মেন্যু
allahor proti shudharona shobdotoru

আল্লাহর প্রতি সুধারণা (শব্দতরু)

প্রকাশনী : শব্দতরু

অনুবাদ : হাসান মাহমুদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩২ (পেপার ব্যাক কভার)

ড. ইয়াদ কুনাইবী কে আল্লাহ তাআলা মানুষের মনস্তত্ত্ব উপলব্ধি করার যোগ্যতা দিয়েছেন। সাথে কুরআন-হাদিসের নিগূঢ় রহস্য ও যোগসূত্র উদ্ধার করার অভাবিত ইলমি যোগ্যতাও আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। যে বিষয়ে কলম ধরেন, তাতে অভিনবত্ব সৃষ্টি করেন। বলেন ও লেখেন অনেকেই; আর প্রত্যেকেরই নিজস্বতা রয়েছে। তবে ড. ইয়াদ কুনাইবীর স্বকীয়তা অনন্য সাধারণ। জটিল কোনো বিষয়ও পাঠককে একেবারে জলবৎ তরলং করে বোঝানোর সক্ষমতা আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। এই গ্রন্থেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। এই বিষয়ে আরো অনেকেই বলেছেন, লিখেছেন; তবে তাঁর চিন্তা ও কুরআন-হাদিসের গবেষণালব্ধ মর্মের নির্যাস পাঠককে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

বিপদে ধৈর্যধারণ কেনো করবো? কিভাবে পাহাড়সম মুসিবত মাথায় নিয়েও শান্ত-স্থির থাকতে পারবো? বিপদে পড়ে আমরা হতাশায় ভুগি, এ থেকে কিভাবে বাঁচতে পারবো? সর্বোপরি এই বিপদকে রবের নিয়ামত হিসেবে উপভোগ করবো কিভাবে? এইসব বিষয়সহ আরও নানান বিষয়ের সমাধান দারুণভাবে আলোচনা করেছেন তিনি।

এই বই পড়তে গিয়ে মনে হবে, আপনি এমন একজন শাইখের আলোচনা শুনছেন, যিনি কখনো আত্মশুদ্ধির নসিহত করছেন তো কখনো ঈমান জাগানিয়া হৃদয়গ্রাহী বয়ান করছেন। কখনো মোটিভেশনাল লেকচার দিচ্ছেন। আর এইসব আলোচনাকে তিনি যেনো একসূত্রে গেঁথে দিচ্ছেন। আর তা হচ্ছে, রবের সাথে আপনার বন্ধন। এই বন্ধন যতো দৃঢ় হবে, রবের প্রতি সুধারণা ততো সংহত হবে। আর আপনি এর স্বর্গীয় স্বাদ উপভোগ করে ধন্য হবেন। তখন দুনিয়ার এইসব বিপদ-মুসিবতকে থোড়াই মনে হবে।

পরিমাণ

216  300 (28% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

4 রিভিউ এবং রেটিং - আল্লাহর প্রতি সুধারণা (শব্দতরু)

5.0
Based on 4 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    “আল্লাহর প্রতি সুধারণা” বইটি পড়ে মনে হচ্ছিল যেন আমার জন্যই লিখা হয়েছে।মন ছুঁয়ে গেছে এই বইয়ের এক একটি গল্প।কিছু না হলেও অন্তত আল্লাহর প্রতি সর্বাবস্থায় আস্থা রাখার শিক্ষা পেয়েছি।বিপদকে কিভাবে নিয়ামতের মতো উপভোগ করা যায় সে শিক্ষা পেয়েছি।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    জীবন নামক এই পরীক্ষায় প্রায়শই আমরা মুখোমুখি হই নানা বিপদ-আপদের। জয়-পরাজয় দুটোই জীবনের বাস্তবতা, তবে আমরা পরাজয় মেনে নিতে পারিনা। আমরা একটু অপেক্ষা করে বিজয় অর্জন করতে চাইনা। ছোটখাটো ব্যর্থতায় আমরা ধৈর্য হারিয়ে হতাশ হয়ে দোষারোপ করতে থাকি আল্লাহ কে। এদিকে তকদিরের প্রতি অসন্তুষ্টি আর রবের প্রতি অনাস্থার সুযোগ কে কাজে লাগিয়েই শয়তান ধোঁকায় ফেলে আমাদের।

    শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে আমরা ভুলে যাই বিপদে সবরের সাথে আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখার কথা। বিপদ কখনো কখনো আল্লাহর পক্ষ থেকে কল্যাণ বয়ে আনতে পারে – এইটুকু বিশ্বাসও হারিয়ে ফেলি আমরা। আর এভাবেই শুরু রবের সাথে দূরত্ব সৃষ্টির গল্প, অন্তরের অস্থিরতা।

    আল্লাহ সুবহানা ওয়া তা’আলা সম্পর্কে সুধারণা পোষণ করে, বিপদে-আপদে সবরের মাধ্যমে তার সকল ফয়সালা মেনে নিয়ে রবের সাথে আমাদের বন্ধন কে মজবুত করতে লেখক ড.ইয়াদ কুনাইবীর “হুসনুয যন বিল্লাহ” বইটি। দিক-নির্দেশনামূলক এই বইটির বাংলা অনুবাদ “আল্লাহর প্রতি সুধারণা” শিরোনামে উপহার দিচ্ছে শব্দতরু প্রকাশনী।
    ড. ইয়াদ কুনাইবীর অসাধারণ লেখনীর যা কিছু বই সম্পর্কে ইতোমধ্যে পড়েছি, তার মধ্যে এ বইটি অন্যতম। বইটির বিষয়বস্তু সত্যিই বর্তমান এই মুহুর্তে অনেক জরুরী মুসলিমদের জন্য। তাই পাঠক হিসেবে আমি আশা করছি শব্দতরুর এই মূল্যবান বইটি পাঠকদের উপকৃত করবে।

    বইটিতে লেখক বিপদে-আপদের পরীক্ষায় কীভাবে ধৈর্যধারণ করে তাকে পুরস্কারে পরিবর্তন করব এবং কীভাবে এই বিপদ কে নিয়ামতে রূপান্তর করতে পারব, সকল পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি কে ইতিবাচক রাখা যাবে তা তুলে ধরেছেন। এছাড়াও আল্লাহকে শর্তমুক্তভাবে ভালবাসা, তকদিরের প্রতি সন্তুষ্টির মাধ্যমে আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার এক সুন্দর মাধ্যম লেখকের এই বইয়ে পাওয়া যায়। তাছাড়া তার কঠিন বিপদে সবর রাখার বিষয়টি পাঠক কে অনুপ্রাণিত করবে।

    বইটি পড়তে গিয়ে নিজের ভুলগুলোকে চিনে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। দৃষ্টিভঙ্গি কে পরিবর্তন করার শিক্ষা, বিপদে সবর আর সুখের সময় শোকরের শিক্ষা পেয়েছি। সর্বোপরি, বইটি আমাকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। আর লেখকের প্রতিটি কথা আমাকে ভাবিয়েছে গভীরভাবে। বইটির অনুবাদ সহজ, সরল, সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে যা আমার মতন পাঠক কে সহজেই পড়তে সাহায্য করেছে। বইটির প্রচ্ছদ ও ভালোলাগার মতন।

    গুরুত্বপূর্ণ আর মূল্যবান এই বইটি হাতে পাওয়ার আশায় আছি আমি। বান্দাকে রবের সন্তুষ্টির রাস্তায় একধাপ এগিয়ে দিয়ে আমাদেরকে প্রকৃত মুমিনের রাস্তায় হাঁটতে সহায়তা করবে বইটি। হতাশা আর ব্যর্থতার গ্লানি কে দূর করে দিতে সহায়ক হবে ইন শা আল্লাহ। আপনাদের প্রতি আহবান রইলো অসাধারণ দিকনির্দেশনা মূলক এই বইটি খুব শীঘ্রই সংগ্রহ করার। বইটি কোনো নির্দিষ্ট বয়সী পাঠকের জন্য নয় বরং সকল মুসলিমেরই পড়ার জন্য মূল্যবান একটা বই। সুতরাং, বর্তমানে উম্মাহর শব্দতরু প্রকাশনীর এই বইটি পড়া এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহী করা উচিত।

