মেন্যু
ahafi

আহাফি

বিষয় : বিবিধ বই
“তাক্বলিদ কাকে বলে? কারা করে? ♦ কুরআন-হাদিস থাকতে মাযহাব মানার দরকার কী? ♦ সাহাবায়ে কেরাম তাহলে কার মাযহাব মানতেন? ♦ মাযহাব মানা জরুরি হলে আবু হানিফা রাহ. কোন মাযহাবে ছিলেন? ♦ চার ইমাম চার... আরো পড়ুন
পরিমাণ

192  260 (26% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - আহাফি

4.8
Based on 5 reviews
5 star
80%
4 star
20%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    Mohammadullah Mamun:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    ভুমিকাঃ
    ———–
    বহুকাল আগ থেকেই ইসলাম ও মুসলমানদের ঈমান, আমল ধ্বংস করতে বিভিন্ন ধরণের অপশক্তি উঠেপড়ে লেগেছে। ইসলামি ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা রাখেন এমন ব্যক্তিমাত্রই বোঝার কথা মুসলিম সালতানাত ধ্বংসের পেছনে যেসকল কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে, তাদের উদ্দ্যেশ্যের পেছনে আরেকটু উদ্দ্যেশ্য ছিল মুসলিমদের ঈমানী চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করা। আর তারই প্রেক্ষিতে তারা একের পর এক জন্ম দিয়ে গিয়েছে ফিতনা। চতুর্দিক থেকে এ ফিতনা ক্রমান্বয়ী হয়ে মুসলিমদের কোণঠাসা করে দেওয়ার ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে।

    হাজারো ফিতনার মধ্যে নতুনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠা এক ফিতনার নাম বর্তমান ‘আহলে হাদিস’। সহিহ হাদিসের আলোকে মানুষের ঈমান আর আকিদা পুনর্গঠনের নামে দ্বীন দিয়ে মানুষকে দ্বীন থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ধোঁকাবাজি ও প্রতারণায় সয়লাব হয়ে আছে তাদের কার্যকলাপ। দিনকে দিন এদের আধিপত্য বৃদ্ধি রহিতকরণ ও উম্মাহর মধ্যে ঐক্য বিনষ্টিকরণ ঠেকানোর জন্য এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য আহলে হক ওলামায়ে কেরাম কলম ধরতে বাধ্য হয়েছেন।তারই ধারাবাহিকতায় সময়ের কথাসাহিত্যিক ‘রশীদ জামিল’ লিখিত বই “আহাফি”।

    এক নজরে বইটি…
    ————————
    বইঃ আহাফি
    লেখকঃ রশীদ জামিল
    প্রকাশনীঃ কালান্তর
    পৃষ্ঠাঃ ১৮৬
    মুদ্রিত মূল্যঃ ২৬০/-

    বইটির বিষয়বস্তুঃ
    ———————–
    আবহমানকাল ধরে সাধারণ মানুষ তার ঈমান ও আকিদা নিয়ে সন্তুষ্টই ছিল। চার মাজহাবকে হক জেনে তাদের মধ্যে সহাবস্থানিক অবস্থা খুব শান্তিময়তার বানীই শোনাচ্ছিল। নিজের অজ্ঞতার উপর নির্ভর না করে বিজ্ঞজনের পরামর্শ মতেই নিজেদের ঈমান ওও আমল সংশোধনে নিয়োজিত ছিল মানুষ। কিন্তু হঠাৎ কিছু মানুষ উঠেপড়ে লেগে গেল ‘মাজহাবের প্রয়োজন নেই,কুরআন হাদিস থাকতে ফিকহের প্রয়োজন নেই, তাকলীদ করা যাবে না’ সহ আরো বিভিন্ন ধরণের বিভ্রান্তিকর অবস্থার। ফলশ্রুতিতে প্রতিমুহূর্তেই হিমশিম খেতে হয় আসলে সত্য ও নির্ভরযোগ্য বিষয় কোনটা!

