দুআ’ই পারে ভাগ্য পরিবর্তন করতে।
    রাসূল (স:) ইরশাদ করেন,“দু’আ মূল ইবাদাহ”। দু’আ হলো মহান আল্লাহর নিকট কোনকিছু চাওয়া বা প্রার্থণা করা।

    ব‌ইটির বিষয়বস্তু
    ________________
    লেখক গল্পের মতো করে দুআ’র বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন।ব‌ইটিতে ৪৩টি গল্পের আকারে দুআর গুরুত্ব,প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়েছে।
    মহান আল্লাহ তায়ালা‌ আমাদের সৃষ্টি করেছেন, পরীক্ষার নিমিত্তে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন, কৃত গুনাহ মাফের জন্য কিংবা যে কোন প্রকারের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন। নবী রাসূলগণেরা যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহ তায়ালার কাছে দু’আ করতেন। যে কোন মুহুর্তে, যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে কোনকিছু চাইতে দ্বিধাবোধ করতেন না।
    আমাদের সব সময় আল্লাহর কাছে দু’আ করা উচিত।
    যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে দু’আ, যেকোন বিপদ-আপদে দু’আ, যে কোন সমস্যায় দু’আ, সুখের সময়ও দু’আ। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনায় দু’আ।
    আল্লাহ তায়ালা আমাদের সব কিছু দেখেন,সব কিছু শুনেন। আমরা সর্বদা গুনাহের কাজে লিপ্ত আছি।আর এই গুনাহ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র উপায় আল্লাহর কাছে দু’আ করা। বান্দা যত আমল, ইবাদত করুক না কেন, আল্লাহর রহমত ছাড়া সফলকাম হবে না, জান্নাতবাসী হবে না। আর আল্লাহর রহমত পেতে হলে আল্লাহর কাছে দু’আ করতে হবে, আল্লাহর কাছে চাইতে হবে। শুধুমাত্র তারই কাছে।

    আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপট খানিকটা ভিন্ন। অল্প কিছু মানুষ ছাড়া অধিকার মানুষ দু’আর সঠিক পদ্ধতি থেকে দূরে সরে গিয়েছে।
    উম্মতের অংশ আজ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। ∆একভাগ দু’আ করেনা বা করতে চায় না
    ∆একভাগ স্বীয় রব্বকে ভুলে সৃষ্টিকূলের কাছে মাথা ঠুকে
    ∆আর আরেকভাগ দু’আ করতে চাইলেও আত্ন-বিশ্বাস আর তাওয়াক্কুলের অভাবে কিংবা পদ্ধতি না জানার কারণে নিজে দু’আ করা থেকে বিরত থাকে

    অধিকাংশ মানুষ ফরজ ইবাদত ছাড়া নফল নামাজ,যিকর আজগার, আল্লাহর কাছে দু’আ করা বিশেষ কারণ বা দিন ছাড়া করে না।
    আল্লাহর রাসূল(স:) বলেন, “সবচাইতে হতভাগা হল সেই ব্যাক্তি যে দু’আ করে না”[সহিহ আল জামি’]

    আমাদের কোনকিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা কোন সমস্যায় পড়লে সর্বপ্রথমে আমরা সৃষ্টির কাছে ধরনা দেই। যখন একে একে সবগুলো প্রচেষ্টা ব্যার্থ হয়, ঠিক তখন আল্লাহর দিকে ফিরে আসি।
    অনেক সময় দু’আর হালই ছেড়ে দেই
    দু’আ করতেই চাই না, হতাশায় ভুগি।
    সকল প্রয়োজনে সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা’আলার কাছে সাহায্য চাওয়া,মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর তায়াক্কুল করে থাকা।
    অনেক মানুষ আছে,যারা আল্লাহ তায়ালার উপর তায়াক্কুল না করে দুর্বল সৃষ্টিকূলের দিকে ধাবিত হয়। আজকের দিনে এমন মানুষের অভাব নেই।
    অথচ তিনিই আল্লাহ্‌ যিনি আমাদের দু’আ কবুল করার ওয়াদা দিয়েছেন।
    বেশী বেশী দু’আ করতে বলেছেন।
    ছোট, বড় যাই হোক আল্লাহর কাছে দু’আ করতে হবে।
    আমাদের জীবনের এমন কোন কিছু কি আছে যা আল্লাহ ছাড়া আমাদের করার শক্তি আছে? আমরা কেন ভুলে যাই না চাইলে আমরা তা করতে পারব না। হউক তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, হউক বৃহদাকার।

    একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকেই সর্বদা ডাকতে হবে আমাদের, তার কাছেই চাইতে হবে সবকিছু। কোন কিছুর জন্য যে কোন পরিস্থিতিতে দু’আ করলে আল্লাহ তায়ালা খুশি হন।

    শয়তান আমাদের প্রতিনিয়ত ধোঁকা দিতেই থাকে। আমাদের অনেক পাপ কর্মে লিপ্ত করে। ফলে আমরা বিশ্বাস করি,আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কী আমার দু’আ কবুল করবেন?
    তিনি কী শুনবেন আমার মত এই পাপী কথা? সবার দু’আ কী কবুল হয় ?
    আমাদের বিশ্বাস নষ্ট করে দেয়। শয়তান আমাদের অন্তরে নানারকম প্ররোচনা দিতেই থাকে। তাদের তো কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন হয় না? এতদিন ধরে আল্লাহকে ডাকছি তবুও কোন ফল পাই না – নানা-রকমের ওয়াস-ওয়াসা আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রতিনিয়ত। এটাই মুলতঃ শয়তানেরনের ধোঁকা। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দয়া ও রহমত থেকে নিরাশ করার হাতছানি, কানাকানি, পেরেশানী ইত্যাদি শয়তানই করে থাকে।

    শেষ কথা
    ________
    আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহকে স্মরণ করলে, আল্লাহর উপর ভরসা করলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি শয়তানের। আমরা সাধারণ মানুষেরা জানি না ——–
    ∆কিভাবে দু’আ করতে হয়।
    ∆ কিভাবে ডাকলে আল্লাহ্‌ শুনেন, দু’আ কবুল করেন।
    ∆ দু’আ করার বিশেষ সময় এবং জায়গা আছে কিনা?

    অন্যদিকে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে ডেকে সাড়া পেয়েছে, জীবনের মোড় ঘুরে গেছে, চরম হতাশা ও বিপদের মুহুর্তে এক আল্লাহ্‌র উপর তায়াক্কুল করে ফল পেয়েছে
    সাধারণ মানুষের দু’আ কবুলের বিভিন্ন ঘটনার সম্ভার নিয়ে বই “দু’আ কবুলের গল্পগুলো” পড়ে দু’আর মাধ্যমে রবের সাথে কথা বলুন। আপনার সুবিধা অসুবিধা,প্রয়োজন, আনন্দ সব‌ই আল্লাহকে বলুন। দু’আ করে যা কিছু প্রয়োজন যেয়ে নিন আর যা মহান আল্লাহ দিয়েছেন তার শুকরিয়া করুন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ❀বই- ❝দু’আ কবুলের গল্পগুলো❞
    ◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉◉

    ∎ বইটি কী নিয়ে লেখা?
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    দু’আর মহিমা,দু’আর শক্তি,দু’আ কি-ই বা না করতে পারে……!!!
    এমন কিছু চমৎকার অবাক করে দেওয়া, দেশ-বিদেশের ভাই বোনদের সাথে ঘটে যাওয়া সত্যিকারের ঘটনা নিয়ে লেখা,….
    ❝দু’আ কবুলের গল্পগুলো❞

