মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

আসহাবে বদরের জীবনকথা

অনুবাদ: মাওলানা সিরাজুল ইসলাম 
পৃষ্ঠা: ৬৭২

কারো হাতে অস্ত্র আছে, কেউ সম্পূর্ণ খালি হাতে, অধিকাংশের পায়ে জুতো নেই, নেই পর্যাপ্ত উট আর ঘোড়া। অপরদিকে শত্রু বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে হাজির। সংখ্যায় দ্বিগুণেরও বেশি দেখা যাচ্ছে। বিজয়ের ধ্বনি গেয়ে এগিয়ে আসছে দ্রুত বেগে রক্তপিপাসু দল। এমতাবস্থায় আপনি কী করতেন? আমরা কি পারতাম এমন যুদ্ধে স্থির দাঁড়িয়ে থাকতে, চোখের সামনে মৃত্যু দেখেও?

সাহাবিগণ পেরেছিলেন, বদর যুদ্ধের সেই দিনে তাঁরা রচনা করেছিলেন ইসলামের এক নতুন ইতিহাস। আর তাই কুরআনের ভাষায় দিনটিকে বলা হয় يوم الفرقان অর্থাৎ সত্য-মিথ্যা পার্থক্যকারী দিন। এদিন পাঁচ হাজার ফেরেশতা এতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, ফলে আসমানের ফেরেশতাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা হবার মর্যাদা তাঁরা পেয়েছিলেন। সেইসাথে যে ৩১৩ জন সাহাবীরা এতে অংশগ্রহণ করেছিল, তাঁরা হয়েছেন দুনিয়া-বাসীদের মাঝে সেরা।

বদর যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের জীবনীতে রয়েছে মুসলিমদের জন্য মূল্যবান শিক্ষা, বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে যখন কিনা মুসলিমরা সবদিক থেকে কোণঠাসা। তাই মাকতাবাতুল ফুরকান নিয়ে এসেছে ৩১৩ জন বদরী সাহাবীদের জীবন বৃত্তান্ত নিয়ে রচিত একটি অনবদ্য গ্রন্থ ‘আসহাবে বদরের জীবনকথা।’

এতে বদর যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে, সেই সাথে এতে অংশগ্রহণকারী ৩১৩ জন সাহাবীদের সংক্ষিপ্ত জীবনী আলোচিত হয়েছে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায়।

পরিমাণ

540.00  980.00 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - আসহাবে বদরের জীবনকথা

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ইসলামের ইতিহাসে স্বর্ণোজ্জ্বল এক যুদ্ধের নাম বদর যুদ্ধ। যে যুদ্ধে নবী (স:) নেতৃত্বে মুশরিক বাহিনীর তুলনায় সামান্য কিছু সৈন্য নিয়েও মুসলিমরা জয়লাভ করেছিল। কাপিয়ে দিয়েছিল জালিমের মসনদ। ইসলামের সম্মান ও মর্যাদা এই যুদ্ধের মধ্যদিয়েই প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করে। এই জয়লাভের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল রাসূল (স:) এর নেতৃত্ব ও সাহাবীদের আত্মত্যাগ। ঐতিহাসিক সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের জীবনগাথা নিয়েই অন্যতম একটি বই হলো “আসহাবে বদরের জীবনকথা”। বইটি যৌথভাবে লিখেছেন মাওলানা সুলায়মান সালমান মানসুরপুরি ও মুফতি মুহাম্মদ আসগর কাসেমি। অনুবাদ করেছেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।
    .
    ➤ সার-সংক্ষেপ:-
    বইয়ের শুরুতে ঠিক কি কারনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং যুদ্ধের শেষ পরিনতি কি হয়েছিল সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সকল কিছুই লেখা হয়েছে বইটি তে যা পাঠকদের এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে ।
    বইয়ের শুরুতে বদর সবিস্তারে যুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এরপর বদর যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সাহাবীদের জীবনী তুলে ধরেছেন। যদিও বিশুদ্ধ মতে বদরযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের সংখ্যা ৩১৩ জন। কিন্তু বেশকিছু সাহাবীদের অংশগ্রহণ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। যার ফলে এই সংখ্যা চারশো ছাড়িয়ে গেছে।
    প্রত্যেক সাহাবীর ক্ষেত্রে জন্ম, ইসলাম গ্রহন ও যুদ্ধে অংশগ্রহণ, ইসলামে তার অবদান, শাহাদাত বরণ/ইন্তেকাল ইত্যাদি বিন্যাসের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জীবনী তুলে ধরা হয়েছে।
    বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রথমে আশারায়ে মুবাশারা অর্থাৎ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীর জীবনী নিয়ে আলোচনা করেছেন। পরে অন্যান্য সাহাবীদের জীবনী বাংলা বর্ণানুক্রমে সাজানো হয়েছে।
    .
    ➤ যা কিছু ভালো ছিল:-
    ১। আকর্ষণীয় প্রচ্ছদ।
    ২। পৃষ্ঠাসজ্জা ও বাধাই।
    ৩। সহজ, সাবলীল অনুবাদ।
    ৪। বইয়ের শুরুতে বদর যুদ্ধের ময়দানের রঙিন ছবি সংযুক্তকরণ।
    .
    ➤ ব্যক্তিগত অনূভুতি:-
    এতদিন রাসূল (স:) এর জীবনী পড়েছি বিভিন্ন সীরাত গ্রন্থ থেকে। সেখানে বদর যুদ্ধের বর্ণনা পড়লেও সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীরযোদ্ধাদের সবার জীবনী পড়া হয়নি কখনো। এই বইটির মাধ্যমে সকল বদরী সাহাবীর জীবনী পড়ে বেশ পুলকিত অনুভব করছি। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ “আসসহাবে বদরের জীবনকথা” বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন সাহাবীগণ শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ইসলামের পক্ষে আজীবন অতিবাহিত করেছেন।
    Was this review helpful to you?