    এই বইয়ে তথাকথিত ‘আহলে হাদিস’ নামক ফিতনার আদি ইতিহাস থেকে শুরু করে তাদের উত্থাপিত কিছু কার্যের জবাব এবং উম্মাহর জন্য শক্তিশালীভাবে মাজহাবের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ‘আহলে সুন্নাত ও আহলে হাদিস কি, মাজহাব কেন মানতে হবে,তাকলীদ কি এবং কেন প্রয়োজন, ইমাম কেন মানা উচিত,আহকামে শরিয়্যাহ এবং তরকে তাকলিদের পরিণাম সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা স্থান পেয়েছে এই বইটিতে।

    ইমাম আবু হানিফা রঃ এর শান ও মান, হাদিসে তার দক্ষতা ও দূরদর্শীতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ‘সহিহ হাদিস’ কি, ইমামগনের ইখতেলাফ ও আহাফিদের অপপ্রচারের যুক্তিভিত্তিক ও দলিলভিত্তিক জবাব দেওয়া হয়েছে বইটিতে। সবশেষে, নামাযের বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতের দালিলিক খণ্ডনের মাধ্যমে বইটির শেষ টানা হয়েছে।

    বইটির বিশেষ দিকঃ
    —————————
    ০১. লেখক বইটিতে প্রত্যেকটি কথা খুব সাবলীলভাবে বলে গেছেন। পড়তে গেলে মনে হবে তিনি পাঠকের সাথে কথা বলছেন।
    ০২. বইটিতে বানানের ক্ষেত্রে অভিনব পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এতে পাঠক মহল বানান সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করতে পারবে।
    ০৩. প্রতিটি বিষয়ের সাথে যৌক্তিক ও দালিল জবাব স্থান পেয়েছে। যা থেকে খুব সহজ ও নির্ভরযোগ্যভাবে বিষয়টি হৃদয়াঙ্গম করা যাবে।
    ০৪. বানানরীতি ও প্রতিটি বর্ণায়নের সাথে ব্যাকরণসিদ্ধতা, প্রয়োগযোগ্যতা ও প্রয়োগ বাহুল্য এসব গুনের অধিকারী ছিলেন গ্রন্থটির লেখক।

    বইটি কাদের জন্য ও কেন পড়বেন?
    ————————————————
    বইটি সকল বয়সী ও সকল পেশার মানুষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। ‘সহিহ হাদিস’, ‘সহিহ আকিদা’, ‘সহিহ আমল’ এসব মুখরোচক কথায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে আহাফির ফিতনায় পড়ে ইমান ও আকিদা হুমকির মুখে ফেলে দেওয়া খুব সম্ভব। কাজেই এ ফিতনা সম্পর্কে সজাগ দৃষ্টি রাখা খুবই প্রয়োজন।

    পাঠ্যানুভূতিঃ
    —————–
    বইটির লেখক যৌক্তিক আলোচনার পাশাপাশি কিছু উন্মুক্ত প্রশ্নের অবতারণা ও উত্তর সাজিয়েছেন, যেগুলো দেখে সামান্য রম্যক মনে হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বিশাল ও বিস্তৃত। বইটি পড়ে এই ফিতনা সম্পর্কে ব্যাপক জানার সৌভাগ্য হয়েছে।

    বইটির বাইন্ডিং, কভার, পৃষ্ঠামান ও প্রচ্ছদ খুব ভাল লেগেছে। হার্ড কভারের বই হওয়াতে পড়তেও খুব সুবিধা পাওয়া যায়। সবকিছু বিবেচনায় বইটি চিন্তার খোরাক দিতে সুখপাঠ্য হবে।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    Ruponti Shahrin:

    ‘আহাফি’ অর্থ কি জানেন? আমিও জানতাম না। সেই আগ্রহ থেকে বইটি হাতে নিয়েছিলাম। লেখক রশীদ জামিলের লেখা বই নিঃসন্দেহে চোখ বুজে হাতে তুলে নেওয়া যায়, কিন্তু আমার আসল আগ্রহ ছিল বইটির বিচিত্র নামের জন্যই।
    এবার চটপট কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যান।
    আপনি কি আসল আহলে হাদিস? তাহলে বলুন তো ‘ ইলমে হাদিসের উসুল’ কি? ইলমে হাদিস বুঝলেও কি উসুল বুঝতে কষ্ট হচ্ছে নিশ্চয়ই।
    উসুল অর্থ মূলনীতি। কি সহজ না?
    আচ্ছা, বলুন দেখি, হাদিস কত প্রকার?
    না পারলে সমস্যা নাই। সবাই যে সবকিছু পারবেন সেটা সম্ভব না।
    এইরকম অনেক শব্দ রয়েছে। যখন আমরা বাংলা ভাষায় ইসলামিক শিক্ষা অর্জন করতে চাই, তখন অনেক অপরিচিত শব্দ আসতেই পারে। অপরিচিত হলেও অনেক শব্দার্থ আমরা বুঝি। আমরা যারা জেনারেল শাখায় পড়াশোনা করেছি তাদের জন্য একটু কঠিন।
    মহাদ্দিস কাকে বলে, সাধারণ কিছু বিষয় আমরা সবাই জানি, কিন্তু একটু গভীরে গেলেই মানে, মুহাদ্দিসের তবকা কয়টি, তবকা বিষয়টি কী, এসকল ধরলে আমরা কয়জনে তা বলতে পারবো বলুন তো?
    তাহলে নিজেদেরকে আহলে-হাদিস দাবি করার কোনো যুক্তিই দাঁড় করতে যে পারবো না। ইসলামিক মূল বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজ, যদি বুঝতে পারি তবে। কিন্তু আমরাই এসবকে জটিল করছি, নাকি আমাদের আলেম সমাজ? প্রশ্নটি যুক্তিযুক্ত আবার কঠিন। কিন্তু লেখক রশীদ জামিল এসবের ধার ধরেন না। তিনি কঠিন কথাকে সহজভাবে উপস্থাপন করতে বদ্ধ পরিকর।
    তিরস্কার ও তোষামোদকে উপেক্ষা করে আমাদের সহজভাবে কোনটি ফরজ, জায়েজ, করণীয় আমল, বিদআত এসব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা রাখতে হবে।
    বই পরিচিতিঃ
    আহাফি বইটি অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে সাজানো। ছোট-বড় মিলিয়ে ৭৯ টি টপিক নিয়ে আলোচনা করা হলেও পাঠ পর্যালোচনার পূর্বে সেই টপিকের মাত্র কয়েকটি বিশেষ শিরোনাম যুক্ত করা হলো।
    “তাকলিদ কী?
    কুরআন-হাদিস থাকতে মাজহাবের দরকার কী?
    সাহাবায়ে কেরামগণ কার মাজহাব মানতেন?
    মাজহাব জরুরি হলে আবু হানিফা রাহ. কোন মাজহাবে ছিলেন?
    চার ইমাম চার মত, কারটা সঠিক কারটা ভুল?
    ইমামগণ কি ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে?
    নামাজে নিয়ত করার কথা কোথায় লেখা?
    সুরায়ে ফাতিহা ছাড়া নামাজ হবে?
    ‘আমিন’ অর্থ সমর্থন দেওয়া।তাহলে গোপনে কেন?
    শয়তানের ওয়াসওয়াসার দ্বারা আমল নষ্ট করার জন্য ইবলিশের আক্রমণ হতো, আর এখন আমরা আমাদের নিজেদের মাঝেই দল তৈরী করে ফেলেছি। রাসূল(সা) এর কি কোনো দল ছিল? নাকি তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুমিন মুসলিম? যদি এই প্রশ্নটি বুঝতে পারেন তো এই বইটির সারসংক্ষেপ আপনি ঠিক ধরতে পেরেছেন। আসুন আর কথা না বাড়িয়ে পাঠ পর্যালোচনার দিকে যাওয়া যাক।
    পাঠ পর্যালোচনাঃ
    বইয়ের শুরুতেই প্রকাশকের কথাটির পর আর কিছুই লেখার প্রয়োজন ছিল না, অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে মূলকথাটা সেখানেই বলা হয়ে গেছে।
    সংশয়, বিব্রতি, বিভ্রান্তি, দ্বিধা এবং দ্বন্দ্ব, সন্দিগ্ধ মুসলমান। এদিকেও আলেম, ওদিকেও আলেম; আমরা এখন যাব কোন দিকে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে পড়ুন বহু গ্রন্থপ্রণেতা, বিদগ্ধ আলেম, কথাসাহিত্যিক রশীদ জামীল-এর আহাফি।
    আ হা ফি =আহলে হাদিস ফিরকা বহুল পরিচিত হলেও ধারণা করিনি আহাফি দিয়ে লেখক সেটাই বুঝিয়েছিলেন। অজ্ঞতাবশত নিজেদের পান্ডিত্যি যেমন জাহির করছি, তেমনি সমাধানে লম্বা রেওয়াত টেনে বলছি, ”এই হাদিসের সনদে অমুক রাওয়ির কথা আছে, অমুক মুহাদ্দিস তাকে কাজ্জাব বলেছে, তমুক মুহাদ্দিস বলেছেন দাজ্জাল, কোনটা জয়ীফ/হাসান”….এইসব ফিরিস্তি বুঝতে আসল প্রশ্নের উত্তরটিই অবোধগম্য থেকে যায়। সেক্ষত্রে শ্রোতাকে জানতে হবে-