    ∎ শিক্ষনীয় বিষয় কী?
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    •দু’আ চেয়েই দু’আর ফল পাওয়ার জন্য অস্থির হওয়া যাবেনা,আল্লাহ এতে দু’আ কবুল করেন না।
    • আল্লাহর কাছে চাওয়া নিয়ে হতাশ হওয়া যাবে না।
    • ছোট ছোট বিষয়গুলোতেও আল্লাহর কাছে চাইতে হবে,হোক সেটা একটি জুতার ফিতাও।
    • আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে, নেক কিছু পাওয়ার জন্যে দু’আ করলে আল্লাহ অসম্ভব কিছুও সম্ভব করতে সক্ষম।
    • দু’আ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম।
    • আপনি পরিপূর্ণ ভাবে হেরে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দু’আ করতে থাকুন,আল্লাহ আপনাকে ফেরাবেন না,বিজয়ী করবেনই ঈন শা আল্লাহ!

    ∎ কাদের পড়তে সাজেস্ট করবো?
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    • যারা জীবনে হতাশ
    • জীবনে কোনো একটা হালাল কিছু পেতে চাচ্ছেন,কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না, তারা প্রেরণা পাবেন বইটি থেকে
    •আল্লাহর কাছে দু’আ তো করেন তবে দু’আ কিভাবে করতে হয় তার সঠিক পথটি আপনার জানা নেই, এই বইটি আপনার জন্যেও

    ∎ বেস্ট পার্ট কী?
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    আল্লাহর ওপর সবার চাইতে,সবথেকে বেশি ভরসা করার মতো একজন বান্দায় পরিণত করার মতো ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছেন এই বইটিকে মাশা আল্লাহ! This is the best part of the book actually.

    ∎ কিছু সমালোচনা–
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    আমার বই এর কপিটার কিছু অংশের ছাপা বাদ পড়েছে তাই কিছু গল্প পড়া অসমাপ্ত রয়ে গেছে,এছাড়া টুকটাক বানান ভুল আছে যা আশা করি পরবর্তী সংস্করণে ঠিক করা হবে,ঈন শা আল্লাহ!

    ∎ মন্তব্য
    ▔▔▔▔▔
    আমরা আসলে দু’আ করা নিয়ে চরম পর্যায়ের অলস। কিছু মুখস্থ বাক্য বলে আমিন বলে মুখে ডলে ফেলতে পারলেই যেন বাচিঁ এমন একটা ভাব।

    আমরা এটা তো চাই যে আল্লাহ আমাদের দু’আ কবুল করুক কিন্তু এর জন্য আমাদের রবকে যেভাবে ডাকতে হবে তা নিয়ে প্রচুর আলসেমি আর এক প্রকার অমনোযোগীতা আমাদের মধ্যে।

    ….বইটি পড়ার পর আপনার ভেতরের এই দিকটার অন্তত উন্নতি হবে এবং রবের কাছে চাওয়ার ব্যাপারে, তাকে রাজি খুশি করার ব্যাপারে আরও কি কি টেকনিক অবলম্বন করা যায় এ ব্যাপারে মনযোগী হবেন আশা করা যায়….ঈন শা আল্লাহ!

    বই এর লিংক-https://www.wafilife.com/shop/books/dua-kobuler-golpo-gulo/

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ, এই বইটি পড়ে দু’আ করার ইচ্ছা কয়েক শত গুন বেড়ে গেল। দু’আ একটি ইবাদত। দু’আ মানে চাওয়া, প্রার্থনা করা। একমাত্র আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার মাধ্যমে আমরা আল-কোরানের (১ঃ৪) আয়াতকে অনুসরণ করা হয় । কিন্তু আমরা যদি আল্লাহর কাছে না চেয়ে মৃত ব্যক্তির কাছে বা মাজারে চায় তখন সেটা ইবাদত হয়ই না বরং শিরক হয় অর্থাৎ কবিরা গুনাহ হয়। তাই আমাদের উচিত দু’আ করা এবং হতাশ না হয়ে সবর করা। সবরের গুনটি কে উজ্জীবিত করতে বক্ষমান বইটির তুলনা নেই।
    বক্ষমান বইটিতে ৪২ টি দোয়া কবুলের বাস্তব কাহিনী আছে । যেগুলো পড়ে আমি অভিভূত হয়েছি। তার মধ্যে অন্যতম হলো:
    # নষ্ট গাড়ি ,ফিরল বাড়ি
    # আয়াতুল কুরসি
    # তাওয়াক্কুল-প্রদীপ জ্বলে পানিতে
    # ৩২ বছরে ৩২ হাজ্জ্ব
    # তাওয়াক্কুল-মুক্তার নেকলেস
    #মুফতি মেংক-এর একদিন

