মেন্যু
afia siddique

আফিয়া সিদ্দিকী (গ্রে লেডি অব বাগরাম) (পেপারব্যাক)

সংকলন: টিম প্রজন্ম সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলা কথিত যুদ্ধের নামে ড. আফিয়া সিদ্দিকীকে ২০০৩ সালে তিন সন্তানসহ আইএসআই অপহরণ করে এফবিআই এর হাতে তুলে দেয়। অপহরণের পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের বিভিন্ন... আরো পড়ুন
পরিমাণ

176  220 (20% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - আফিয়া সিদ্দিকী (গ্রে লেডি অব বাগরাম) (পেপারব্যাক)

5.0
Based on 5 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    রাহমান শেখ জে:

    দ্বীনদার একজন প্রতিভাবান মানুষ সম্পর্কে জানা গেল। অসাধারন একটি বই । আল্লাহ সুবহানুতালা উনার কোরবানি কে কবুল করেন। আমিন।
    8 out of 10 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    sahla_nawal:

    ড. আফিয়া সিদ্দিকী, একজন নিউরোলজিস্ট, একজন হাফিজা, একজন দাওয়াতি মুসলিমাহ, কাফিরদের ষড়যন্ত্রের শিকার একজন নির্যাতিতা। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন আমেরিকার মত একটি দেশকে মুসলিম রাষ্ট্রে পরিনত করার। স্বপ্ন দেখেছিলেন নিজের দেশে এমন একটা শিক্ষা ব্যাবস্থা গড়ে তোলার, যা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে একজন কুরআনের হাফিজ হতে সাহায্য করবে।

    কেনো তাকে এতটা নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হলো, তার যুতসই জবাব মেলেনি কারো কাছেই। কিন্তু আজকের মুসলিম বিশ্ব তাকে হারিয়ে যে বিরাট ক্ষতির শিকার, তা পূরণ করার সামর্থ কি আদৌ হবে কারোর?

    আমাদের ভালোবাসার আফিয়া সিদ্দিকীকে আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌসের উত্তম স্থান দান করুন।
    টিম প্রজন্মের একটি অসাধারণ কাজ। আল্লাহ তাদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
    আর সবাইকে আল্লাহ অশেষ বারাকাহ দান করুন।

    17 out of 19 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    zabintasmin123:

    ড. আফিয়া সিদ্দিকী একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুসলিম স্নায়ুবিজ্ঞানী, কুরআনের হাফেযা, সংগঠক এবং নারী স্কলার। ১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানি এই নারী বিশ্বের টপ র‍্যাংকিং ইউনিভার্সিটি MIT থেকে বি.এস কমপ্লিট করে ব্রান্ডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পি.এইচ.ডি করেন।
    স্বভাবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও ধার্মিক এবং অসহায় মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ। ড. আফিয়া বসনিয়ার মুসলিম নারী ও শিশুদের জন্য ফান্ড তৈরি করেছেন। বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে বয়স্কদের সেবা ও প্রতিবন্ধীদের সাহায্য করছেন। আমেরিকার জনগণের মাঝে ইসলাম ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন। হাজার হাজার কপি কুরআন বিতরণ করেছেন, বিশেষত্ব কারাগারে অবস্থানরত বন্দীদের মাঝে ইসলামের দাওয়াসহ কুরআন বিতরণ করেছেন।