    হাদিসের সনদ কী, কোন পর্যায়ের মুহাদ্দিস সনদের ব্যাপারে আলোচনার যোগ্য, কাজ্জাব কি, দাজ্জাল কাকে বলে, গ্রন্থের রেফারেন্স, আসল-নকল, কুরআন সাপোর্ট করে তো?
    মাদ্রাসার অনেক ছাত্রই যেখানে দাওরায়ে পাসের পরেও হাবুডুবু খান সেখানে সাধারণ মুসলিম নিতান্ত অবুঝ। লেখকের সাথে আমি একমত যে, আমরা কঠিন প্রশ্নের সহজ উত্তর চাই। চাই আলেম সমাজ যেকোনো বিষয়ে একমত পোষণ করুন। চাই আমল দ্বারা জান্নাত হাসিল করতে। দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মিশেলে কোনটা সঠিক, পালনে দুর্বল হাদিস, এক শ্রেণীর কুচক্রীমহল সহজেই মিডিয়ার মাধ্যমে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। না চাইলেও অবচেতন মন বাদ দিচ্ছে আমল, আখলাক, সুন্নত ও নফল।
    ”এবার আমি অবসরে যাবো।”
    কে বললো এই কথা? যদি বলি শয়তান। কেমন লাগছে? কিয়ামাত পর্যন্ত ধমনী-শিরায় পথভ্রষ্টতার বীজ বপনে বদ্ধপরিকর ইস্তফা কেন চাচ্ছে? তা আমরা যদি ৮০% করে দেই তাহলে ইবলিশের কিসের দরকার এতো কষ্ট করে প্ল্যান প্রোগ্রাম করার?
    মুসলিমরা এক জাতি। মাযহাব কিসের? চার ইমামে ইখতেলাফ কেন? চার মাজহাব মেনে চলি তাহলে সমস্যা কিসের? সাধারণ জনগোষ্ঠী কোন আলেমের কথাটা যুক্তিযুক্ত মেনে একমত পোষণ করবো, দুশ্চিন্তার কথা না?
    রিভাইজ দেয়ার মত ছোটখাট কোন বিষয়ের প্রশ্নই লেখক বাদ দেননি। একজন সাধারণ পাঠকের জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি যেমন প্রশ্নগুলোকে সাজিয়েছেন, তেমনি ব্যাখ্যা করেছেন। নিজেকে আলেম বলে দাবী নেই লেখকের। বিতর, তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, আমিন বলা, নামাজে দাঁড়ানো, নবীর নামাজ অনেক কিছু আমাদের জানার আছে। না জানলে মানব কীভাবে? আমাদের মাঝে এইসব ছোটখাট বিষয় ঐক্যমত না আসলে, অন্য ধর্মাবলম্বীদের চোখে নিজেদের কিভাবে দাঁড় করবো। বিচার দিবস হবে কঠিন।
    আমরা কিসে দ্বিধার মাঝে ফেঁসে যাচ্ছি, চিন্তার বিষয়। মৃত্যুর ঘন্টা সন্নিকটে অথচ দিনের আমল সম্পর্কে বেখবর। আমল নিয়েও সিদ্ধান্তহীনতা। অন্যদিকে অপপ্রচারে জর্জরিত ইসলাম। সাবলীল ভাষার বইটি আমার মতো তুচ্ছজ্ঞান সম্পন্ন পাঠকের জন্য গুছিয়ে গল্পের আকারে, হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে গুরুগম্ভীর আলোচনাও করা হয়েছে। কিছু বিষয় বুঝতে আমাকে বারবার ইন্টারনেটের সাহায্য নিতে হয়েছে। পাদটীকার প্রয়োজন ছিল। প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং দেখে আমি মুগ্ধ। আর দেরি না করে হাতে তুলে নিন মূল্যবান একটি বই।
    জানার আছে অনেক কিছু।
    আচ্ছা, অনেক প্রশ্ন করেছি। আর একটা প্রশ্ন করি, কেমন!
    তাকলীদ কি? জানেন?
    ছোট বয়স থেকে আমাদের জানার ইচ্ছা থেকেই প্রশ্নের শেষ নেই। শিশু বয়স থেকে একটু যখন বড় হই, ‘বাবা’ বলে ডাকতে শিখি। তবে তিনি যে আমাদের বাবা সেই ধারণা মায়ের কাছে পাই। এই চরম বিশ্বাসের নাম তাকলীদ। বোঝা গেছে? খুব সহজ না!
    তেমনি ইসলাম খুব সহজ। কিন্তু বোঝা আর জানার মাঝে দ্বন্দ্ব থেকেই এতকিছু।ঐক্যমত আর বিশ্বাস, সাথে দরকার আলেম সমাজের দায়িত্ব।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    Mohammadullah Mamun:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    ভুমিকাঃ
    ———–
    বহুকাল আগ থেকেই ইসলাম ও মুসলমানদের ঈমান, আমল ধ্বংস করতে বিভিন্ন ধরণের অপশক্তি উঠেপড়ে লেগেছে। ইসলামি ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা রাখেন এমন ব্যক্তিমাত্রই বোঝার কথা মুসলিম সালতানাত ধ্বংসের পেছনে যেসকল কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে, তাদের উদ্দ্যেশ্যের পেছনে আরেকটু উদ্দ্যেশ্য ছিল মুসলিমদের ঈমানী চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করা। আর তারই প্রেক্ষিতে তারা একের পর এক জন্ম দিয়ে গিয়েছে ফিতনা। চতুর্দিক থেকে এ ফিতনা ক্রমান্বয়ী হয়ে মুসলিমদের কোণঠাসা করে দেওয়ার ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে।