    বই সম্পর্কে সংক্ষেপে:
    বই: আল্লাহর প্রতি সুধারণা
    লেখক: ড. ইয়াদ কুনাইবী
    অনুবাদক: হাসান মাহমুদ
    প্রকাশনী: শব্দতরু
    পৃষ্ঠা: ২৩২

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    ❀বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

    ❝ এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করবো কিছুটা ভয়,ক্ষুধা,মাল ও জানের ক্ষতি এবং ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে।তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের ❞
    (সূরা বাকারা-আয়াত১৫৫)

    জীবনের বাঁকে বাঁকে সুখ-স্বাচ্ছন্দের সাথে আমরা বিপদ-মুসিবতে আক্রান্ত হই। মনে করি বিপদ মানেই বুঝি আল্লাহর অসন্তুষ্টি। ভুলে যাই এই বিপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে,তিনিই আমাদের সবচেয়ে অধিক কল্যাণকামী।

    সর্বাবস্থায় “রিযা বিল কাজা’অর্থ্যাৎ তাকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি’র সিদ্ধান্ত নিতে হবে।অজ্ঞাত সকল শঙ্কা থেকে চিরমুক্তি মিলবে ইনশাআল্লাহ। আপনি যখনই মহান রবের প্রতি ভালো ধারনা পোষন করবেন,আপনি আল্লাহর কল্যানের বারিধারায় নিজেকে স্নাত করতে দেখবেন।

    নবীজী(সঃ) বলেন,- ❝তোমাদের কেউ যেনো আল্লাহর প্রতি সুধারণার অবস্থা ছাড়া মৃত্যবরণ না করে ❞ [মুসলিম ২৮৭৭]

    আর তাই আল্লাহর প্রতি সুধারনাকে দৃঢ় করতে করতে ড.ইয়াদ কুনাইবী এবং শব্দতরু প্রকাশনী আয়েজন কয়েছে ❝ আল্লাহর প্রতি সুধারনা ❞ বইটির।আমাদের আজকের আলোচনা এই বইটিকে নিয়েই।

    ♦বইটিতে যা যা আছেঃ

    বইটি ড.ইয়াদ কুনাইবীর “হুসনুয যন বিল্লাহ” বইয়ের অনুবাদ।বইটি থেকে আমরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে জরুরি কিছু বিষয় সম্পর্কে জানবো-

    কিভাবে আমরা আমাদের রবকে নিঃস্বার্থভাবে ভালেবাসবো,কিভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবো,কিভাবে আমরা আল্লাহর পরিক্ষাকে পুরুস্কারে পরিবর্তন করবো,বিপদের নিয়ামত থেকে কিভাবে উপকৃত হবো, পরিস্থিতি যাই হোক কিভাবে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি রাখবো,অজানা ভয় কিভাবে দূর করবো,কিভাবে তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবো,কিভাবে আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক দৃঢ় করবো,কিভাবে বিপদে ধৈর্যধারন করবো,কিভাবে পরকালের জন্য নিজেকে তৈরী করবো।

    অনুবাদক হাসান মাহমুদ ভাইর সাহায্যে শব্দতরু প্রকাশনীর ❝ আল্লাহর প্রতি সুধারনা ❞ বইটি হতে পারে আমাদের জন্য অন্যতম সেরা এবং জরুরি একটি বই।

    ♦আমার অনুভূতিঃ

    আলহামদুলিল্লাহ! ধন্যবাদ শব্দতরু প্রকাশনীকে,এমন অসাধারন একটি বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। বইটি পড়ে নিজেকে নতুনভাবে প্রশ্ন করলাম যে, আমার জীবনের উদ্দেশ্য কি?, আর আমি কি করছি! আমার কি করা উচিত ছিলো, বর্তমানে মহান রব আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্ক কতোটা দৃঢ়,আর কতোটা দৃঢ় হবার কথা ছিলো।মহান আল্লাহকে শুধু বিপদের সময় ডাকলাম,দোষারোপ করলাম-কেনো আমার সাথেই সবসময় খারাপ হবে,অন্যরা দিন দিন এতো ধনী হচ্ছে,ওদের কোনো বিপদ নেই,তাহলে আমার এতো বিপদ কেনো? এরপর বিপদ কেটে গেলে আমার তাকে ভুলে গেলাম,এটাই তো আমাদের স্বভাব।

