মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

সালাফদের ইলমী শ্রেষ্ঠত্ব ( আবদুল্লাহ আল মাসউদ)

পরিমাণ

90.00  120.00 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - সালাফদের ইলমী শ্রেষ্ঠত্ব ( আবদুল্লাহ আল মাসউদ)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলোর উৎসের যতো কাছাকাছি থাকা যায়, আলোকিত হবার সম্ভাবনা ততোই প্রবল হয়৷
    প্রত্যাদিষ্ট আসমানী বা ঐশীজ্ঞানের প্রেক্ষিতে দুনিয়ায় এ আলোর উৎস ছিলেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ- যিনি ঐশী আলোর মহিমান্বিত শিখাকে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন পুরো হিজায জুড়ে। জাহিলিয়াতের আঁধারে নিভে থাকা একেকটি অন্তর এই পবিত্রতম রোশনির স্পর্শে পরিণত হলো একেকটি দেদীপ্যমান প্রদীপে।

    কী ছিলো না সে আলোকরূপী জ্ঞানে! তাসাউফ, তাযকিয়া, ইসলাহ, যুহদ- ঐশী ইলমের এমনতর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের সাথে ছিলো এক অনন্য শক্তি, যার প্রকৃষ্ট গতির বলেই সে আলো পরিকীর্ণ হলো সবখানে। রাসূলুল্লাহ ﷺ এঁর সরাসরি সংস্পর্শে এসে ঋদ্ধ হলেন সাহাবায়ে কেরামগণ। তারপর তাবেঈগণ। তারপর তাবে-তাবেঈগণ।

    ঈমানী দ্যুতি, তেজ আর পরাকাষ্ঠা পরপর তিনটি প্রজন্মকে করলো শ্রেষ্ঠতর। আর এ শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম অনুষঙ্গ আসমানী ইলমের অসামান্য প্রভাবে তাঁরা পৌঁছলেন অনন্য এক উচ্চতায়। ইলমী আলোচনা-পর্যালোচনার রোশনাই এভাবেই ছড়িয়ে পড়লো মাসজিদে নববীর বারান্দা থেকে পুরো দুনিয়াতে।

    অতঃপর সময়ের বহমানতায় খাইরুল কুরূনের সমাপ্তি ঘটলো৷ এলো নতুন যুগ, নতুন সময়। সালাফদের বর্ণিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের পাশাপাশি এলো নতুন যুগের উলামায়ে কেরামগণের ব্যাখ্যা৷ চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয় কী না! তাই সালাফে সালেহীনগণের ব্যাখ্যার চাইতে কেউ কেউ নতুন যুগের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণকে উত্তম জ্ঞান করতে লাগলেন।

    নববী জ্ঞানের দ্যুতিময় স্পর্শে ধন্য যাঁরা, ইলমী ব্যাপারে তাঁদেরকে উপেক্ষা করে পরবর্তী যুগের ব্যাখ্যাকে প্রাধান্য দেয়া বা উত্তম মনে করবার এ অপচেষ্টার জবাব হিসেবে সে যুগের উলামায়ে কেরামগণই প্রথম কলম ধরলেন। তেমনই এক প্রচেষ্টা হিসেবে ইলমী জগতে সালাফগণের শ্রেষ্ঠত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ) রচনা করেন প্রামাণ্য এক পুস্তিকা- যার অনূদিত রূপই হলো “সালাফদের ইলমী শ্রেষ্ঠত্ব” বইটি।

    পুস্তিকাটিকে সালাফগণের ইলমী শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ-পত্রিকা বললে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। সালাফগণের ইলমী নীতি, ইলমী আলোচনার বিভিন্ন বিষয়বস্তুতে তাঁদের অভিব্যক্তি, তাঁদের দৃষ্টিতে ইলমের শ্রেণিবিভাগ ও তার বর্ণনা, শ্রেণিভেদে ইলম অর্জন কিংবা পরিত্যাগের লাভ-ক্ষতি, নতুন কোন ইলম সম্পর্কে তাঁদের সতর্কতা ইত্যাকার নানান আলোচনা যথার্থভাবে উঠে এসেছে আলোচ্য বইটিতে।

    ইলমী তর্ক-বিতর্কে কেন সালাফদের অনীহা ছিলো আর কেনইবা কথাবার্তায় তাঁরা মিতাচারী ছিলেন ইত্যাদি বিষয়ও বিবৃত হয়েছে বইটিতে। পরিশেষে “আলেমদের কর্তব্য” শীর্ষক একটি আলোচনার মাধ্যমে বইটির সমাপ্তি ঘটেছে।

    বইটির অনুবাদ ও ভাষারীতি ঝরঝরে, প্রাণবন্ত। রেফারেন্স সহকারে পর্যাপ্ত আরবি এবারত দেয়া আছে। নিতান্ত অল্পসংখ্যক মুদ্রণপ্রমাদ ব্যতীত লক্ষণীয় কোন অসঙ্গতি চোখে পড়েনি।

    ত্বলাবা থেকে উলামা- সবার জন্যই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ বইটি ইলম গ্রহণ-বর্জনের ক্ষেত্রে যেমনি একটি সীমারেখা তৈরি করবে, তেমনি প্রাধান্য দেয়া কিংবা না দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দেশ করবে যথাযথ মানদণ্ড। দ্বীনি বুঝ প্রাপ্তির পর যারা দ্বীনি পড়াশোনা করছেন, তাদের জন্যেও একটি আদর্শিক স্বর্ণমান হিসেবে বইটি ভূমিকা রাখবে ইনশা আল্লাহ।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Khub e valo maner boi.
    Boita porle elm abong amoler proti monojog bare.
    0 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?