    দোয়া কবুলের গল্পগুলো বইটিতে দোয়া কবুলের টিপস অবস্থান ক্ষেত্র ও সময় উল্লেখ রয়েছে যেগুলো জেনে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি।

    Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    মহান আল্লাহতা’লার কাছে কোনো কিছু চাচ্ছেন, চেয়ে হয়তো অধৈর্য্য হয়ে যাচ্ছেন কখনো, যে আপনার দু’আ কবুল হয় না ক্যানো? কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি আপনি দু’আ করার নিয়মকানুন জানেন কিনা? সেসব মেনে দু’আ করছেন কি না?

    বইটিতে দু’আ কবুলের মোট ৪৩টি গল্প বলা হয়েছে। আসলে গল্প নয়, বরং এগুলো মুমিনের জীবনের বাস্তব ঘটনা। আল্লাহকে ডেকে যারা সাড়া পেয়েছেন, জীবনের মোড় ঘুরে গেছে, চরম হতাশা ও বিপদের মুহূর্তে এক আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে ফল পেয়েছেন যারা, তাদের জীবনের সেই ঘটনাগুলোই সংগ্রহ করে প্রকাশ করা হয়েছে এই বইটিতে। এবং ঘটনাগুলোর কোনো কোনোটা এতটাই অলৌকিক যে আপনার হয়তো বিশ্বাসই হতে চাইবে না।

    * ‘হোটেল ম্যানেজার’ গল্পটি পড়লে দু’আ যে আসলে কতটা শক্তিশালী অস্ত্র মুমিনের জন্য, সেটা উপলব্ধি করা যায়।
    * ‘মরোক্কো থেকে মক্কা’ গল্পে এক বোনের জীবনের ঘটনা উঠে এসেছে, যিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের বড় বড় ডাক্তাররা বলে দিয়েছিলেন যে, তিনি আর বেশি দিন বাঁঁচবেন না।কষ্ট আর হতাশায় আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন তিনি। তারপর আল্লাহর রহমতে পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন। অতঃপর ডাক্তাররা তাঁকে দেখে বলতে বাধ্য হয়েছেন “আপনার ব্যাপারটা রহস্যে ঘেরা”।
    * ‘এ জার্নি বাই ঈমান’ গল্পে উঠে এসেছে এক বোনের ঘটনা, যাকে সব বড় বড় ডাক্তাররা বলে দিয়েছিলেন যে, তিনি কোনোদিনই মা হতে পারবেন না।তিনি এবং তার স্বামী মোটেও কোনো প্রাক্টিসিং মুসলিম ছিলেন না। সবদিক থেকে হতাশ হয়ে তারা আল্লাহর রাস্তায় ফিরে এসেছেন এবং মহান আল্লাহতা’লা তাদের নিরাশ করেননি। এক সাথে ৩ সন্তান গর্ভে ধারণ করেছেন তিনি।
    * ‘কা’বার কালো ইমাম’ গল্পে আপনি মায়ের দু’আর অলৌকিক ক্ষমতা আরও একবার দেখতে পাবেন।
    এছাড়া যে গল্পগুলো আমাকে খুব বেশি ছুঁয়ে গেছে সেগুলোর শুধু মাত্র নামগুলো উল্লেখ করছি – ‘অটুট বন্ধন’, ‘উত্তম প্রতিদান’, ‘হালাল খাবারের খোঁজে’, ‘আয়াতুল কুরসী’, ‘এমন স্ত্রী কজনের হয়’, ‘কে আমার বন্ধু’, ‘অবশেষে আব্দুল্লাহ’, ‘তাওয়াক্কুল-প্রদীপ জ্বলে পানিতে’, ‘হাতিম আর তার মেয়ে’, ‘আফ্রিকার আকাশে আলোর মেঘ’, ‘তারা তিনজন ও এক দুঃখিনী মা’ এবং ‘এক মজলুমের দু’আ’। এগুলোর কোনোটা পড়ে মনের অজান্তেই হয়তো আপনি বলে উঠবেন ‘আল্লাহু আকবার’, কোনো আপনার চোখের কোণে অশ্রু জমা করবে।

