মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

আঁধার মানবী(হার্ডকভার)

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - আঁধার মানবী(হার্ডকভার)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ইসলামি জীবনব্যবস্থার আলোকে রচিত গল্পগুলো বরাবরই আমার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কেননা এগুলোতে অনর্থক কিচ্ছা-কাহিনী ও অশ্লীলতা থাকে না। সেই সাথে  এসব গল্প পড়লে ইসলামের বিভিন্ন বিধিবিধান সম্পর্কে জানা যায়। এবং সাহিত্যের প্রকৃত স্বাদও আস্বাদন করা যায়। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে অন্যতম একটি উপন্যাস হলো বআধার মানবী”। বইটি লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক মাহিন মাহমুদ ।
    ,
    ▶ সার-সংক্ষেপঃ-
    জেরিনের বাবা নাস্তিক । সেই সুত্রে জেরিনও নাস্তিকতা ও আধুনিকা মনোভাব নিয়েই বড় হয়েছে ।  ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করা পর্যন্ত তার জীবন ছিল নাস্তিকতার আধারে ঢাকা। ইউনিভার্সিটি পড়ার সময় সে জানতে পারে ক্লাসের মেধাবী ছাত্র জামিল সম্পর্কে । জামিল পরিপূর্ন ইসলামী ভাবধারা মেনে চলা একজন মুসলিম ছাত্র । দুজনে একই সাথে পড়ে। নাস্তিকতার আধারে ঢাকা সেই মানবী জেরিন জামিলের অনুপম ব্যবহার ও নসিহতের মাধ্যমে চলে আসলো ইসলামের আলোয়। সেই সাথে ঘটতে থাকে আরো অনেক ঘটনা, দুর্ঘটনা। শেষ পর্যন্ত কি ঘটলো জামিল ও জেরিনের ভাগ্যে জানতে হলে পড়ুন আধার মানবী উপন্যাসটি।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
      বইতে লেখক বাংলাভাষী মানুষের সামনে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়াদিনউপন্যাসের মাধ্যমে সগৌরবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন । যা একইসাথে পাঠককে ইসলামিক কিছু বিষয় জানার পাশাপাশি সাহিত্য রস আস্বাদনেও সহায়তা করবে বলে আমার বিশ্বাস।
    লেখক উপন্যাসটিকে সহজ শব্দচয়ন ও ভাষাশৈলী দ্বারা কোন রকম কৃত্রিমতার আশ্রয় না নিয়ে অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। সুখপাঠ্য গদ্য ও অভিনব উপস্থাপন কৌশল পাঠককে আকৃষ্ট করে রাখবে বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। । উপন্যাসের শেষে রয়েছে আকর্ষণীয় টুইস্ট। যা অনেককেই অবাক করবে। তবে উপন্যাসের কাহিনী বেশকিছু জায়গায় সিনেমার কাহিনীর মত মনে হয়েছে।
    সব মিলিয়ে বইটি বেশ সুখপাঠ্য ও একবসাতে শেষ করার মত বই।
    তাই প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম বইটি পড়ুন এবং নিজেকে বাচিয়ে রাখুন অশ্লীলতা ও ইসলাম বিরোধী সব অপসাহিত্য থেকে।
    Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    মিজান সাহেব ব্যবসায়ী মানুষ। দুই মেয়ে, এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার। মিজান সাহেব একটু ধার্মিক মনোভাব এর হলেও সৎ উদ্দেশ্য রেখে বড় মেয়ে নওশিনকে মেডিকেল এ পড়াচ্ছেন। তিনি চান ছেলে মেয়ে ধর্মীয় ধ্যান ধারণায় বেড়ে উঠুক। তবে বড় মেয়ে এর বিপরীত। সে চায় পশ্চিমা-সংস্কৃতিতে নিজেকে সাজাতে।
    একজন প্রতারক, নারী পাচার কারির সাথে তাঁর ভালবাসা।
    অন্যদিকে তরুণ আলেম লেখক আহসান। অপসংস্কৃতির বিপরীত স্রোতে লিখে চলে একের পর এক মানুষকে আলোর পথে আনতে। স্বনামধন্য এই লেখককেই পাত্র হিসেবে পছন্দ করে মিজান সাহেব। বিয়েও হয়। কিন্তু বিয়ের পর নওশিন তাঁর ভালবাসার মানুষকে ভুলতে পারে না। এক সময় কিডন্যাপ ও হয় পাচার এর উদ্দেশ্যে ভালবাসার মানুষটির দ্বারা। সেখান থেকে অনেক চড়াই উৎরাই পার করে মুক্তিও পায় সে। মুক্তি পেয়ে স্বামী আহসানকে কল করে সব বলতে সাহস না পেয়ে চিঠি লিখে। যে চিঠির ডাকবক্স কখনো খুলাই হয়না।
    এদিকে নওশিন নিজেকে দোষী ভাবে। ভাবে স্বামী হয়তো টাকে আর গ্রহণ করতে রাজি নয়, তাই যোগাযোগ করে না। এদিকে নওশিনকে না পেয়ে এক সময় অন্য একজন এর সাথে বিয়েও ঠিক হয়ে যায় আহাসান এর।
    বিয়ের ঠিক হবার পর হঠাৎ করেই নওশিন এর সাথে আবার দেখা হয় আহসান এর। কিন্তু ততদিনে…
    যেদিন আহসানের বিয়ে সেদিন নওশিন নিজেকে ঠিক রাখতে পারছে না…নিজের মনের ভিতর নানা প্রশ্ন উকি দিয়ে যাচ্ছে তাঁর। কেন এমন হলো?
    শেষ পর্যন্ত কি হলো এই শেষ চিঠিতে…জানতে হলে পরে ফেলুন বইটি।।
    প্রতিক্রিয়াঃ
    অনেক ভুলের মাঝে আমাদের বাস। কথা বলার মাধ্যমে খুব সহজেই যেখানে ভুল বুঝাবুঝি দূর করা সম্ভব সেখানে আমাদের মনে অনেক সঙ্কোচ ও দ্বিধা কাজ করে। এই দ্বিধার জন্যই দেখা যায় সম্পর্কগুলোই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে না। যেকোন বিষয়ে কথা বলে সমাধান করাই উত্তম। আমাদের ও পশ্চিমা-সংস্কৃতিতে থেকে বের হয়ে নিজেদের ঐতিহ্যকে ধারণ করার মানুষিকতা সৃষ্টি করা দরকার।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?