মেন্যু
biye: sopno theke ostoprohor

বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর

পৃষ্ঠা : 62, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 4th Printed, 2017
আইএসবিএন : 9789843375872
বিয়ের মতো অনবদ্য একটি আশীর্বাদ দুঃসহ অভিশাপে পরিণত হতে পারে যদি বিয়ের আগের ও পরের কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করা না হয়। কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সাজানো দাম্পত্য জীবন শুধু স্বামী-স্ত্রী... আরো পড়ুন

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

17 রিভিউ এবং রেটিং - বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর

4.7
Based on 17 reviews
5 star
70%
4 star
29%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    Mohammad Mainuddin Sumon:

    MashaAllah! Ek kothay oshadharon. Emn ekti boi ja bar bar porte mon chay. Each and Everyone should read this book.
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    Summa jahan:

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_মে_২০২০

    ব‌ই:বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর
    লেখক : মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ
    প্রকাশনী : সিয়ান পাবলিকেশন
    বিষয় : পরিবার ও সামাজিক জীবন
    মূল্য:১৩৫ টাকা

    বিয়ের মতো অনবদ্য একটি আশীর্বাদ দুঃসহ অভিশাপে পরিণত হতে পারে যদি বিয়ের আগের ও পরের কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করা না হয়। কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সাজানো দাম্পত্য জীবন শুধু স্বামী-স্ত্রীর উপরই নয় বরং গোটা সমাজের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ বয়ে আনে।

    ব‌ইটির সারকথা:
    ***************
    একটি সুস্থ সুন্দর সমাজের ভিত্তি হলো পরিবার ব্যবস্থা। আর পারিবারিক জীবনের ভিত্তি হলো একটি সুস্থ সুন্দর দাম্পত্য জীবন অথচ পবিত্র দাম্পত্য জীবনে যেন আজ হানা দিয়েছে ভাঙ্গড়ের মহামারী।পরিণতিতে সমাজ জীবনে তৈরি হয়েছে ভয়ানক দায়িত্ববোধহীনতা। আবু হুরায়রা(র:) বর্ণনা করেছেন নবী (সাঃ) বলেছেন চারটি জিনিস দেখে একজন নারীকে বিয়ে করা হয়, তার সম্পদ ,বংশমর্যাদা ,রুপ সৌন্দর্য এবং দ্বীনদারী।তোমরা বিয়ের সময় দ্বীনদার নারীদের অগ্রাধিকার দাও।
    মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে শুধু রূপ সুন্দর্য,আর ছেলে দেখার ক্ষেত্রে শুধু পদমর্যাদা ও সামাজিক প্রতিপত্তি দেখে বিয়ে দিলে বাকি জীবন অনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই নয়।আর না হয় বিচ্ছেদ।দ্বীনদারীতা প্রাধান্য দিলে দাম্পত্য জীবনে সুখী হ‌ওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, বাকি টুকু আল্লাহ পাকের ইচ্ছা।
    দাম্পত্য সুন্দর জীবনের বৈশিষ্ট্য:
    সত্য কথা বলা, যত্ন নেওয়া ,পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ এই তিনটি গুণ কে সুখী দাম্পত্য জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে গণ্য করা যায়। খেয়াল করুন এখানে ভালোবাসা শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি,কারণ ভালোবাসা মূলত সৃষ্টি হয় এই তিনটি বিষয় থেকে সম্মান ছাড়া কখনোই ভালোবাসা জন্ম নিতে পারে না।

    এমন কাউকে বিয়ে করুন যাকে দেখে অনুকরণ করতে ইচ্ছা হয় যাকে শ্রদ্ধা করা যায় এবং যার থেকে কাছ থেকে ক্ষমা করা শেখা যায়।
    অসুখী দাম্পত্যজীবনের সূত্র হলো এমন কাউকে বিয়ে করা যাকে আপনি বদলে ফেলতে পারবেন চিন্তা করে বিয়ে করেন, মানুষ নিজে থেকে পরিবর্তন না হলে অন্য কেউ তাকে কখনোই পরিবর্তন করতে পারে না।এক সময় ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিতে হয়, ফলে সুখের হয় না বিবাহিত জীবন।
    ****#বিবাহিত_জীবন_সুখের_জন্য_কিছু_প্রশ্নের_উত্তর_খুঁজতে_হবে
    ১. দাম্পত্য জীবনকে কিভাবে সফল করা?
    ২.অসুখী দাম্পত্য জীবনে কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় সুখ?
    ৩.আপনি কি সত্যিই চান আপনার দাম্পত্য জীবন সুখের হোক?
    ৪.মনের মানুষ বলতে কিছু আছে আপনার?