    হাজারো ফিতনার মধ্যে নতুনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠা এক ফিতনার নাম বর্তমান ‘আহলে হাদিস’। সহিহ হাদিসের আলোকে মানুষের ঈমান আর আকিদা পুনর্গঠনের নামে দ্বীন দিয়ে মানুষকে দ্বীন থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ধোঁকাবাজি ও প্রতারণায় সয়লাব হয়ে আছে তাদের কার্যকলাপ। দিনকে দিন এদের আধিপত্য বৃদ্ধি রহিতকরণ ও উম্মাহর মধ্যে ঐক্য বিনষ্টিকরণ ঠেকানোর জন্য এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য আহলে হক ওলামায়ে কেরাম কলম ধরতে বাধ্য হয়েছেন।তারই ধারাবাহিকতায় সময়ের কথাসাহিত্যিক ‘রশীদ জামিল’ লিখিত বই “আহাফি”।

    এক নজরে বইটি…
    ————————
    বইঃ আহাফি
    লেখকঃ রশীদ জামিল
    প্রকাশনীঃ কালান্তর
    পৃষ্ঠাঃ ১৮৬
    মুদ্রিত মূল্যঃ ২৬০/-

    বইটির বিষয়বস্তুঃ
    ———————–
    আবহমানকাল ধরে সাধারণ মানুষ তার ঈমান ও আকিদা নিয়ে সন্তুষ্টই ছিল। চার মাজহাবকে হক জেনে তাদের মধ্যে সহাবস্থানিক অবস্থা খুব শান্তিময়তার বানীই শোনাচ্ছিল। নিজের অজ্ঞতার উপর নির্ভর না করে বিজ্ঞজনের পরামর্শ মতেই নিজেদের ঈমান ওও আমল সংশোধনে নিয়োজিত ছিল মানুষ। কিন্তু হঠাৎ কিছু মানুষ উঠেপড়ে লেগে গেল ‘মাজহাবের প্রয়োজন নেই,কুরআন হাদিস থাকতে ফিকহের প্রয়োজন নেই, তাকলীদ করা যাবে না’ সহ আরো বিভিন্ন ধরণের বিভ্রান্তিকর অবস্থার। ফলশ্রুতিতে প্রতিমুহূর্তেই হিমশিম খেতে হয় আসলে সত্য ও নির্ভরযোগ্য বিষয় কোনটা!

    এই বইয়ে তথাকথিত ‘আহলে হাদিস’ নামক ফিতনার আদি ইতিহাস থেকে শুরু করে তাদের উত্থাপিত কিছু কার্যের জবাব এবং উম্মাহর জন্য শক্তিশালীভাবে মাজহাবের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ‘আহলে সুন্নাত ও আহলে হাদিস কি, মাজহাব কেন মানতে হবে,তাকলীদ কি এবং কেন প্রয়োজন, ইমাম কেন মানা উচিত,আহকামে শরিয়্যাহ এবং তরকে তাকলিদের পরিণাম সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা স্থান পেয়েছে এই বইটিতে।