    ❝আমি বান্দার ধারনা মতোই তার সাথে আচরন করি❞।
    (মুসলিম ২৬৭৫,বুখারী ৭৪০৫)

    মুমিনের অন্যতম গুনাবলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুনাবলি হলো আল্লাহর প্রতি সুধারনা অন্তরে পোষন করা। তাকদিরকে দোষারোপ করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।সুখের সময় শোকর,বিপদের সময় সবর করতে হবে।

    আল্লাহ তাআলা বলেন,
    ❝ নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে।❞।
    [কুরআন ৯৪ঃ০৫]

    সবর এবং বেশি বেশি ইবাদাতের মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। মহান রবের প্রতি বন্ধন যত দৃঢ় হবে, রবের প্রতি সুধারনা ততো সংহত হবে।

    ♦বইটি কেন পড়বেন এবং কারা পড়বেনঃ

    সাধারনত বিপদে পড়লেই আমরা ঘাবড়ে যাই,নার্ভাস হয়ে পড়ি,তখন বলি- why always me? কেনো আমার সাথেই সবসময় খারাপ হয়! আমরা এই বলে নিজের তাকদীর এবং স্রষ্টাকে দোষারোপ পর্যন্ত করি(নাউজুবিল্লাহ)।
    মনে রাখতে হবে,আল্লাহই আমাদের সৃষ্টি করেছেন,তিনিই আমাদের সবচেয়ে উত্তম কল্যান কামনাকারী। বইটি আপনাকে দুইটি জিনিস শেখাবে -কিভাবে আপনি বিপদে সবর করবেন এবং কিভাবে আল্লাহর প্রতি সুধারনা বজায় রাখবেন।
    সর্বোপরি বিপদকে আমাদের মহান রবের নিয়ামত হিসেবে উপভোগ করতে হবে। শুধু মাত্র বিপদেই নয়,আল্লাহ তা’আলা চান আমরা তাকে সবমসময়ই যেনো স্মরন করি,তার প্রতি সুধারনা পোষন করি। তার ইবাদাত এবং সুধারনা পোষনের মাধ্যমেই আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবো।

    বইটি আমাদের সকলের পড়া উচিত। কারন- আল্লাহর প্রতি আপনার ধারনামতোই আল্লাহ আপনার কল্যান বাস্তবায়িত করবেন।

    ♦ বইটির বিশেষত্বঃ
    আলহামদুলিল্লাহ এটা জীবন বদলে দেয়ার মতোই একটি বই।
    এই বই পড়ে আপনার অর্জন হবে অসামান্য। আপনি সর্বঅবস্থাতেই স্রষ্টার প্রতি সুধারনা/পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি পোষন করতে সক্ষম হবেন।
    আপনি উপলব্ধি করবেন- বিপদ আল্লাহর ইছাতেই হয় এবং আল্লাহ আমার উত্তম কামনাকারী,বিপদকে পরীক্ষা হিসেবে গ্রহন করা,রোগ-শোক-বিপদে গুনাহ ঝড়ে যায়,আল্লাহ যখন বান্দর ভালো চান, তখনই তাকে বিপদে ফেলেন। কারন- বিপদেই আমরা স্রষ্টাকে বেশি বেশি ডাকি,আর তাকে বেশি বেশি ডাকলে তিনি খুশি হন,এবং বেশি ইবাদাতের মাধ্যমেই আমরা পরকালে উপকৃত হবো।তাই আল্লাহর প্রতি সুধারনা,পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি পোষন করা একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের মৌলিক দায়িত্ব।