    সম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়,আপনা-আপনি সৃষ্টি হয় না, একটু একটু করে গরে তুলতে হয় কখনো কখনো এজন্য অনেক সময় প্রয়োজন হয়।
    দাম্পত্য জীবনকে সুখী করার পেছনে মূল দায়িত্ব স্বামী-স্ত্রীর। সুন্দর সংসার সবার‌ই স্বপ্ন,এই স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে আপনাকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
    এই ব‌ইটি বিবাহিত-অবিবাহিত, নারী-পুরুষ উভয়েরই পড়া খুবই গুরুত্বপূর্ন।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    দ্বীন মুহাম্মাদ শেখ:

    ◾ আলোচ্য বিষয়: কিছু কিছু বই আছে, যা পড়া হয়ে গেলে মনে হয়, “এত দ্রুত শেষ হয়ে গেলো কেনো! ” এটি এমনই এক ধরনের বই। ছোট্ট একটি বই। অথচ দাম্পত্য জীবন সুখী করার জন্যে এত এত টিপস দেওয়া হয়েছে এতে, যা সত্যিই অতুলনীয়।

    ◾ বিস্তারিত আলোচনা:  বইটির শুরুতেই ‘ইসলামে বিয়ে’ শিরোনামে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব কতখানি, তা খুব চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিবাহিত জীবন সুখী করারও কার্যকরী কিছু কৌশল আলোচিত হয়েছে এখানে।  যেমন:
    * পরস্পরকে সম্মান করতে হবে।
    * ভালো গুণগুলো মূল্যায়ন করতে হবে।
    * ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে হবে।
    * সুন্দর স্মৃতিগুলো মনে রাখতে হবে।
    * মন্দ বিষয়গুলো ভুলে যেতে হবে। ইত্যাদি।

         ‘বিবাহিত জীবন সুখী করার উপায়’ শিরোনামে লেখক এ সম্পর্কিত ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, যা এক কথায় অসাধারণ।  দাম্পত্যজীবন সুখী করার উপায় হিসেবে লেখক বিস্তারিত যে আলোচনা করেছেন, তার সারসংক্ষেপ এমন:
    * জীবনসঙ্গীকে নিজের উপর প্রাধান্য দেওয়া।
    * সঙ্গীর কাছ থেকে যা আশা করা হয়, তা আগে নিজে করা।
    * জীবনের সবকিছু ভাগাভাগি করা।
    * সাংসারিক কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করা।
    * স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এবং ধন্যবাদ দেওয়া। ইত্যাদি।

    ◾ কেনো পড়বেন বইটি :

    আপনার সংসার জীবনকে সুখী করতে চান? সুখী করার মন্ত্র জানতে চান? তবে বইটি আপনাকে পড়তেই হবে। বিয়েকে পার্থিব জীবনের সুখ ও পরিপূর্ণতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি বিষয়গুলো জানতে পড়তে হবে বইটি। একজন আন্তরিক পাঠক বইটি থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করলে সুখী-সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ।

    ◾ মন্তব্য: বরাবরের মতোই সিয়ানের এ বইটির প্রচ্ছদ-পৃষ্ঠাসজ্জা সমালোচনার উর্ধ্বে। বইটি সম্পর্কে কী মন্তব্য করবো, ভেবে পাচ্ছি না।কেবল বলি, বিবাহিত-অবিবাহিত, সবাই বইটি পড়ুন। বইটি আমাকে যে উপহার দিয়েছে, তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Fateha Zishan:

    Mashallah. eto valo ato oshadharon boi!! na porle bujte partam na .
    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Tasnim Bin Sekander:

    ইবনে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন, ‘একে অন্যকে ভালোবাসে এমন দুজনের জন্য বিয়ের মতো উত্তম আর কিছু আমি দেখি না।’ (ইবনে মাজাহ, অধ্যায়: বিয়ে, হাদীস নং- ১৮৪৭)

    বিয়ে সম্পর্কিত পড়া এটাই আমার প্রথম বই। কিন্তু মাত্র ৬২ পৃষ্ঠার বইটাতে লেখক সত্যিই সুন্দরভাবে জীবনসঙ্গিনীর প্রেমে বারবার পড়ার মন্ত্র সাবলীলভাবে বলেছেন।

    আসলে শুধু লাইফ পার্টনার না, লেখক এমন অনেক পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেছেন যেগুলো পরিবার পরিজন এমনকি বন্ধু-বান্ধবিদের সাথেও প্রয়োগ করা যায় বা করা উচিত।

    দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার মন্ত্র গুলো লেখক যখন আলোচনা করছিলেন তখন সত্যিই খায়েশ জন্মাচ্ছিল ৩০ বছর পরেও যেন আমি আমার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে প্রেমে পড়তে পারি।

    সুখী দাম্পত্য জীবনে কী কী ভূমিকা রাখে এমন প্রশ্নে লেখক মোটামুটি তিনটি বিষয়ে ফোকাস করতে চেয়েছেন তা হলো-

    ১- সত্যবাদিতা
    ২- যত্নবান হওয়া
    ৩- পারস্পরিক সম্মানবোধ

    এছাড়াও অনুরাগ প্রকাশে পাগলামি করা। উপহার দেয়া। শুধু মেয়েরা না, ছেলেরাও যে উপহার পেলে খুশি হয় এবং বরং মেয়েদের তুলনায় বেশি খুশি হয় সেটাও হয়ত অনেকের ভাবনাতেও থাকে না।