    ইমাম আবু হানিফা রঃ এর শান ও মান, হাদিসে তার দক্ষতা ও দূরদর্শীতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ‘সহিহ হাদিস’ কি, ইমামগনের ইখতেলাফ ও আহাফিদের অপপ্রচারের যুক্তিভিত্তিক ও দলিলভিত্তিক জবাব দেওয়া হয়েছে বইটিতে। সবশেষে, নামাযের বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতের দালিলিক খণ্ডনের মাধ্যমে বইটির শেষ টানা হয়েছে।

    বইটির বিশেষ দিকঃ
    —————————
    ০১. লেখক বইটিতে প্রত্যেকটি কথা খুব সাবলীলভাবে বলে গেছেন। পড়তে গেলে মনে হবে তিনি পাঠকের সাথে কথা বলছেন।
    ০২. বইটিতে বানানের ক্ষেত্রে অভিনব পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এতে পাঠক মহল বানান সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করতে পারবে।
    ০৩. প্রতিটি বিষয়ের সাথে যৌক্তিক ও দালিল জবাব স্থান পেয়েছে। যা থেকে খুব সহজ ও নির্ভরযোগ্যভাবে বিষয়টি হৃদয়াঙ্গম করা যাবে।
    ০৪. বানানরীতি ও প্রতিটি বর্ণায়নের সাথে ব্যাকরণসিদ্ধতা, প্রয়োগযোগ্যতা ও প্রয়োগ বাহুল্য এসব গুনের অধিকারী ছিলেন গ্রন্থটির লেখক।

    বইটি কাদের জন্য ও কেন পড়বেন?
    ————————————————
    বইটি সকল বয়সী ও সকল পেশার মানুষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। ‘সহিহ হাদিস’, ‘সহিহ আকিদা’, ‘সহিহ আমল’ এসব মুখরোচক কথায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে আহাফির ফিতনায় পড়ে ইমান ও আকিদা হুমকির মুখে ফেলে দেওয়া খুব সম্ভব। কাজেই এ ফিতনা সম্পর্কে সজাগ দৃষ্টি রাখা খুবই প্রয়োজন।

    পাঠ্যানুভূতিঃ
    —————–
    বইটির লেখক যৌক্তিক আলোচনার পাশাপাশি কিছু উন্মুক্ত প্রশ্নের অবতারণা ও উত্তর সাজিয়েছেন, যেগুলো দেখে সামান্য রম্যক মনে হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বিশাল ও বিস্তৃত। বইটি পড়ে এই ফিতনা সম্পর্কে ব্যাপক জানার সৌভাগ্য হয়েছে।

    বইটির বাইন্ডিং, কভার, পৃষ্ঠামান ও প্রচ্ছদ খুব ভাল লেগেছে। হার্ড কভারের বই হওয়াতে পড়তেও খুব সুবিধা পাওয়া যায়। সবকিছু বিবেচনায় বইটি চিন্তার খোরাক দিতে সুখপাঠ্য হবে।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    আনাস আহমদ:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা
    ★আহাফি★

