মেন্যু


বাইতুল্লাহর ছায়ায়

প্রকাশনী : দারুল কলম

প্রাচীনতম ঘর বাইতুল্লাহ। প্রাচীন বাসস্থান জান্নাতেরই ছায়া বিস্তার করে শীতল করে আজ তা মুমিনের হৃদয়। দিল প্রশান্ত হয়, অন্তর ঠাণ্ডা হয়, হৃদয় উদ্বেলিত হয় রহমতের সে ছায়ায়…। অন্যদিকে তার বিরহ-বিয়োগব্যথায় মন হয়ে ওঠে মরুর পোড়া বালি যেন। প্রেমের সে আবেগ-ভালবাসা, পাওয়ার উচ্ছ্বাস-আনন্দ আর বিরহে বেদনাময় ফিরে-ফিরে তাকানোর গল্পগুলো জানতে পড়ুন এই বই।
এছাড়াও বাইতুল্লাহ ও হজের আদব, আল্লাহ ও রাসুলের প্রতি প্রেমপাঠ, মহান রবের প্রতি শুকরের প্রকৃতি ও আকৃতি, তার প্রতি লালনীয় বিশ্বাসসমূহ, মনুষ্যত্ব-মানবতা ও মুসলমানদের নানান আত্মিক খোরাক, সুস্থ চেতনা, সুক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, বড়দেরকে অনুসরণ-অনুকরণ এবং তাদের থেকে বরকত লাভের পদ্ধতিসহ উঠে এসেছে বইটিতে।
একজন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভাল রকমের আলেমও ইন শা আল্লাহ এর পাঠে ফায়দাবিহীন অবস্থায় উঠে যাবেন না। সহজ ধরণের কথাও যে হৃদয়ে কত গভীর দাগ কেটে যেতে পারে, এই বইটি পড়লে তা বুঝতে পারবেন।

পরিমাণ

200 

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
প্রসাধনী
- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

1 রিভিউ এবং রেটিং - বাইতুল্লাহর ছায়ায়

5.0
Based on 1 review
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    প্রাচীনতম ঘর বাইতুল্লাহ। প্রাচীন বাসস্থান জান্নাতেরই ছায়া বিস্তার করে শীতল করে আজ তা মুমিনের হৃদয়। দিল প্রশান্ত হয়, অন্তর ঠাণ্ডা হয়, হৃদয় উদ্বেলিত হয় রহমতের সে ছায়ায়…।

    বই টি পড়ার সময় মনে বার বার একটি কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে,, হে আল্লাহ, তুমি আমাদের আরশের ছায়া দান করো, সেইদিন যখন আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবেনা৷

    লেখক তার সমস্ত আবেগ দিয়ে বইটি লিখেছেন। বইটি পড়লে মনে হয় সবকিছু যেন নিজের চোখের সামনে ঘটছে। অজান্তেই একসময় ভিজে উঠে চোখের পাতা। বইয়ের প্রতিটি পাতায় রয়েছে প্রচুর শিক্ষনীয় বিষয়। বইটির পাতায় পাতায় তিনি সাহিত্যের যে মায়াজাল বুনে গিয়েছেন তা সাহিত্যপ্রেমী পাঠককে এক প্রশান্তিময় সুখ দান করে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, বাংলা সাহিত্যের বিচারেও বইটি একটি অনন্য সংযোজন ও চিরভাস্কর।

    বই টি ভ্রমণকাহিনী ।হজ্জ্বের সফরের সফরনামা।গল্প উপন্যাস ছাড়া অন্য কোন বই যে পাঠককে এতো প্রবলভাবে টানতে পারে এই বই টি না পড়লে কখনোই বুঝতাম না। বই টিতে যেমন আছে অভিনব সাহিত্য তেমনি আছে তথ্য ও তত্ত্ব ।লেখকের বর্ণনাভঙ্গি উপমা এতটাই মনোমুগ্ধকর যে বিস্ময়ে বাক অবাক হতবাক হয়ে যেতে হয়।শব্দচয়ন বাক্যগঠন এতোটাই সুদৃঢ় এবং শক্তিশালী যে মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়তে হয়, পড়ে যেতে হয়।মনে হয় প্রত্যেকটা শব্দ যেন একেকটা ফুল।প্রত্যেকটা বাক্য ফুলমালা ।আর বই দুটি ফুলের সম্ভার।
    বইটি পড়া অবস্থায় কখনো নিজেকে আবিষ্কার করেছি যে আমি কাঁদছি।কেঁদে কেঁদে পড়ছি।পড়তে পড়তে কাঁদছি।কখনো অনুতাপের কান্না, কখনো কষ্টের।আবার কখনো হাসছি।হেসে হেসে পড়ছি।পড়তে পড়তে হাসছি।কখনো প্রাপ্তির হাসি , কখনো আনন্দের।

    ❏ বইটি কেন পড়বেন বা অন্যকে উৎসাহিত করবেনঃ-
    —————————————————————————
    ‘বায়তুল্লাহর ছায়ায়’ এককথায় অসাধারণ। এ এক জীবন্ত হজ্বের সফর নামা । বইটি পড়ে নূরের আভায় আলোকিত এক জগতে প্রবেশের আমন্ত্রণ। বইটি যেমন সাহিত্যরসে পূর্ণ তেমনি আধ্যাত্মিকতায় পরিপূর্ণ। বইটি যারা পড়বে তাদের হৃদয়ে আলাদা এক স্বর্গীয় অনুভুতি জাগ্রত হবে। কখনো কাঁদাবে, কখনো হাসাবে। কখনো প্রাপ্তি লাভ করবে, কখনো বা চোখ থেকে অনুতাপের অশ্রু ঝরবে।

    প্রিয় লাইন-
    এ চাঁদ যার, এ জোসনা যার, তুমি তাঁর, তিনি তোমার।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No