মেন্যু
abu bakar siddique

আবু বকর সিদ্দিক রা

পৃষ্ঠা : 608, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2021
ভাষা : বাংলা

অনুবাদক : আবদুর রশীদ তারাপাশী

আবু বকর (রাযি.)-এর আত্মবিশ্বাস ছিল আকাশছোঁয়া। দৃষ্টি ছিল ইগলের মতো তীক্ষ্ণ। উদারতা ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের চেয়ে প্রশান্ত। প্রজ্ঞা ছিল আটলান্টিক মহাসাগরের চেয়ে গভীর। সংকল্পে ছিল হিমালয়ের উচ্চতা ও দৃঢ়তা। মর্যাদায় ছিলেন নবিদের পর শ্রেষ্ঠ মানব। ছিলেন রাসূলের আজীবন ছায়াসঙ্গী। নবিজির ইন্তিকালের পর উম্মাহ যখন দিশেহারা, সেই কঠিন দুঃসময়ে আবু বকর ছিলেন স্থিরচিত্ত। খিলাফতগ্রহণ করামাত্রই দেখা যায় দ্বীনত্যাগের ফিতনা। তখন তিনি যে কঠোরতা প্রদর্শন করেছিলেন, তা ছিল সম্পূর্ণ অকল্পনীয়। যখন উমরের মতো কঠোর প্রকৃতির মানুষটিও নম্রতা প্রদর্শনের কথা বলছিলেন, তখন তিনি ছিলেন পাথরের চেয়েও কঠিন-শক্ত।

ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি খুলে খুলে আলোচনা করেছেন এই মহান ব্যক্তির জীবন। তাঁর পায়ের প্রতিটি পদচারণ টুকে দিয়েছে কাগজের পাতায়। দেখিয়েছেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত। আসুন, তাঁর সিরাত-সমুদ্রে ডুব দিই। কুড়িয়ে আনি মণিমাণিক্য। তাঁর সিরাতের আলোয় সাজিয়ে তুলি আপন আপন জীবন।

পরিমাণ

448  690 (35% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!

- ৬৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি একটি আমল চেকলিস্ট ফ্রি!

- ৮৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি বই ফ্রি!

- ১,১৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি আতর ফ্রি!

- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী

2 রিভিউ এবং রেটিং - আবু বকর সিদ্দিক রা

5.0
Based on 2 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    একজন সফল মানুষের সামান্য কিছু সময় পেতে,তাঁর সফলতার কারণ জানতে আমাদের কতই না কাঠখড় পোড়াতে হয়! এপোয়েন্টমেন্ট থেকে শুরু করে কত কি!কিন্তু মুসলিম জাহানের এক আশারা মুবাশ্শরা, সাহাবীদের নেতা সম্পর্কে আমাদের জানার পথকে সহজ ও সাবলীল করতেই ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি রচিত বক্ষ্যমাণ বইটির অনুবাদ করেছে- কালান্তর প্রকাশনী।

    হযরত আবু বকর (রা.)
    আব্দুল্লাহ বিন আবু কুহাফা,প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী পুরুষ,যিনি হযরত আবু বকর (রা.) নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ছোটবেলায় বকরির বাচ্চার প্রতি অত্যধিক ভালোবাসার জন্য,তাঁর নাম দেওয়া হয় আবু বকর। তাঁর সিরাত সম্পর্কে জ্ঞানলাভ বরাবরই মুসলিমদের জন্য আবশ্যক, কারণ রাসূলুল্লাহ(সা.) যে প্রজন্মকে শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম বলে আখ্যায়িত করেছে তিঁনি সেই প্রজন্মের সর্দার।