    ♦মন্তব্যঃ

    মহান রবের প্রতি সর্বদা ইখলাসের সাথে ইবাদাত করতে হবে। নিজেকে মহান রবের প্রতি সমর্পিত রাখতে হবে।
    ❝ হে আল্লাহ আমি নিজেকে আপনার কাছে সমর্পন করলাম,আমার যাবতীয় বিষয় আপনার উপর ন্যস্ত করলাম ❞
    (বুখারী-৬৩১৩)
    আমার জন্য আমার রবই যথেষ্ট। তাই রবের প্রতি সুধারনা পোষন করা আমাদের মৌলিক দায়িত্ব। আর এই বইটি হতে পারে আমার এবং আমার রবের প্রতি বন্ধন দৃঢ় করার এবং আল্লাহর প্রতি সুধারনা পোষন করার উত্তম সহায়ক। আল্লাহ তা’আলা এই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম জাযা দান করুক।আমিন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    ” আমি বান্দার ধারণামতোই তার সাথে আচরণ করি।”
    হাদিসে কুদসী

    আমাদের সৃষ্টিকর্তা, লালনকর্তা,পালনকর্তা মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন ক্ষমাশীল, অসীম দয়ার মালিক। তার রহমতের বর্ষনে প্রতিনিয়ত আমরা সিক্ত হই, হচ্ছি। তার রহমতে আমরা আন্দিত হই, তার শুকর গুজার করি। আবার যখন আমাদের পরীক্ষা করার জন্য বিপদ-আপদ পাঠানো হয় তখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ধৈর্য না ধরে হতাশায় ভুগতে থাকি। মনোক্ষুণ্ণ হয়ে ব্যথিত হৃদয়ে তাকেই দোষারোপ করতে থাকি। আমার সাথেই কেন এমন হচ্ছে!এসব ভেবে রবের প্রতি অভিমান করি, নাউজুবিল্লাহ। কিন্তু এই রোগ- শোক, বিপদ- আপদও যে রবের রহমত, নিয়ামত হতে পারে সেটা কয়েকজন চিন্তা করি!?করবো কিভাবে সেই বিষয়টিই যে আমাদের জানা নেই। সৃষ্টিকর্তার প্রতি এসব আবেগ, অনুভূতি, সন্তুষ্টি, তাওয়াক্কুলের দ্বিমুখী মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলো নিয়েই বলা হয়েছে বইটিতে। এমন দ্বিমুখী মনোভাবের কারণ, কীভাবে আমরা এসব ধারণা থেকে বের হয়ে আসবো এবং দুঃখ- কষ্টের মধ্য দিয়ে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট ও পজিটিভ ধারণা রেখে তার রহমতে জীবনকে সৌন্দর্য মন্ডিত করতে পারি তা আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে। লেখক বইটি লেখেছেন হাদিস ও কুরআনের আয়াত ব্যাখ্যার মাধ্যমে।

    বইটি লেখক ড. ইয়াদ কুনাইবী রাফি. এর জনপ্রিয় বই ” হুসনুয যন বিল্লাহ ” এর অনুবাদগ্রন্থ। লেখক ড. ইয়াদ কুনাইবীর চিন্তা- ধার এবং লেখনী শৈলী যে কতটা মৌলিক ও প্রভাব বিস্তারকারী তা বলা বাহুল্য। এই বইয়েও লেখক তার ব্যক্তিগত জীবনের চরম মুহূর্তের অভিজ্ঞতালব্ধ বিষয়বস্তু আলোচনা করেছেন। সেই সময়ে রবের প্রতি তার তাওয়াক্কুলের দৃষ্টান্তগুলো ফুটে উঠেছে চমৎকারভাবে।

    বিশেষভাবে বইটি পড়ে আমি যে উপকার পেয়েছি তা হল রবের প্রতি আমি আমার চিন্তা-ধারা, ঈমান, তাওয়াক্কুল কে বিচার করতে পেরেছি, নিজের অবস্থানটা উপলব্ধি করেছি। আর এই উপলব্ধি থেকে নিজেকে পরিমার্জনের সুযোগ পেয়েছি।

    পাঠকদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে বইটি পড়ার জন্য। অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে রবকে চেনার জন্য বইটির গুরুত্ব অপরিসীম। সুখ-দুঃখ, উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে জীবনকে উপভোগ করতে হলে রবের সাথে হৃদয়ের সেতু বন্ধন থাকা প্রয়োজন। আর আপনার জন্য সেই সেতু বন্ধনটি তৈরীর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে এই মূল্যবান বইটি।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top