    তিন সন্তানের এই জননী বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২০০২ সালে পুনরায় পাকিস্তানে ফিরে যান। ফিরে গিয়ে পাকিস্তানের উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেন।২০০৩ সালের ৩১ মার্চ ড. আফিয়া তার তিন সন্তানসহ পাকিস্তানের করাচিতে আইএসআই কর্তৃক অপহৃত হন এবং ২০০৮ সালে গজনীতে নাটকীয় ভাবে তার খোঁজ মেলে।যেখানে তার উপর চলছিল অমানুষিক নির্যাতন। সেই বছরই সেখান থেকে তাকে আমেরিকার নিউইয়র্কে নেয়া হয়। এখানে তার উপর যে ভয়ানক অত্যাচার চলে তা শুনে শিউরে উঠতে হয়। শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের পাশাপাশি তার ধর্মকেও অবমাননা করা হয়। ব্রেইন ড্যামেজ সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলা হয়। নির্যাতনের মাত্রা এতই ছিল যে তার চিৎকার শুনে পাশের বন্দীরা নির্যাতন বন্ধের দাবিতে কারাগারে অনশন করে। পরবর্তীতে তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিচারের নামে প্রহসন করে ৩৮ বছর বয়সী এই নারীকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। কি ছিল তার অপরাধ?!! তিনি ত মানুষের ভালো ই চেয়েছিলেন কিন্তু তা সহ্য হয়নি কিছু অমানুষের। মার্কিন গবেষক ও স্কলার স্টিফেন ল্যান্ডমিন বলেন, “ড. আফিয়া সিদ্দিকীর অপরাধ শুধু একটিই সেটা হলো, সে ভুল জায়গায় ইসলামের প্রচার-প্রসার করেছিল।”

    একজন উচ্চশিক্ষিত, সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, হৃদয়ে কুরআন ধারণকারী নারীর প্রতি অত্যাচারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে “আফিয়া সিদ্দিকী; গ্রে লেডি অফ বাগরাম ” বইটিতে। যে নির্যাতনের কথা শুধুমাত্র বইয়ে পড়ে শিউরে উঠতে হয়, সেই নির্যাতন সহ্য করে একজন নারী কিভাবে ইসলামের উপর অটল, অবিচল ছিলেন তা জানা যাবে বইটি পড়ে। বইটিতে আছে ড. আফিয়ার জীবনী, অপহরণের ঘটনা ও কারণ, মামলা, বিচার, বর্তমান অবস্থা এবং কারাবন্দী অবস্থায় পৈশাচিক নির্যাতনের বিবরণ। ড. আফিয়ার হৃদয় বিদারক কাহিনী জানানোর পাশাপাশি নতুন করে দুটি জাতি ও দুটি দেশের মুখোশ উন্মোচনেও বইটি ভূমিকা রেখেছে।

    আমাদের সকলের উচিত ড. আফিয়া সিদ্দিকীর প্রতি করা এই অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, তার মুক্তি দাবিতে আন্দোলন করা। এটা শুধু মানবতার খাতিরে নয় একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নির্যাতিত মুসলিমের পাশে দাড়ানো। সবশেষে আদালতে বিচারককে ড. আফিয়ার দেয়া বয়ানের মাধ্যমে শেষ করছি-
    “আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার, উলঙ্গ করে সার্চ করার। আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার, আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলবো। আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষণ করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।”

    16 out of 18 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Montasir Mamun:

    বইঃ আফিয়া সিদ্দিকী
    গ্রে লেডি অব বাগরাম
    সংকলনঃ টিম প্রজন্ম
    অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ আফিয়া মুভমেন্ট বাংলা
    প্রকাশকালঃ ২০১৯
    গায়ের দামঃ ২২০ টাকা
    পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৬৮

    বইটি কেন পড়বেন?
    ইসলামের পথে থাকলে মাঝে মাঝে খুব বেশি পরীক্ষা দিতে হয় এবিষয়টি জানতে এবং পাশ্চাত্য সভ্যতার নগ্ন অবিচার সম্পর্কে ধারণা পেতে এই বইটি পড়া আবশ্যক।একজন নিরাপরাধ মেধাবী নারীকেও এমন নির্যাতন সহ্য করতে হচ্ছে জেনে নিজেকে ধরে রাখা কঠিন হবে। বিশ্ব সচেতনতায় এমন বই প্রকাশ করা, পড়া ও প্রচার করা একান্ত জরুরী।

    বইয়ে কি কি আছে?
    আফিয়া সিদ্দিকী নামে পাকিস্তানী এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম মহিলার কাহিনী বর্নিত হয়েছে বইতে। অত্যন্ত মেধাবী এই নারী আমেরিকার এমআইটিসহ টপ ক্লাস ইউনিভার্সিটিতে পরাশোনা করেছেন এবং গবেষণা করেছেন যার আজ এক করুন পরিনতি বহন করে চলতে হচ্ছে।