    বইটি কেন পড়ব ;
    ♦পবিত্র কুরআনে সরাসরি সাহাবীনামে উল্লেখিত একমাত্র সাহাবী। হিজরতের সময় গুহায় আশ্রয়কালে যাকে উদ্দেশ্য করে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে আবু বকর(রা.) এরূপদুজন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ।’ তাঁর সম্পর্কে জানার জন্য বইটি অতুলনীয়।
    ♦হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন স্থিরবুদ্ধি ও অসাধারণ জ্ঞানী। ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহ থেকে শুরু করে পবিত্র কুরআনের তাফসির পর্যন্ত সকল বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। সকল ভালো কাজে তিঁনি ছিলেন ভালোদের অগ্রণী। তাই তাঁর জীবনী সম্পর্কে জানা এবং অনুসরণের জন্য বইটি অসাধারণ।
    ♦তিঁনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সার্বক্ষণিক সঙ্গী,সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু।হিযরতের চরম বিপদের সময়ও তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)এর সাথেই সর্বদা ছিলেন।রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ঘুম ভেঙে যাবে এই আশংকায় তিঁনি গুহায় সাপের কামড় খেয়েও নিশ্চুপ থেকে ছিলেন। হিযরতের সময় তিঁনি ছিলেন রাসূলের ‘রাদিফ’।রাসূলের প্রতি তাঁর ভালোবাসা জানার জন্য তাঁর সিরাত পাঠ আবশ্যক।
    ♦রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছ থেকে মিরাজের ঘটনা শুনার পর বিনাদ্বিধায় তা বিশ্বাস করে নেওয়ায় তাঁর উপাধি দেওয়া হয় আস-সিদ্দিক।ঈমানের প্রগাঢ়তা কত বেশি হলে কেউ এরকম হতে পারে,তা উপলব্ধি করার জন্য এবং শিক্ষালাভের জন্য তাঁর জীবনি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা জরুরী।
    ♦রাসূলুল্লাহ (সা.) অসুস্থতাবস্থায় নামাজের ইমামতির জন্য তাঁকেই নির্বাচন করা হয়।এমনকি রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ওফাতের পর যখন বড় বড় সাহাবীরাও সাময়িক সময়ের জন্য অপ্রকৃতস্থ হয়ে পড়েছিলেন,তিঁনিই তখন মুসলিমদেরকে নাসীহাহ্ দিয়ে সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের সামলাতে সাহায্য করেছিলেন।
    ♦শুধুমাত্র সাহাবি বা সঙ্গীই নয়, একাধারে তিঁনি ছিলেন মুসলিম বিশ্বের খলিফা তথা রাষ্ট্রনায়ক। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ওফাতের পর যে মুরতাদ ও ভন্ড নবীর উদ্ভব ঘটেছিল,সেই বিশৃঙখলা দমন করে তিঁনি মুসলিম বিশ্বকে যেভাবে একই খলিফার অধীনে সংঘবদ্ধ করেন তার দ্বিতীয় কোনো নজির ইতিহাসে নেই।এই মহান রাষ্ট্রনায়ককে অনুসরণ বর্তমানে খুবই জরুরি আর যার জন্য তাঁর সিরাত পাঠ আবশ্যক।
    ♦মুরতাদদের দমনের মাধ্যমে তিঁনি মুসলিমদের এমনভাবে একতাবদ্ধ করেছিলেন, যার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মুসলিমরা রোম ও পারস্যের মত পরাশক্তির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয় এবং যা মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তারের সূচনালগ্নে পরিণত হয়।
    মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রসারের সাথে সাথে তিঁনি পবিত্র কুরআনের মাসহাফ তৈরিরও উদ্যোগ নেন।এক কথায় তাঁর পুরো জীবনই আমাদের অনুসরণীয়।
    এক নজরে বইটি-
    নাম:খলিফাতুল মুসলিমিন আবু বকর সিদ্দিক(রা.)
    লেখক: ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি
    অনুবাদক :আব্দুর রশিদ তারাপাশী
    প্রকাশনী : কালান্তর প্রকাশনী
    প্রচ্ছদ মূল্য:৬৯০(হার্ডকভার)।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    বই: খলিফাতুল মুসলিমিন আবু বকর সিদ্দিক রা.
    লেখক : ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি

    • ভূমিকা:

    • যার সিরাত নিয়ে লিখিত এই বইটির রিভিউ দিতে যাচ্ছি তিনি ‘সিদ্দিক’, তিনি ‘বিশ্বস্ত’। তিনি ছিলেন নবীজী মুহাম্মদ (সা:) এর প্রধান সাহাবি, ইসলামের প্রথম খলিফা এবং প্রথম মুসলিমদের মধ্যে অন্যতম। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণের সম্মান তাকেই দেওয়া হয়। এছাড়া তিনি রাসুলে আরাবই (সা:) এর শ্বশুর ছিলেন। রাসুলুল্লাহ মুহাম্মদ (সা:) এর মৃত্যুর পর তিনি খলিফা হন এবং মুসলিমদের নেতৃত্ব দেন। যিনি আর কেউ নন, আবু বকর সিদ্দিক (রা.)।

    • বই কথন :

    পৃথিবীর ইতিহাসে বিশ্বনবির পর অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, মাধুর্য ব্যবহার, ব্যক্তিত্বের বলিষ্ঠতা, অগাধ জ্ঞানের গভীরতা, কালজয়ী আদর্শিক একনিষ্ঠতা, কুরআনের নীতি-জ্ঞানে পরিপক্বতা, দায়িত্ব পালনে কর্তব্য-নিষ্ঠা, অধিকার বস্তবায়নে ত্যাগের মহিমা আর নিঃস্বার্থ প্রজা পালনে সমগ্র পৃথিবীব্যাপী যত রাষ্ট্রনায়ক সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তাঁদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাঁর নামটি শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন ইসলামি খিলাফতের প্রথম খলিফা, হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি আশারায়ে মুবাশ্বারার একজন। বর্তমান সময়ে পাঠক প্রিয় লেখক ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি তার সুনিপুণ কলমে লিপিবদ্ধ করেছেন সেই মহামানবের জীবনের প্রতিটি ঘটনা। সেই সঙ্গে বইতে ধারাবাহিক ভাবে জন্ম থেকে শৈশব-যৌবন ইসলাম গ্রহণ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সাহচর্য ও খেলাফত লাভ বর্ণণা করা হয়েছে। যার জন্য আমরা বইতে একজন সাথী বা বন্ধু হিসাবে কেমন তা যেমন জানবো ঠিক তেমনি রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে তিনি কেমন ছিলেন তা দেখবো। বন্ধু হিসাবে তিনি ছিলেন নবীজী (সঃ) এর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। নবীজীর সুখে- দুঃখে সব সময় ছায়া হিসেবে ছিলেন। আবার নবীজী (সাঃ) ইন্তেকাল পর. হযরত উমর রা. মত সাহাবিরা শোকে কাতর। তখন চারদিকে থেকে বিরোধী শক্তি মুসলিম উম্মাহকে ঘিরে ধরে। একদিকে রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্যের হুমকি ও অন্যদিকে ভন্ড নবীদের আবির্ভাব। ইসলামকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে একত্র হয় সব বিরোধী শক্তি। সেই মুহূর্তে খেলাফতের দায়িত্ব নেন হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা.। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন মোলায়েম ও কোমল হৃদয়ের মানুষ। কিন্তু খেলাফতের দায়িত্ব তিনি হয়ে ওঠেন একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রধান। একে একে সব ভন্ড নবীদের দমন করে রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্যের ভিত নাড়িয়ে দিয়ে ইসলামিক খেলাফত মজবুত করেন। তার দেখানো পথেই পরবর্তী খলিফাগণ খেলাফতের সীমানা পৃথিবীতে বৃদ্ধি করেন।

    এ জন্য ঐতিহাসিকরা তাঁকে ইসলামের ত্রাণকর্তা বলে অভিহিত করেন। তিনি ইসলামের সবচেয়ে বড় যে খেদমতটি করেছেন তা হলো, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা পবিত্র কুরআনের পান্ডুলিপি একত্রে করে একটি পূর্ণাঙ্গ কপি তৈরি করেন, যা মাসহাফে সিদ্দিকী নামে খ্যাত। আর এ মাসহাফে সিদ্দিকীই পরবর্তী সময়ে পবিত্র কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত আসছে। এইভাবে তার জীবনের প্রতিটি ঘটনা উঠে এসেছে এই বইটিতে।

    •বইটি কেন পড়া প্রয়োজন ও বইটির ভালোলাগা :