    বিয়েঃ স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বইতে লেখক মূলত ২০ টি প্রশ্নের উত্তরের উপর আলোচনা করেছেন। এর মধ্যে আরো একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় আমার কাছে লেগেছে যে, দুজনার একটা ভাষা তৈরি করে ফেলা।

    ‘যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেছে তাদের আপনি দেখবেন যে, তারা হয়ত কোনো বিষয় নিয়ে মুচকি হেসে যাচ্ছে, কী কারণে তারা দুজন হাসছে তা কেবল তারাই বুঝতে পারে। হয়তো দেখবেন তারা এমন একটা ভাষায় কথা বলছে যা কেবল তারাই বুঝতে পারছে। তাদের কথাগুলো হয়তো অন্যদের কাছে একেবারেই সাধারণ মনে হয়, কিন্তু তা তাদের পরস্পরের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। এটা যদি আপনি গড়ে তুলতে পারেন তাহলে ৩০ বছর পরেও দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে প্রেমে পড়বেন বারবার।’

    এ বিষয়টা লিখতে গিয়ে লেখকের আরো একটা উক্তিও অবশ্য মনে পড়ে গেল,

    ‘আমি প্রায়ই বলি, ‘ঝগড়াটে কাউকে বিয়ে করার চেয়ে একটি ঘোড়া কেনা ভালো; ঘোড়াটি অন্তত বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে আনতে পারতো।’ ‘ঝগড়াটে’ একটা উভয়লিঙ্গ শব্দ; নারী বা পুরুষ উভয়ের খেত্রেই প্রযোজ্য।’

    আমার কাছে মনে হয়েছে অল্প কলেবরের বইটিতে লেখক অত্যান্ত মূল্যবান আলোচনা করেছেন দাম্পত্য নিয়ে। যদিও আমার মনে হয়েছে দাম্পত্যের বাইরেও অন্যান্য ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গুলোর খেত্রেও বইয়ের নাসিহা গুলো মূল্যবান মুক্তোর মত।

    লেখক মির্জা ইয়াওয়ার বেইগের সম্পর্কে বলতে গেলে এটা আমার পড়া তার প্রথম বই। তবে তার প্রথম বই পড়েই আমি মুগ্ধ হয়েছি সত্যি। প্রকাশকের কথা থেকে লেখকের পরিচয় টুকলে বলতে হয়,

    ‘মির্জা ইয়াওয়ার বেইগের জন্ম প্রাচ্যে। জীবনের বড় একটা অংশ পশ্চিমে কাটিয়েছেন। কর্পোরেট জগতের বহু ডাকাবুকোর গুরু তিনি। ইসলামের আলোয় আলোকিত এ মানুষটি এমন এক চশমা দিয়ে দুনিয়াটাকে দেখেন যার জুঁড়ি নেই। আদর্শিক পা হড়কানো থেকে উদ্ভূত সমস্যাগুলোকে তিনি ঝানু ব্যাবসায়ীর চোখ দিয়ে দেখেন, ব্যবচ্ছেদ করেন। এরপর ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সমাধান সাধেন।’

    এবার আসি প্রকাশনীর কথায়। সিয়ান পাবলিকেশন সম্পর্কে কিছু বলার নেই আসলে। আজ যে এত সুন্দর সুন্দর প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা কনটেন্ট আর নজর কাড়া লুক পৃষ্ঠা বিন্যাস, সুন্দর সাবলীল বানান এবং রুচিশীল শব্দচয়ন ইসলামী প্রকাশনী-বইয়ে আমরা দেখি তার অনেক অবদান সিয়ান পাবলিকেশনের। যার সুচনাটা হয়েছিল তাদের হাত দিয়েই।

    সত্যি বলতে অনুবাদ পড়ার সময় মনেই হয়নি আমি অনুবাদ পড়ছি। আল্লাহ সিয়ানের কাজে আরো বারাকাহ দ্বান করুন। আমার ব্যক্তিগত রেটিং যদি সার্বিকভাবে দেই বইটা সম্পর্কে তাহলে বলতে হবে, সুন্দর প্রচ্ছদ সুন্দর অনুবাদ অসাধারণ কিছু নসিহা যা বইটা পড়ে শেষ করার পর বাস্তব জীবনে এ্যপ্লাই করতে ইচ্ছে করবে। তাই আমার রেটিং- ৯.৪/১০

    ‘বিয়েঃ স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর’ পড়ার পর আমি উপহার লিস্টে বইটা যুক্ত করেছি। আমার পরিবারের সদস্যদেরকেও যারা বিয়ের উপযুক্ত হয়েছে বা বিয়ে করেছে তাদেরও বইটা উপহার দেয়ার নিয়াত করেছি। শুধু তো দাম্পত্য নয় পরিবারের সকলের সাথে সম্পর্কটা পোক্ত করা প্রয়োজন। আমার অনুরোধ থাকবে বইটা ছেলে-মেয়ে সকলের পড়ার এবং উপহার দেয়ার…

    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No