    আমেরিকা ৯/১১ এর পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তথাকথিত যুদ্ধ পরিচালনা করে আসছে। এই মহিয়সী নারী, হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকী ছিলেন মানবতার জন্য সোচ্চার একজন মহিলা। তিনি সাহায্য সহযোগিতা করতেন, ফান্ড রেইজ করতেন, যুক্ত ছিলেন অনেক ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজে। তিনি ছোটদের নিয়ে কাজ করেছেন, ‘অনুকরনের মাধ্যমে শেখা’ বিষয়ে পি এইচডি করেছেন, বয়স্ক, অসহাত মানুষদের জন্য যার প্রান কেদেছে তাই তিনি তাদের পাশে থেকেছেন। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের গর্ব! এই ধরনের একজন ভালো নারীকেই যুক্তরাষ্ট্র অপরাধী হিসাবে ষড়যন্ত্র মূলক সন্দেহ করেছে!!!

    এরপর পাকিস্থান থেকে অপহরন করে ৫ বছর কারাগারে বন্দী করে রেখেছে! সাথে ছিল তাঁর ৩ ছেলেমেয়ে। ছোট ছেলের কোন হদীস নেই। বড় ছেলে মেয়েকে আলাদা ভাবে আটকে রাখা হয়, পরে ছেড়ে দেয়া হয়। ৫ বছর বন্দীকালীন সময়ে তাঁর উপর চলে অকথ্য নির্যাতন যার মধ্যে ছিল শারিরীক, মানসিক, নগ্ন, ধর্ষন করা ইত্যাদি।
    পুরাটা সময় বাইরের বিশ্ব তাঁর সম্পর্কে সবাই ছিল অনবহিত। এর মধ্যে তাকে বিনা চিকিৎসায় বা নূন্যতম চিকিৎসায় রাখা হয়েছে, দেহের অংগ কেটে নেয়া হয়েছে, পরিপাক নালীও কেটে নেয়া হয়েছে, অমানুষিক যন্ত্রনা নিয়ে প্রায়ই চিৎকার শোনা যেত কারাগার থেকে। তাঁর মত একজন হাফেযার সামনে কুরআন অবমাননাও পর্যন্ত করেছে পিশাচ বাহিনী,

    এরপর আফগানিস্তানে তাকে নিয়ে সেখানে সাজানো নাটক করে গুলিবিদ্ধ করে আবার তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আমেরিকায়। এরপর ক্যাঙ্গারু কোর্ট করে, প্রমানের বিপরীতে, সাজানো মামলায় তাকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এবং এখন পর্যন্ত তিনি আরেরিকায় আটক ও কারাবন্দী আছেন।

    বইয়ের তাঁর বক্তব্য, তাঁর আত্মীয় স্বজন, আইনজীবি, সাংবাদিক, প্রত্যক্ষদর্শী এমন বেশি কিছু নারী পুরুষের প্রবন্ধ আছে। সবার বর্ননাই হৃদয় বিদারক।

    নিজের অনুভূতিঃ
    এক কথায় আমি স্তব্দ হয়ে গেছি সব কিছু জেনে। বই পড়ে মনে হয়েছে আমাদের উচিৎ সবারই নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তোলা উচিৎ এই অবিচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে। আল্লাহ তাঁর সহায় হোন। আমীন

    রেটিংঃ ৯/১০

    11 out of 11 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Montasir Mamun:

    বইটি কেন পড়বেন?
    ইসলামের পথে থাকলে মাঝে মাঝে খুব বেশি পরীক্ষা দিতে হয় এবিষয়টি জানতে এবং পাশ্চাত্য সভ্যতার নগ্ন অবিচার সম্পর্কে ধারণা পেতে এই বইটি পড়া আবশ্যক।একজন নিরাপরাধ মেধাবী নারীকেও এমন নির্যাতন সহ্য করতে হচ্ছে জেনে নিজেকে ধরে রাখা কঠিন হবে। বিশ্ব সচেতনতায় এমন বই প্রকাশ করা, পড়া ও প্রচার করা একান্ত জরুরী।