    • বর্তমান সময় ফেতনার যুগ। নানাবিধ সমস্যা জর্জরিত বর্তমান সমাজ।চারদিক থেকে ইসলামকে মিশিয়ে দিতে একত্রিত হয়ে সাম্রাজ্যবাদি গোষ্ঠী ও ভন্ড নবুয়তেরদাবীদারেরা‌। এই বইটি পড়লে আমরা রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইন্তেকাল এর পরের সময়কার সব বাঁধা বিপত্তি কিভাবে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাঃ পার করেছিলেন তা বুঝতে পারবো। এছাড়াও বর্তমানে কে বন্ধু, কে শত্রু তা বোঝা যায় না , কিন্তু আমরা যখন বইটি পড়বো এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সঃ) ও আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) বন্ধুত্বের সেই মধুর সম্পর্ক দেখবো, কিভাবে তা নিজেদের জীবনে তা কাজে লাগাবো তা বুঝতে পারবো।

    • এই বইটি পড়লে আরো জানতে পারবো কিভাবে খিলাফত প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে হয় ।

    • বইটির যে বিষয়গুলো আমার ভালো লেগেছে , এখনে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা. এর ধারাবাহিকভাবে জীবনের প্রতিটি অধ্যায় নিয়ে আলাদা আলাদা পরিচ্ছদে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া এখানে শুধু গতানুগতিক ধারার জীবনী বর্ণনা করা হয় নি। বরং জীবনীর সাথে যুক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা ও সমকালীন সময়ে এর তুলনামূলক মিল- অমিল এবং শিক্ষণীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

    • কালান্তর প্রকাশনীর নিজস্ব ফন্টে লেখা বইটি অনুবাদ ছিল সাবলীল ও চমৎকার। অনুবাদক সহজ ভাষায় সরাসরি আরবি থেকে অনুবাদ করায় লেখকের সব ভাব তুলে আনা হয়েছে। এছাড়া কালান্তরের বইয়ের বাইন্ডিং ও কোয়ালিটি বরাবরের মতো উন্নত ছিলো।

    • লেখক ও অনুবাদক :

    • বইটির লেখক ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি। উনাকে নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় লেখক, তার রচনাতে শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারার বর্ণনা নয়, বিশুদ্ধতা ও দালিলিক প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা। জটিল বিষয়ে সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের ঘটনার সঙ্গে বর্তমান অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। পাশ্চাত্যবাদ ছড়িয়ে দেওয়া ঐতিহাসিক মিথ্যাগুলোর বিরুদ্ধে সতত্যা পাওয়া যায় তার লেখায়‌।

    • আর আনুবাদক আবদুর রশীদ তারাপাশী বর্তমান বাংলাভাষায় ইসলামিক অনুবাদের জগতে অন্যতম।ইতিমধ্যে সহজ সাবলীল ভাষায় অনুবাদ কৃত বই পাঠক প্রিয়তা লাভ করেছে ।

    • শেষ কথা:

    হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাঃ ছিলেন নবীজী (সঃ) হাতে গড়া শিষ্য, ছিলেন তার বন্ধু-সাথী, ছিলেন ইসলামের প্রথম খলিফা। তিনি কিভাবে রাসুলুল্লাহ (সঃ) কে প্রত্যক্ষ করেছেন ,তার থেকে ইলম ও গুণাবলী অর্জন করছেন। তা জানতে হলে পড়তে হবে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা. এর সিরাত ও সেখান থেকে কুড়িয়ে আনতে হবে মণিমুক্ত।
    সেই আলোয় আলোকিত করতে পারবো মোদের জীবন।

    • এক নজরে বইটি :

    ∆ বইয়ের নাম : খলিফাতুল মুসলিমিন আবু বকর সিদ্দিক রা.

    ∆লেখক : আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি

    ∆ অনুবাদক : আব্দুর রশিদ তারাপাশী

    ∆ প্রকাশনী : কালান্তর

    ∆ প্রছদ্দ মূল্য : ৬৯০ টাকা

    ∆ প্রকাশকাল : মার্চ,২০২১ ইং

    ∆ কভার : হার্ডকভার

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top