    লেখক : রশীদ জামীল

    প্রকাশনী : কালান্তর প্রকাশনী

    বিষয় : বিবিধ

    আহাফি বইটির নামের মাঝেই আলাদা এক অনুভূতি!
    আহলে হাদিস ফিরকা যার সংক্ষিপ্ত আহাফি।
    বর্তমানে মানুষ সংক্ষিপ্ত পছন্দ করে,
    প্রিয় রশীদ জামিল হাফি. সেই পছন্দ কে কাজে লাগিয়ে, বইয়ের নাম দিয়েছেন আহাফি।
    রশীদ জামিল হাফি শুধু একা এই সংক্ষিপ্তের অনুভূতিকে কাজে লাগান নি, কাজে লাগিয়েছে বাতিল ফিরকা গুলোও!
    এর মাঝে আছে আহলে হাদিস ফিরকা।
    তারা মানুষের কাছে দ্বীনকে সহজ হিসেবে প্রকাশ করতে গিয়ে নিজের মন মত কাজ করে যাচ্ছে।
    এতে নিজে বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং মানুষকেও বিভ্রান্ত করছে।
    সেই বিভ্রান্তের বিষয়গুলোকে তুলে ধরা হয়, আহাফি নামক বইয়ে।
    কিভাবে নিজেরা নিজের কথার প্যাঁচে ঘুরপাক খাচ্ছে যা নিজেদের অজানা!
    যেমন তারা বলে তাকলীদ করা যাবে না, অথচ তারাই অন্ধভাবে তাকলীদ করে!
    নবী সাঃ এর সাহাবিদের প্রতি সন্দেহ পোষণ! অথচ নবী সাঃ এর হাদিসে তাদের সফায়ি বর্ণনা করা হয়েছে।
    তাহলে তারা কিভাবে হাদিসের উপর আমল করে?
    হ্যাঁ তারা হাদিসের উপর আমল করে।
    তবে পুরোপুরি নয়” আংশিক আমল করে আংশিক ছেড়ে দেয়।অর্থাৎ পছন্দ মুওয়াফিক আমল।ইহুদিদের মত যারা নিজেদের সুবিধা মত আয়াত সংযোজন বিয়োজন করতো।
    এই বইয়ে আসল আহলে হাদিস কারা তার পরিচয় দেয়া হয়েছে।
    গল্প আকারে বাস্তবতার সাথে মিল রেখে, উদাহরণ স্বরূপ, যুক্তি সহকারে, সহজ-সরল ভাষায় তাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রিয় রশীদ জামিল হাফি.।
    এই বইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টি হলো আবু হানিফা রহ. এর নামের সন্দেহ নিরসন। যা আমাদের ৯৫%মানুষের অজানা।আবু হানিফা রহ এর নাম কেন আবু হানিফা? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে অনেক বড় বড় আলেম লেখক ভুল করেন। যার সন্দেহ নিরসন হয় আহাফি নামক বইয়ে।
    রশীদ জামিল হাফি. এর লেখনির স্টাইলেই পাগল করে দেয়!কঠিন বিষয়কে এতো সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়, যেন বিষয়টি সত্যিই সহজসাধ্য। আহাফি ছাড়া অন্য বইগুলোও যার প্রমাণ।
    আমি মনে করি এই বইটির দ্বারা আহলে হাদিসে হাকিকত বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
    বিঃদ্রঃ আহাফ. যদিও ওরা ভুল পথে আছে, তবে ওরা তো আমাদেরই ভাই, ওদের জন্য আমরা হেদায়েতের দোয়া করতে যেন না ভুলি।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 4 out of 5

    sadakalo.shopnoo:

    আজ ইসলামের মধ্যেই বিভিন্ন ভাগ দেখতে পাচ্ছেন? কখনো প্রশ্ন জেগেছে মনে একই তো ধর্ম সেখানে এতো ভাগ, বিভাজন কেন আসলো? তাও যেখানে ইসলাম নিজেই ভাগ পছন্দ করে না, সবাইকে এক কাতারে দেখতে চায়…

    যুগযুগ ধরে ইসলামের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। ইসলামী জ্ঞানকে পরবর্তী জেনারেশনের জন্য করে গিয়েছেন সহজবোধ্য, সহজলভ্য। এখন আর আগের মতো শতশত মাইল দূরের কোন দেশে যেয়ে দ্বীনি শিক্ষা নিয়ে আসতে হয় না। হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় বই, বইয়ে যেটা স্পষ্ট না একটু হেটে মসজিদ বা আসেপাশে তাকালেই দেখা মেলে মুফতির। যারা দ্বীনি জ্ঞানকে করেছেন সহজলভ্য।

    ইসলামে এই বিভাজন নতুন নয়, নবী সঃ মারা যাবার কিছুদিন পরই শুরু হয় এই বিভাজন, তবে তখনকার খলিফা, সাহাবীদের কারণে এই বিভাজন সেই সময় অতটা ছড়াতে পারেনি। তারা তাদের জ্ঞান ও ইলম দ্বারা দূর করেছেন বিভাজন।

    বইয়ে যাবার আগে জেনে নিনঃ
    আপনি কি জানেন, বর্তমানে মুসলিমদের মধ্যে যেসব ভাগ দেখা যায় তাদের মধ্যে সুন্নি, শিয়া, আহলে হাদিস ইত্যাদি অন্যতম? সুন্নিরা বেশিরভাগ ৪ মাজহাব এর কোন কোন কোন মাজহাব মেনে চলে। এগুলো হচ্ছে হানাফি (সুন্নি), মালিকি(সুন্নি) শাফিয়ি (সুন্নি), হাম্বলি (সুন্নি)। এই মাজহাব বিষয়টা কি? ৪ ব্যাক্তির নিজস্ব নামের অংশ নিয়ে এক একটি মাজহাবের নাম করণ করা হয়েছে। ইসলামের বিষয়গুলো জনসাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে গেছেন এরা। কোরআন, হাদিস থাকতে কেন এই মাজহাব মানবো? এই প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলতে চাই আপনি যে কোরআন পড়ছেন সেই কোরআন নবী সঃ থাকতে ছিলো না তাহলে কেন বই আকারে পড়ছেন? নবী সঃ মারা যাবার পর প্রথম লিখিত পূর্ণাজ্ঞ কোরআন প্রকাশ করা হয় তাও সে সময় নুক্তা, যবর, যের, পেশ ছিলো না। এগুলো সংযোজন হয় আরো পরে মানুষের সুবিধার জন্য। তাহলে এই কোরআন কেন পড়ছেন? আর হাদিস! ইমাম বুখারি বা মুসলিম যেই হাদিস গুলোকে আমরা বিশুদ্ধ বলে জানি, মানি, আপনি জানেন কি সেই সব ইমাম রাও ডিরেক্টলি, ইনডিরেক্টলি এই মাজহাবি লোকদের অনুসরণ করেছেন, মেনেছেন। এমনকি তাদের থেকেও হাদিস সংগ্রহ করেছেন?