    এছাড়া বইয়ের শেষে ‘দু’আ কবুলের ১৪টি টিপস’, ‘দু’আর ১৭টি আদব’, ‘দু’আ কবুলের ২৮টি স্থান, ক্ষেত্র ও সময়’ – এগুলো যুক্ত করা হয়েছে, যা প্রত্যেকের জন্য উপকারী হবে।
    প্রতিটি গল্পে প্রচুর রেফারেন্স দেয়া হয়েছে কুরআন ও হাদীস থেকে, যা আপনাকে মহান আল্লাহতা’লাকে ডাকতে, তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে উৎসাহিত করবে।

    বইটিতে বেশ কিছু টাইপিং-এর ভুল আছে, যা ছোটখাটো হলেও চোখে পড়ার মতো। পরবর্তী সংস্করণে প্রকাশণী এদিকে মনোযোগ দেবে আশা করছি।
    আরেকটা বিষয় উল্লেখ করার প্রয়োজন মনে করছি – প্রতিটি গল্পে যে সকল কুরআনের আয়াত আর হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে, ফুট নোট আকারে সেগুলোর রেফারেন্স দেয়া হয়েছে গল্পের শেষে। সেটা শেষে না দিয়ে প্রতি পৃষ্ঠার নিচেই দিয়ে দিলে বোধোয় পাঠকের পড়তে বেশি সুবিধা হতো।

    আপনি যদি কোনো সমস্যায় পড়ে যান, মহান আল্লাহর সাথে কথা বলুন।আল্লাহতা’লা চাবি ছাড়া কোনো তালা তৈরি করেননি। সমাধান নেই এমন কোনো সমস্যায় তিনি আমাদের ফেলেন না। আর আমরা যদি আল্লাহর সাথে কথা বলতে চাই তাহলে আমাদের দু’আ করা উচিৎ।শুধু সিজদায় বা হাত তুলে নয় বরং হাটা-চলা, ভ্রমণ-সফর যেখানে যে অবস্থাতেই থাকি না কেন দু’আ করাটা খুবই প্রয়োজন আমাদের।
    আর দু’আর নিয়ম-কানুন সহজে আর বিস্তারিত ভাবে জানতে চাইলে পড়ে ফেলুন এই বইটি, যা আপনাকে এগুলো জানানোর পাশাপাশি দু’আর ক্ষমতা সম্পর্কেও আরেকবার জানিয়ে দেবে।

    – ওয়াহিদা আখতার ছাননা

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ, এই বইটি পড়ে দু’আ করার ইচ্ছা কয়েক শত গুন বেড়ে গেল। দু’আ একটি ইবাদত। দু’আ মানে চাওয়া, প্রার্থনা করা। একমাত্র আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার মাধ্যমে আমরা আল-কোরানের (১ঃ৪) আয়াতকে অনুসরণ করা হয় । কিন্তু আমরা যদি আল্লাহর কাছে না চেয়ে মৃত ব্যক্তির কাছে বা মাজারে চায় তখন সেটা ইবাদত হয়ই না বরং শিরক হয় অর্থাৎ কবিরা গুনাহ হয়। তাই আমাদের উচিত দু’আ করা এবং হতাশ না হয়ে সবর করা। সবরের গুনটি কে উজ্জীবিত করতে বক্ষমান বইটির তুলনা নেই।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  7. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আমরা জানি, দু’আ মুমিনের অস্ত্র। আবার,দু’আ একটি ইবাদত। দু’আ করলে আল্লাহ খুশি হন, কারণ আল্লাহর ভান্ডার অফুরন্ত ;তিনি তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য ভান্ডার উজার করে দিতে চান। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আমাদের দু’আ কবুল হচ্ছে না,কিংবা আমরা শুধু বিপদে পড়লেই দু’আ করি। এটা ঠিক নয়।বান্দার দু’আ একটি গতিশীল প্রক্রিয়া। কখনো দু’আ সাথে সাথে কবুল হয়, কখনো বিলম্বে কিংবা প্রতিদান আখিরাতের জন্য তুলে রাখা,আল্লাহ ভাল জানেন গায়েবি ব্যাপারে।
    এই বইটিতে দু’আ কবুল হওয়ার কিছু অসম্ভব বাস্তব ঘটনার বর্ননা রয়েছে, যা আমাদের আল্লাহর প্রতি ভরসা ও মহাব্বত অনেকগুন বাড়িয়ে দিবে, ইন শা আল্লাহ।