    বইয়ে কি কি আছে?
    আফিয়া সিদ্দিকী নামে পাকিস্তানী এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম মহিলার কাহিনী বর্নিত হয়েছে বইতে। অত্যন্ত মেধাবী এই নারী আমেরিকার এমআইটিসহ টপ ক্লাস ইউনিভার্সিটিতে পরাশোনা করেছেন এবং গবেষণা করেছেন যার আজ এক করুন পরিনতি বহন করে চলতে হচ্ছে।

    আমেরিকা ৯/১১ এর পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তথাকথিত যুদ্ধ পরিচালনা করে আসছে। এই মহিয়সী নারী, হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকী ছিলেন মানবতার জন্য সোচ্চার একজন মহিলা। তিনি সাহায্য সহযোগিতা করতেন, ফান্ড রেইজ করতেন, যুক্ত ছিলেন অনেক ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজে। তিনি ছোটদের নিয়ে কাজ করেছেন, ‘অনুকরনের মাধ্যমে শেখা’ বিষয়ে পি এইচডি করেছেন, বয়স্ক, অসহাত মানুষদের জন্য যার প্রান কেদেছে তাই তিনি তাদের পাশে থেকেছেন। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের গর্ব! এই ধরনের একজন ভালো নারীকেই যুক্তরাষ্ট্র অপরাধী হিসাবে ষড়যন্ত্র মূলক সন্দেহ করেছে!!!

    এরপর পাকিস্থান থেকে অপহরন করে ৫ বছর কারাগারে বন্দী করে রেখেছে! সাথে ছিল তাঁর ৩ ছেলেমেয়ে। ছোট ছেলের কোন হদীস নেই। বড় ছেলে মেয়েকে আলাদা ভাবে আটকে রাখা হয়, পরে ছেড়ে দেয়া হয়। ৫ বছর বন্দীকালীন সময়ে তাঁর উপর চলে অকথ্য নির্যাতন যার মধ্যে ছিল শারিরীক, মানসিক, নগ্ন, ধর্ষন করা ইত্যাদি।
    পুরাটা সময় বাইরের বিশ্ব তাঁর সম্পর্কে সবাই ছিল অনবহিত। এর মধ্যে তাকে বিনা চিকিৎসায় বা নূন্যতম চিকিৎসায় রাখা হয়েছে, দেহের অংগ কেটে নেয়া হয়েছে, পরিপাক নালীও কেটে নেয়া হয়েছে, অমানুষিক যন্ত্রনা নিয়ে প্রায়ই চিৎকার শোনা যেত কারাগার থেকে। তাঁর মত একজন হাফেযার সামনে কুরআন অবমাননাও পর্যন্ত করেছে পিশাচ বাহিনী,

    এরপর আফগানিস্তানে তাকে নিয়ে সেখানে সাজানো নাটক করে গুলিবিদ্ধ করে আবার তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আমেরিকায়। এরপর ক্যাঙ্গারু কোর্ট করে, প্রমানের বিপরীতে, সাজানো মামলায় তাকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এবং এখন পর্যন্ত তিনি আরেরিকায় আটক ও কারাবন্দী আছেন।

    বইয়ের তাঁর বক্তব্য, তাঁর আত্মীয় স্বজন, আইনজীবি, সাংবাদিক, প্রত্যক্ষদর্শী এমন বেশি কিছু নারী পুরুষের প্রবন্ধ আছে। সবার বর্ননাই হৃদয় বিদারক।

    নিজের অনুভূতিঃ
    এক কথায় আমি স্তব্দ হয়ে গেছি সব কিছু জেনে। বই পড়ে মনে হয়েছে আমাদের উচিৎ সবারই নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তোলা উচিৎ এই অবিচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে। আল্লাহ তাঁর সহায় হোন। আমীন

    রেটিংঃ ৯/১০

    11 out of 14 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No