    বই নিয়ে অল্প কিছু কথাঃ
    আহাফি বইটি আহলে হাদিস এর কিছু ভুল মতবাদকে তুলে ধরা হয়েছে। আহলে হাদিস নামকরণ শুরু হয় যখন এই মাজহাব এর প্রচলন শুরু হয় তখন থেকেই। যখন মানুষ বলা শুরু করলো আমি অমুক ইমাম বা মাজহাবকে অনুসরণ করে দ্বীন পালন করি, তার থেকে শিক্ষা নিয়েছি, তখন একদল আসলো বলা শুরু করলো আমরা হাদিস মানি, কোরআন মানি কিন্তু মাজহাব মানবো না। তো এদেরও একটা নাম প্রয়োজন হলো, পরিচয় প্রয়োজন হলো। তখন তারা নিজেদের আহলে হাদিস বলে প্রচার শুরু করলো। এরা আবার যুক্তিতে বিশ্বাসী। যেসব হাদিস তাদের যুক্তিতে আসে সেগুলো মানে, যা যুক্তিতে আসে না মনে করে মানার দরকার নাই। এই হিসেবে ভুল ও রহিত হাদিস ও যদি তাদের যুক্তিতে মনে হয় ঠিক আছে তাহলে সেটা মানতে তাদের বাঁধা নেই।

    এখন প্রশ্ন থেকে যায় যা আগেই বলেছি, হাদিস যে মানবেন সেটা কে লিখে দিল? কোরআন বর্তমান এর টা যে পড়ছেন সেটা তো আগে ছিলো না কেন পড়ছেন? যদি নবী সঃ এর সময়কার জিনিসি মানেন অন্য কোন কিছু মানবেন না বলে ঠিক করেন তাহলে মসজিদে যে মাইক ব্যবহার করেন সেটা কেন করছেন? কাগজ, কলম যা আগে ছিল না, মুঠো ফোন ব্যবহার করা যাবে কিনা সেটার রায় কে দিবে? বলছে কাওকে মানবে না অথচ তাদেরও কোন ইমাম আছে যার বই তারা ফলো করছে…।

    মূল বিষয়টা হচ্ছে শিক্ষা নেয়ার জন্য আমাদের কারো না কারো কাছে যেতে হয়, তার থেকে জানতে বুঝতে হয় তারপর মানতে হয়। নিজে নিজে কোরআন, হাদিসের জ্ঞান সম্ভব না, এমনকি সাধারণের জন্য মাজহাব মানলেও সেই মাজহাব বুঝতেও ইমাম, মুফতি, হুজুরের কাছে যেতে হয়, বুঝতে হয়।

    সারাংশেঃ
    মাজহাব কেউ মানলে যেকোন এক মাজহাব মানতে,অনুসরণ করতে হবে। একই সাথে একাধিক মাজহাব মানা যাবে না, কারণ মাজহাবের মাঝেও কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। এই ভিন্নতা বিভিন্ন কারণে, বিভিন্ন বিষয়ে এসেছে। তাই সে কোন এক মাজহাব মানতে হবে। আর যারা মাজহাব মানে না প্রশ্ন থেকে যায় তাহলে তারা কি মানছেন, সেগুলো কোথায় পেলেন?

    যুক্তিনির্ভর, ভালো একটি বই। বইয়ের বিষয় তেমন ভাবে ফুটিয়ে তুলিনি, যা বলেছি বেশিরভাগ নিজের মতো করে বলা। তাই বইটি পড়তে হবে জানতে হলে ডিটেইলস। পড়ুন, জানুন, শিখুন,মানুন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top