    বইটির কিছু পজিটিভ দিক
    বইটি আপনাকে দু’আ করার মহিমা বুঝতে সাহায্য করবে,
    দু’আ কবুলের জন্য বেশি বেশি আল্লাহর জিকির, ইস্তেগফার ও সালাত আদায়ের দিকে আগ্রহ তৈরি করবে,
    তাকওয়া বৃদ্ধি করবে, ইন শা আল্লাহ,
    দু’আ জীবন পরিবর্তন করতে সক্ষম সেটা অনুধাবন করাবে,
    দয়ালু ও ধৈর্য্যশীল হতে শিখাবে,
    কিছু ক্ষেত্রে নিজের জীবনের সাথেও মিল পেতে পারেন,
    বইটা সহজে বহনযোগ্য,
    সহজ-সরল ভাষায় লিখা,
    অনুবাদ করা ভাল হয়েছে।

    বইটির খারাপ দিকঃ
    খারাপ দিক নেই, বরং যারা দু’আ করতে ভালবাসেন, তাদের জন্য এই বই নিয়ামত স্বরূপ। আলহামদুলিল্লাহ।

    বইয়ের কিছু বিশেষ দিকঃ
    বইতে দু’আ কবুলের কিছু টিপস, আদব, স্থান, ক্ষেত্র ও সময় যুক্ত করা হয়েছে। আল্লাহ চাইলে,সবার উপকারে আসবে, আশা করি।

    যে কথা না বললেই নয়…
    বইটি নিজের মা বাবা বেঁচে থাকলে, উপহার দিতে পারেন। যেহেতু, সন্তানের জন্য মা বাবার দু’আ কবুল হয়।
    মুসলিম ঘরে ঘরে এমন বই থাকা জরুরি। শুধু দরকারে নয়, সর্বদা দু’আর উপরে থাকা উচিত, এই ফিতনার যুগে। বইটিতে বর্ণিত কিছু ঘটনা পড়ে, চোখে পানি চলে আসবে। সত্যি, আল্লাহ ব্যতীত কোন অভিভাবক আমাদের নেই। উনার ইচ্ছা ব্যতীত কিছু হয়না।ইয়্যা কানা বুদু, ওয়া ইয়্যা কা নাস্তাঈন…

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  8. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Got a lot of inspiration from this book’s stories. Jazak Allah khairan.
    Was this review helpful to you?
  9. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    মাশাআল্লাহ্
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  10. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আপনার সকল চাওয়া/পাওয়ার জন্য সমস্ত প্রচেষ্টা যেখানে শেষ, আপনি হতাশ, যেনে রাখুন মহান রবের অনুগ্রহ সেখান থেকে কেবল শুরু!

    আস্থা এবং ভালবাসায় আল্লাহকে ডাকুন, তাঁর নিকটে থাকুন, হতাশ হতে হবে না।

    বিস্তারিত:- দুআ কবুলের গল্পগুলো।

    8 out of 8 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  11. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    চমৎকার বই।লেখককে অন্তরের অন্তঃস্থান হতে ধন্যবাদ—
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?